বিকাল ৫:২৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং
/ ফুটবল / নারী ফুটবলারদের জীবনীশক্তি নষ্ট করা হচ্ছে: তরফদার রুহুল আমিন
নারী ফুটবলারদের জীবনীশক্তি নষ্ট করা হচ্ছে: তরফদার রুহুল আমিন
মার্চ ৫, ২০১৯



বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের আদলে এদেশের ফুটবলেও আয়োজন করতে চেয়েছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। লোগো এবং ট্রফি উন্মোচনও হয়েছিল বেশ ঘটা করে। কিন্তু বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বড় কর্তাদের অসহযোগিতায় সেই টুর্নামেন্ট আর মাঠেই গড়ায়নি। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার আর আগাগোড়া ব্যবসায়ী হলেও ফুটবলপ্রেমই তাকে নিয়ে এসেছে সবুজ গালিচায়। বলছি, সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের স্বত্ত্বাধিকারী তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিনের কথা। বাংলাদেশ ফুটবলে ছিলেন সবচেয়ে বড় স্পন্সর। মতবিরোধের কারণে বাফুফে স্পন্সরশিপ চুক্তিও বাতিল করেছে। পরিণামে অর্থের অভাবে সময় মতো লিগই আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। ফুটবল অন্ত্য:প্রাণ এই মানুষটির স্বপ্ন ভেঙেছে শুধুমাত্র বাফুফে কর্মকর্তাদের খেয়ালিপনায়। এদেশের ফুটবল নিয়ে তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন, আশা-ভালোবাসা আর স্বপ্নের কথা পরাগ আরমানকে জানিয়েছেন বেশ অকপটেই। এখানে তার কিছুটা তুলে ধরা হলো।

প্রশ্ন: আপনি ইঞ্জিনিয়ার, আবার পেশায় ব্যবসায়ী। এসব সত্ত্বেও ফুটবলের সাথে জড়িত হলেন কিভাবে?

তরফদার মো: রুহুল আমিন: ফুটবল বাঙালি জাতির রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। ছোটবেলায় মাঠের মধ্যে ফুটবল নিয়ে খেলাধুলা করেছি। এমনকি জাম্বুরা দিয়ে ফুটবল বানিয়েও খেলেছি। গ্রামে নাড়া-কুঁটো দিয়েও ফুটবল বানিয়ে খেলেছি। বাড়ির উঠানের সামনে ছোট গোলপোস্ট করে আমরা খেলেছি। ফুটবলটা একটা অন্যরকম ব্যাপার। আর যখন স্কুল-কলেজে পড়েছি তখন তো কোনো কথাই নেই। লেখাপড়ার পাশাপাশি ফুটবল খেলেছি। ব্যক্তিগতভাবে ফুটবল খেলা আমি ভীষন পছন্দ করি। ফুটবলের প্রতি আমার একটা আসক্তি আছে। তারপর চট্টগ্রাম আবাহনীর সাথে জড়িত হলাম। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সাইফ স্পোর্টিং গঠণ করা। এভাবেই ফুটবলের সাথে জড়িয়ে পড়া।

প্রশ্ন: শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল দিয়েই তো নজরে আসা?

উত্তর: চট্টগ্রাম আবাহনীর সাথে যুক্ত হওয়ার আগে দল রেলিগেশন এড়াতে লড়াই করতো। দায়িত্ব নিয়েই সেই অবস্থা থেকে দলকে আমরা বের করে নিয়ে আসলাম। এখানে কাজ করতে করতে দেখলাম, আসলে ফুটবলে অনেককিছু করার জায়গা আছে। কিন্তু সবকিছু বন্ধ করে রাখা হয়েছে। যেমন ধরুন, ৮০-র দশকে বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে যে উন্মাদনা ছিলো, তা কিন্তু এখন আর নাই। সঠিক পরিকল্পার অভাবে আর নানা অবহেলায় ফুটবল হারিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, চট্টগ্রাম আবাহনীর উদ্দোগে ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব কাপ করবো। সাফ এবং সাফের বাইরের দেশের দলকে নিয়ে হবে এই টুর্নামেন্ট। যে টুর্নামেন্টটা থেকে অন্তত কিছুটা অনুপ্রাণিত হয়ে মাঠে দর্শক আসবে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে শেখ কামালই এদেশকে আধুনিক ফুটবলের সাথে পরিচয় করিয়েছিলেন। যার হাত ধরে এদেশে আধুনিক ফুটবলের আগমণ তার নামে আমরা এই টুর্নামেন্ট করেছি।

প্রশ্ন: প্রতিবছর আয়োজন করা যাচ্ছেনা কেন শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট?

উত্তর: প্রতিবছরই এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করার কথা ছিলো। আমরা ২০১৫ সালে শুরুটা করি। প্রচুর দর্শক ছিল মাঠে। মাঠমুখী হতে শুরু করে দর্শক। ২০১৬ সালে টাইম সিডিউলের জন্য, বাফুফে আয়োজন করতে পারেনি। তবে ২০১৬ সালেরটা ২০১৭ সালে আয়োজন করা হয়েছে। ২০১৮ সালে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে একটা বিতর্ক হয়েছে। ফুটবল-ক্যালেন্ডারের কারণে বাফুফে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারেনি। ফেডারেশন আমাদেরকে একটা চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু সেই চিঠি আমরা পাইনি। যাহোক, জাতীয় নির্বাচনও ছিল। সবমিলিয়ে ২০১৮-তে এটা হয়নি। ২০১৯-এর জন্য আমরা এখন থেকে শুরু করেছি। আমরা ফুটবল ফেডারেশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি, ২০১৯ আমরা অক্টোবর মাসে এই টুর্নামেন্ট হবে চট্টগ্রাম আবাহনীর উদ্যোগে। ভেন্যু হবে চট্টগ্রাম। প্রস্তাবিত ক্লাবগুলোর নামও দিয়েছি বাফুফেকে। যেন এখন থেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

প্রশ্ন: সাইফ স্পোর্টিংয়ে কিভাবে?

উত্তর: আমাদের গ্রুপের যে সকল কোম্পানি আছে সব পরিচালকরা মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন যে কর্পোরেট থেকে আমরা একটা ফুটবল ক্লাব করবো, আমরা নিজেরাই একটা ফুটবল দল চালাবো। সেই চিন্তা-ভাবনা থেকেই এই সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সআপ হয়ে বাংলাদেশ পেশাদার লিগে জায়গা পায় সাইফ স্পোর্টিং। ২০১৭ সালের ২৮ জুলাই সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব পেশাদার লিগে প্রথম ম্যাচ খেলে ঢাকা আবাহনীর বিপক্ষে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশ সুপার লিগ আয়োজন করা গেলো না কেন?

উত্তর: বাংলাদেশ সুপার লিগ- বিএসএল চালু করা নিয়ে, বাফুফের সাথে আমাদের একটা চুক্তিও হয়েছিল। সেই চুক্তি মোতাবেক আমরা আটটি ভেন্যু পরিদর্শন করি। একটি কমিটিও হয়েছিল স্টেডিয়ামগুলো সংস্কার করার ব্যাপারে। লোগো উন্মোচনও করা হয়। তবে স্টেডিয়ামের সংস্কার করা হয়নি। কেন সংস্কার করা হয়নি এমনটা জানতে চাইলে, এনএসসি জানায়, ফুটবল ফেডারেশন বিএসএল আয়োজন নিয়ে কোনো আগ্রহই প্রকাশ করছেনা। ফুটবল ফেডারেশন আসলেই কোনো আগ্রহ দেখায়নি। তবে আমাদের সাথে চুক্তি করেছে, টাকাও নিয়েছে। ৫০ লাখ টাকা এখনও তাদের কাছে আছে, আমাদের পাওনা টাকা। সুপার লিগ আয়োজনে বাফুফে আমাদেরকে কোনো সাপোর্ট দেয়নি। কিন্তু সুপার লিগটা যদি করতে পারতাম কিছু অবকাঠামো গড়ে উঠতো। দলগুলোতে খেলতে বিশ্বসেরা কিছু প্লেয়ার আসতো, বিশ্বসেরা কিছু কোচও আনা হতো। বিদেশী কোচ এবং বিশ্বসেরা প্লেয়ারদের সাথে খেলে আমাদের দেশের ফুটবলাররা অনেককিছু শিখতে পারতো। এটা বাংলাদেশের ফুটবল ডেভেলপমেন্টে বড় একটা ভূমিকা রাখতো। সেখানেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ফেল করেছে। তারা বিএসএল করতে দিতে পারেনি।

প্রশ্ন: আপনি তো বাফুফে সভাপতির কাছের লোকই। আগেরবার তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ছিলেন?

উত্তর: আমি সালাউদ্দিন সাহেবের প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-অর্ডিনেটর ছিলাম। আমি তাকে বললাম, গত আট বছরে তো ফুটবলের কোনো ডেভেলপমেন্ট হয়নি। আগামী চার বছরেও যদি কিছু না হয় তবে তো আপনি মুখ রাখতে পারবেননা। তাই আমি, বাদল রায় আর হারুন ভাই মিলে আগামী চারবছরের জন্য একটা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করলাম। সবাইকে জানালাম যদি জিততে পারি তবে আগামী চার বছরে এই কাজগুলো করবো। কিন্তু অত্যন্ত আনফরচুনেটলি, যেদিন নির্বাচনে জিতেছেন সেই রাত থেকেই সালাউদ্দিন সাহেব চেঞ্জ হয়ে গেছেন। উনি আবার নিজের স্বরূপে ফিরে গেছেন। তারপরও আমি উনার সঙ্গে এক-দেড় বছর কাজ করেছি। আমি চেষ্টা করেছিলাম, এখান থেকে কিছু জিনিস আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি কিনা। উনি এটার ধারের কাছেও নাই। উনি এখনই যদি কিছু করা যায় এই মানসিকতার। আসলে তিনি ভালো ম্যানেজার না। অবশ্য কেউ ভালো খেলোয়াড় হলেইে যে ভালো ম্যানেজার হবেন তা কিন্তু নয়। তা নাহলে, উনার এগারো বছরের আমলে ফুটবলের অধঃপতন হবে কেনো। একটা ব্যর্থ মানুষ বাংলাদেশের ফুটবলকে আর কোথায় নিয়ে যাবে! ফিফার ২১১টি দলের মধ্যে আমরা এখন ১৯২। আর মাত্র মাত্র ১৮টি দেশ বাকী আছে। তাহলেই আমরা খাদের কিনারা থেকে পড়ে যাবো একেবারে খাদের নিচে।

প্রশ্ন: এদেশের ফুটবলের উন্নয়নের জন্য কি কি পদক্ষেপ নেয়া উচিত?

উত্তর: তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবল খেলতে হবে। স্কুল ফুটবল নিয়মিত শুরু করতে হবে। স্কুল ফুটবল যদি আপনি না শুরু করেন তবে তৃণমূল পর্যায়ে কিন্তু যেতে পারবেননা। তবে এখন যেভাবে স্কুল ফুটবল হচ্ছে সেভাবে না। একেবারে সঠিকভাবে চালু করতে হবে। সাথে সাথে একটা ফুটবলএকাডেমি খুব জরুরী। যেহেতু ক্লাবগুলো একাডেমি ঠিক মতো করতে পারছেনা। অতএব ফুটবল ফেডারেশন থেকে একটা পেশাদার এবং আন্তর্জাতিকমানের একাডেমি করতে হবে। ফুটবল ডেভেলপের জন্য আরো অনেক উপায় আছে। মোটাদাগে এখনই এই উদ্যোগটা নিতে হবে। তা না হলে, ব্যর্থ মানুষদের দ্বারা পরিচালিত এদেশের ফুটবল শিগগিরই তলিয়ে যাবে ব্যর্থতার অন্ধকারে।

প্রশ্ন: বাফুফের সভাপতি পদপ্রার্থী হচ্ছেন তবে?

উত্তর: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে যে কাজগুলো হচ্ছে, তাতে দীর্ঘমেয়াদী কোনো পরিকল্পনা নেই, নতুন-প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি করার কোনো প্ল্যান নেই। যার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন থেকে আলাদাভাবে আমরা গত বছর জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন করেছি। তার বার্ষিক সাধারণ সভা হয় কক্সবাজারে। সেখানেই কাউন্সিলররা, বাফুফের আগামী নির্বাচনে আমাকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে। আমিও চিন্তা করেছি যে ফুটবলের পেছনে প্রচুর টাকা ইনভেস্ট আমাদের। প্রতিবছর বিশ থেকে ত্রিশ কোটি টাকা। যদি এক্সিকিউটিভ পাওয়ারটা হাতে না থাকে তবে ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে খুবএকটা আগানো যায়না। আমি মনেকরি বাংলাদেশের ফুটবল যদি ঠিকমতো চালানো যায়, যদি লক্ষ্য স্থির থাকে, তবে ফুটবল মাথা উচু করে দাঁড়াবেই। কিন্তু রাতারাতি কিছু করা যাবেনা। কারণ ফুটবল তো এখন ধ্বংসস্তুপের মধ্যে পড়ে আছে।

প্রশ্ন: বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হলে আপনার পরিকল্পনাগুলো কি থাকবে?

উত্তর: আমি যদি ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হই- নতুন করে ফুটবলটাকে একেবারে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করবো। সবার আগে তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ শুরু করবো। শর্ট টার্ম, মিড টার্ম এবং লং টার্ম প্ল্যান নিয়েই এগিয়ে যাবো। সঠিক বয়সের বয়সভিত্তিক দল তৈরি করতে হবে। আর শর্ট টার্মে যারা থাকবে সেখান থেকে বাছাই করে মিড টার্মে নেওয়া হবে। আর মিডটার্মের ভালো ফুটবলারদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ফুটবলের উন্নয়নের জন্য সঠিকভাবে স্কুল ফুটবল চালু করার বিকল্প নেই। আগেই বলেছি, একটা একাডেমি গড়ে তুলতে হবে। আমারদের যে ক্লাবগুলো আছে, তাদেরকে আরো প্রফেশনাল করার জন্য যে সাপোর্ট দরকার তা দিতে হবে। ৬৪টি জেলায় প্রতি বছর লিগ আয়োজন এবং শেষ করতে হবে। এমনকি সম্ভব হলে দেশের আটটি বিভাগেই ফুটবল কোচিং সেন্টার করা হবে।

প্রশ্ন: নারীরা তো বেশ সাফল্য পাচ্ছে। তাদেরকে নিয়ে আপনার নতুন কোনো ভাবনা?

উত্তর: মেয়ে ফুটবলাররা ভালো আছে। তাদেরকে আরো এনকারেজ করতে হবে। সত্যি বলতে কি, হাতেগোনা কিছু মেয়েই জাতীয় দল এবং বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দলে খেলছে। তাতে করে নতুন খেলোয়াড় তৈরি করা যাচ্ছেনা। নারী ফুটবলারদের অনেক উজ্জ্বল সম্ভাবনা আছে। কিন্তু হাতেগোনা কিছু মেয়েকেই বয়সভিত্তিক আর জাতীয় দলে বারবার খেলিয়ে, বিশ্রাম না দিয়ে তাদের জীবনীশক্তি নষ্ট করা হচ্ছে। এটা আসলে বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য এক রকমের অশনিসংকেত।

প্রশ্ন: ভিশন ২০২২ নিয়ে আপনার অভিমত কি?

উত্তর: এটা টোটালি একটা স্ট্যান্টবাজি। এবং বাঙ্গালীজাতিকে ভাওতা দেওয়া হয়েছে যে ২০২২ সালে বাংলাদেশের ফুটবল টিম বিশ্বকাপ খেলবে। মিথ্যাচার করা হয়েছে। অবস্থা খারাপ হচ্ছে বলেই এইসব কথা বলে নজরটা নিজের দিকে আনার জন্য এমনটা বলা হয়েছে। ২০২২ সালে আপনি যে ওয়ার্ল্ডকাপ খেলবেন, আপনি তো সাফেই চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননা। সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন? বিশ্বকাপ তো অনেক দূরের পথ! সাফ আছে, এশিয়া কাপ আছে, বিভিন্ন রিজিওনাল টুর্নামেন্ট আছে। তারপর আছে বাছাইপর্ব। মুখে আসলো আর বলেদিলাম। ফুটবল ফেডারেশনটা ওনার পৈত্রিক সম্পত্তি হয়ে গেছে। এটা নট রাইট ওয়ে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :