সকাল ১১:৫৪, বুধবার, ১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / জিতলেন গেইল
জিতলেন গেইল
ডিসেম্বর ৪, ২০১৮



অবশেষে মানহানির মামলায় জিতলেন ‌ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারকুটে ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল। বিশাল বিশাল ছক্কা হাঁকানোর জন্যই তিনি ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিত। গতকাল সোমবার মাঠের বাইরেরও বিশাল এক ছক্কা মারলেন ক্রিস গেইল। মানহানির মামলায় অস্ট্রেলিয় এক সংবাদ মাধ্য়মের বিরুদ্ধে ৩ লাখ অস্ট্রেলিয় ডলারের জয় পেলেন তিনি। এই জয়ের ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নারী ম্যাসেজ-থেরাপিস্টকে যৌন হেনস্থা করার কলঙ্কও ঘুঁচল।

এই মামলা শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। ‘সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’ ও ‘দ্য এজ’ পত্রিকার প্রকাশক সংস্থা ফেয়ারফ্ক্স মিডিয়া, একের পর এক নিবন্ধে গেইলের বিরুদ্ধে এক অজি নারী ম্যাসাজ-থেরাপিস্টকে যৌন হেনস্থা করার গুরুতর অভিযোগ এনেছিল। তারা অভিযোগ করে, ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ চলাকালীন সিডনিতে ড্রেসিংরুমের মধ্যে গেইল ঐ মহিলাকে তাঁর পুরুষাঙ্গ দেখান এবং তাঁকে খারাপ কাজের প্রস্তাব‌ও দেন। এই অভিযোগ পালে বাতাস লাগে, ঘটনার পরপরই গেইলের এক বিতর্কিত ‘কীর্তি’তে জড়ালে। লাইভ টিভিতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল এক অস্ট্রেলিয় নারী টিভি উপস্থাপকের সঙ্গে ফ্লার্ট করতে। ঐ মহিলাকে ক্যামেরার সামনেই গেইল ‘ড্রিঙ্ক-ডেট’-এ যাওয়ার প্রস্তাব দেন। মহিলাকে ‘বেবি’ সম্বোধনও করেছিলেন।

কিন্তু ফেয়ারফক্সের যাবতীয় অভিযোগ গেইল বরাবরই অস্বীকার করেন। তাঁর পাল্টা অভিযোগ ছিল, যে সাংবাদিক ঐ খবর করেছেন, তাঁর উদ্দেশ্য গেইলকে ‘ধ্বংস করা’। তাঁর সতীর্থ ডোয়েন স্মিথ ঘটনার সময়ে ড্রেসিংরুমে উপস্থিত ছিলেন। তিনিও জানান, এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। এরপরই ওই ফেয়ারফক্সের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন গেইল। ২০১৭ সালের অক্টোবরেই এই মামলায় জয়ী হয়েছিলেন গেইল। আদালত জানিয়েছিল, ফেয়ারফক্স খারাপ উদ্দেশ্যেই ঐ অভিযোগ এনেছিল। অভিযোগের সপক্ষে কোনও প্রমান‌ও সংবাদমাধ্যমটি দিতে পারেনি।

সোমবার, এই মামলার নিষ্পত্তি করে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ জানান নিউ সাউথ ওয়েলস সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি লুসি ম্যাকালাম। তিনি জানান, ‘এই অভিযোগে মিস্টার গেইলের ভাবমূর্তির গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, এই অভিযোগে গেইলের ‘অনুভূতি আহত হয়েছিল’। তার সপক্ষে গেইল যে প্রমাণ দিয়েছেন, তাই তাঁকে এই বিপুল ক্ষতিপূরণের সাজা ঘোষণায় ‘বাধ্য করেছে’।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :