বিকাল ৫:১৪, বুধবার, ২২শে মে, ২০১৯ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / আর‌ও একটি ইনিংস পরাজয় বাংলাদেশের
আর‌ও একটি ইনিংস পরাজয় বাংলাদেশের
মার্চ ১২, ২০১৯



অবশেষে ইনিংস পরাজয়ই হলো ‌ওয়েলিংটনে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের গড়া ফিফটিতেও ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারল না বাংলাদেশ। আরেকটি ব্যাটিং ব্যর্থতায় দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ১২ রানে হেরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০-তে সিরিজ হাতছাড়া করল সফরকারীরা। অবশ্য এই টেস্টটি যেন বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্টের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল। ২০০১ সালের ডিসেম্বরে সেই টেস্টের প্রথম দু’দিন‌ও বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল। তাতে‌ও কিউইদের জয় ঠেকানো যায়নি। এবারের মতো ব্যাটিং ব্যর্থতায় নিউজিল্যান্ডের কাছে ইনিংস ব্যবধানেই হেরেছিল বাংলাদেশ।

টেস্টের শেষ দিনে আজ মঙ্গলবার ইনিংস পরাজয় এড়াতে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১৪১ রান। আর জয়ের জন্য কিউইদের প্রয়োজন সাত উইকেট। এই কাজটি স্বাগতিকরা করে ফেলে প্রথম সেশনেই। বাংলাদেশের ব্যাটিং ছেটে ফেলার নেতৃত্ব দেন নেইল ‌ওয়াগনার ‌ও ট্রেন্ট বোল্ট।
সিরিজের তৃতীয় ‌ও শেষ টেস্টে হবে ১৬ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে। হোয়াইটওয়াশ ঠেকানোর মিশন তখন বাংলাদেশের।

৭ উইকেট হাতে নিয়ে ১৪১ রানে পিছিয়ে থেকে পঞ্চম ও শেষদিন শুরু করা টাইগাররা দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় ২০৯ রানে। চতুর্থদিনে ২২১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ৮০ রান তুলে দিন শেষ করেছিল তারা। টানা দুদিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর তৃতীয় দিনে এসে মাঠে গড়িয়েছিল খেলা। সেদিন প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২১১ রানে। জবাবে রস টেলরের ডাবল সেঞ্চুরি ও হেনরি নিকোলসের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৩২ রান তোলার পর প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে কিউইরা।

আগের দিনের ১২ রান নিয়ে মাঠে নামা সৌম্যর ইনিংসটি বেশি বড় করতে দেননি ট্রেন্ট বোল্ট। ২৮ রান করা সৌম্যকে টেলরের ক্যাচ বানিয়ে পরাজয়ের রাস্তা দেখানোর শুরুটা করেন তিনি। আরেক অপরাজিত মিঠুন কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ৪৭ রানের বেশি এগোতে পারেননি। লিটন দাস (১) আরেকবার ব্যর্থ হলে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জাগে টাইগার শিবিরে।

তবে লড়াইটা চালিয়ে যান একাই মাহমুদউল্লাহ। টাইগার অধিনায়ক ওয়ানডে ঢংয়ে ফিফটি তুলে নিয়ে অন্তত ইনিংস হারের লজ্জা এড়াতে চেষ্টা করেন। কিন্তু ১২ চার ও এক ছক্কায় ৬৯ বলে ৬৮ রান করে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি সাজঘরে ফিরতেই নিয়তি ঠিক হয়ে যায়।

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ইবাদতকে আউট করে আনুষ্ঠানিকতা সারেন ওয়াগনার। ৪৫ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন ‌ওয়াগনার। ট্রেন্ট বোল্ট নেন ৪ উইকেট।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :