দুপুর ১২:২৩, বুধবার, ১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং
/ ফুটবল / শেষ আটে বসুন্ধরা ও আবাহনী
স্বাধীনতা কাপ ফুটবল
শেষ আটে বসুন্ধরা ও আবাহনী
ডিসেম্বর ৫, ২০১৮



স্পোর্টস রিপোর্টার

স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফেডারেশন কাপের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী ও রানার্সআপ বসুন্ধরা কিংস। আজ বুধবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শেখ রাসেলে বিরুদ্ধে গোলশূণ্য ড্র করেও শেষ আটে পৌঁছে যায় বসুন্ধরা। ঢাকা আবাহনী এদিন মাঠে নামেনি। তবে একই গ্রুপের অপর ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন মুখোমুখি হয়েছিল। ম্যাচটি ড্র হওয়ায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই আবাহনীও চলে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে।

ড্র করেও শেষ আটে বসুন্ধরা

নিজেদের প্রথম ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শেষ আটের পথটা আগেই নাগালের মধ্যেই এনে রেখেছিল বসুন্ধরা কিংস। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ড্র করলেই কোয়ার্টারে। এমন সমীকরনের ম্যাচে, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেলে তারা শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের মুখোমুখি হয়েছিল। তবে হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে জয় পায়নি বসুন্ধরা। গোলশূণ্য ড্র নিয়েই সন্তুষ্ঠ থাকতে হয়েছে। তবে চার পয়েন্ট ঝুলিতে ভরে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে দলটি। শেষ আটের জন্য শেষ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে শেখ রাসেল ও শেখ জামালকে। আগামী শনিবার এ দুই দল মুখোমুখি হবে। ঐ ম্যাচে ড্র করলেই শেখ রাসেল পৌঁছে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। আর জিতলে শেখ জামালের সুযোগ।

ব্রাদার্স-মুক্তিযোদ্ধার ড্র

এদিকে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেসি। এ ম্যাচে জয় পায়নি কোন দলই। ১-১ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। এ ড্র’য়ে লাভ হয়েছে গ্রুপের অপর দল ঢাকা আবাহনীর। কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের। নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা ২-১ গোলে হারিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাকে। আর ড্র করে কোয়ার্টারে যাওয়াটা ঝুলে রইলো ব্রাদার্স ও মুক্তিযোদ্ধার। দু’দলেরই পয়েন্ট এক করে। তবে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে ব্রাদার্স। কেননা তারা এক ম্যাচ কম খেলেছে। আর মুক্তিযোদ্ধার গ্রুপ ম্যাচ আর নেই। সেক্ষেত্রে শনিবার আবাহনীর সঙ্গে ড্র করলেই কোয়ার্টারে চলে যাবে ব্রাদার্স।

এরআগে, ২০০৫ সালের স্বাধীনতাকাপ ফুটবলের ফাইনালে ব্রাদার্সের মুখোমুখি হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা। ঐ ম্যাচে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিল অলরেডরা। আজও জয়ের নেশায় মাঠে নেমেছিল। কিন্তু ম্যাচের ৮ মিনিটে উল্টো গোল হজম করে দলটি। বক্সের বাইরে থেকে পানামার ফরোয়ার্ড জ্যাক দানিয়েল থ্রু পাস ধরে মুক্তিযোদ্ধার বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিয়েইরা লিমা লিওনার্দো। তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন ডিফেন্ডার ইউনুসা কামারা। বিপদ বুঝে সামনে এগিয়ে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধার গোলকিপার মোহাম্মদ রাজিব। কিন্তু কামারা ও রাজিবের চেষ্টা বিফলে যায়। ডান পায়ের গড়ানো প্লেসিং শটে ততক্ষণে বলটা জালে জড়িয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন লিমা (১-০)।

তবে পিছিয়ে পড়ে গোল শোধ করতে খুব বেশি সময় নেয়নি মুক্তিযোদ্ধা। ১৫ মিনিট পরেই ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনে তারা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে মুক্তির জাপানি মিডফিল্ডার কাতো ছোট পাস দেন সতীর্থ ফরোয়ার্ড মেহেদী হাসান রয়েলকে। রয়েল সেই বল ওয়ান টাচে দেন আগুয়ান সতীর্থ মিডফিল্ডার সুজন বিশ^াসকে। দ্রুতগতিতে বল নিয়ে সুজন বক্সের লাইন থেকেই ডান পায়ে যে উঁচু শটটি নেন, তা ব্রাদার্সের ডিফেন্ডার আশরাফুল করিমের মাথায় লেগে গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে ব্রাদার্সের জালে জড়িয়ে যায়। অসহায় দৃষ্টিতে সেটা চেয়ে দেখা ছাড়া কোন উপায় ছিল না গোলকিপার সুজন চৌধুরীর (১-১)। আর কোন দল গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দল দু’টি।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :