রাত ১:৩৬, সোমবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং
/ ফুটবল / মূল পর্বে খেলার আশা বাংলাদেশের কিশোরীদের
এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ
মূল পর্বে খেলার আশা বাংলাদেশের কিশোরীদের
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯



নিয়ম পাল্টেছে। তাতে সমস্যা‌ও বেড়েছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের। আগের টুর্নামেন্টগুলোতে বাছাইপর্ব খেলেই টিকিট পাওয়া যেত মূল পর্বের। কিন্তু এবার বাছাই পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বে চ্যাম্পিয়ন অথবা দ্বিতীয় সেরা হয়ে তবেই উঠতে হবে মূল পর্বে। নিজেদের মাঠে বাছাইপর্বের সেরা বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল দলের চোখ দ্বিতীয় পর্বের বাঁধা কাটিয়ে মূল পর্বে ওঠা।

শুক্রবার দ্বিতীয়বারের মতো মূল পর্বে ওঠার স্বপ্ন নিয়েই মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্ব খেলতে যাবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল দল। তার আগে আজ বুধবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে মারিয়া মান্ডা-আঁখি খাতুনরা তেমন ইচ্ছের কথাই বলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে চার প্রতিপক্ষকে ২৭ গোলের বন্যায় ভাসিয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয়পর্বে ওঠে বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমপর্বে গ্রুপ ‘এফ’ থেকে ভিয়েতনাম, লাওস, লেবানন, আরব আমিরাত ও বাহরাইনকে পাত্তাই দেয়নি গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যরা।

কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে বেশ চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে মারিয়া-আঁখিদের সামনে। এই পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক মিয়ানমার, ফিলিপাইন ও চীন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি লাল-সবুজ মেয়েদের প্রথম খেলা ফিলিপাইনের বিপক্ষে। ১ মার্চের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক মিয়ানমার। ৩ মার্চ ম্যাচ খেলতে হবে চীনের সঙ্গে। চার দলের লড়াইয়ে রানার্সআপ হতে পারলেও টিকিট মিলবে মূল পর্বের।

দেশ ছাড়ার আগে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ও তার দুই শিষ্য গ্রুপ সেরা হ‌ওয়ার কথাই বলেন। ছোটন বলেন, ‘আমরা ভালো খেলেই দ্বিতীয় পর্বে উঠেছি। মেয়েরা অনেকদিন অনুশীলনের মাঝে ছিল, খেলার মাঝে ছিল। মিয়ানমারে আমরা দেশকে ভালোকিছু উপহার দিতে চাই। প্রতিপক্ষ সবাই শক্তিশালী। আমাদের মেয়েরাও ভালো পারফরম্যান্স করছে। আমরা তাই গ্রুপ সেরাই হতে চাইবো।’

কোচের মতোই অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা জানান, ‘অনেকদিন ধরে আমরা এক সঙ্গে প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে আগের মতো এবারও টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :