রাত ১:০৮, বুধবার, ২৬শে মার্চ, ২০১৯ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / ইনিংস পরাজয়ের মুখে বাংলাদেশ
ইনিংস পরাজয়ের মুখে বাংলাদেশ
মার্চ ২, ২০১৯



হ্যামিল্টনে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষেই ইনিংস পরাজয় চোখ রাঙাচ্ছে বাংলাদেশকে। ৬ উইকেট হাতে রেখে এখনো তারা নিউজিল্যান্ডের চেয়ে পিছিয়ে ৩০৭ রানে। কিউইদের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে রেকর্ড ৭১৫ রানের জবাবে, তৃতীয় দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৭৪ রান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩৪।

আরও একবার জ্বলে উঠলেন কেবল তামিম ইকবাল। আবারও উইকেট বিলিয়ে দিলেন অন্যরা। বাংলাদেশকে তাই চোখ রাঙাচ্ছে ইনিংস পরাজয়।

প্রথম ইনিংসের চেয়ে দুটি ব্যতিক্রম অবশ্য আছে। একটি হতাশার, আরেকটি আশার। সম্ভাবনা জাগিয়েও এবার সেঞ্চুরি পাননি তামিম। তবে লড়াই করে টিকে আছেন সৌম্য সরকার। ইনিংস হার এড়ানো অবশ্য এখনও অনেক দূর। সেখানে পৌঁছতে দরকার আরও ৩০৭ রান।

৪৮১ রানে পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ শুরু করেছিল দ্বিতীয় ইনিংস। কিন্তু সেই চাপের কোনো ছাপ ছিল না তামিমের ব্যাটে। শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলেন তিনি। সাদমান ইসলামকে নিয়ে আবারও দলকে এনে দেন ভালো সূচনা। তামিমের ব্যাটিং দেখে আত্মবিশ্বাস পেয়েছিলেন সাদমানও। তরুণ বাঁহাতি ওপেনার খেলছিলেন স্বচ্ছন্দে। কিন্তু সাদমানকে দিয়েই শুরু উইকেট বিলিয়ে আসার। নিল ওয়েগনার অনুমিতভাবেই শর্ট বল করে গেছেন। অফ স্টাম্পের বাইরে থেকে পুল করতে গিয়ে সাদমান আউট হন ৩৭ রানে। উদ্বোধনী জুটি থামে ৮৮ রানে।

হতাশার শুরু সেই থেকে। ট্রেন্ট বোল্টকে দারুণ দুটি ফ্লিকে বাউন্ডারি মেরেছিলেন মুমিনুল হক। পরের বলেই অনেক বাইরের বল কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা। বোল্টের পরের ওভারেই অনেক বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে আউট হন মোহাম্মদ মিঠুন।

ভুল থেকে না শেখার দায় শেষ পর্যন্ত কিছুটা নিতে হচ্ছে তামিমকেও। কিউইদের পেস আক্রমণেক পাত্তা না দিয়ে যথারীতি খেলেছেন দারুণ সব শট। তবে বাউন্সারে ‘ডাক’ করার ক্ষেত্রে বারবার হচ্ছিলেন অসাবধানী। প্রথম ইনিংসে একবার ব্যাট শরীরের ওপর উঁচিয়ে রেখে বেঁচে গিয়েছিলেন, দ্বিতীয় ইনিংসেও একটুর জন্য রক্ষা পান। কিন্তু সেটিই কাল হয়েছে শেষ পর্যন্ত। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের পর এবার তামিম করেন ৮৬ বলে ৭৪ রান।

টিম সাউদির বলে জায়গা বানিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন তামিম। সাউদি সেটি দেখে শরীরে বল ঠুকে দেন। তামিম ‘ডাক’ করতে গিয়ে পড়ে যান। কিন্তু ব্যাট উঁচিয়ে রাখেন ওপরেই। সেখানে লেগে বল যায় কিপারের গ্লাভসে।

প্রথম বলেই বেঁচে যান মাহমুদউল্লাহ। টিকে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ আর সৌম্য লড়াই করেন। দিন শেষে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটির রান ৪৮। তাদের সামনে, দলের সামনে এখনও অনেক বন্ধুর পথ। সৌম্য ৩৯ ‌ও মাহমুদুল্লাহ ১১ রানে অপরাজিত আছেন।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :