সকাল ১১:৫৭, বুধবার, ১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং
/ বিশ্বকাপ ফুটবল / কাতার বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু
কাতার বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু
নভেম্বর ২৩, ২০১৮



শুরু হয়ে গেছে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ক্ষণ গণনা। গতকাল বুধবার (২১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে এই দিন গোনা। আর ঠিক চার বছর বাকি কাতার ফিফা বিশ্বকাপের। দায়িত্ব পাওয়ার পরই কাতার জানিয়েছিল মধপ্রাচ্য তথা আরব দুনিয়ায় প্রথমবার আয়োজিত ফিফা বিশ্বকাপ সব দিক থেকেই হবে অতুলনীয়। বিশ্বকাপ শুরুর চার বছর আগে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার বিষয়ে তারা রীতিমতো আত্মবিশ্বাসী।

মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশের তীব্র গরমের কথা মাথায় রেখে প্রথা ভেঙে কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে শীতকালে। ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বিশ্বকাপের খেলা। সেই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। স্টেডিয়াম ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ সময়ানুযায়ীই চলছে। এই ব্যাপারে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়েছে।

আয়োজকরা একমাসের বিশ্বকাপের জন্য মোট আটটি স্টেডিয়াম গড়ে তুলছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আগামী দুই বছর অর্থাত বিশ্বকাপের বল গড়ানোর ২ বছর আগেই সবকটি স্টেডিয়ামই খেলা হওয়ার মতো জায়গায় চলে আসবে। রাজধানী দোহায় খলিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের কাজ অবশ্য ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। স্টেডিয়ামটিকে নতুন করে গড়ে তুলে চলতি বছরের মে মাসেই পুনরায় উদ্বোধন করা হয়েছে। এই স্টেডিয়ামে বাসানো হয়েছে একটি এমন একটি যন্ত্র যা স্টেডিয়ামের ভিতরের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রিতে নামিয়ে আনতে পারে। গত মৌসুমে আমির কাপের ফাইনাল খেলাটি হয়েছিল এই স্টেডিয়ামেই। সেই খেলায় বার্সেলোনার প্রাক্তন ফুটবলার জাভির নেতৃত্বে খেলেছিল আল সাদ ও বার্সোলোনারই আরেক সাবেক মাইকেল লউড্রপের কোচিংয়ে আ রায়ান ক্লাব।

এর আগে প্রতিটি বিশ্বকাপেই একেকটি স্টেডিয়ামের মধ্যে অনেকখানি দূরত্ব ছিল। কিন্তু এই প্রথম একটি বিশ্বকাপ হবে যেখানে একটি স্টেডিয়াম থেকে আরেকটিতে যেতে খুব বেশি হলে ঘন্টাখানেক সময় লাগবে। কারণ একমাত্র উত্তরের আল বাইত স্টেডিয়াম ছাড়া বাকি সবকটি ভেন্যুই রাজধানী দোহার ভিতরে বা তার আশপাশে। দুটি স্টেডিয়ামের মধ্যে সর্বাধিক দূরত্ব মাত্র ৭২ কিলোমিটার। বিশ্বকাপের আয়োজক হিসাবে কাতারই হতে চলেছে সবচেয়ে ছোট দেশ। তবে ফিফা প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যদি শেষ পর্যন্ত ৪৮ দেশের বিশ্বকাপ হয়, তাহলে কাতারের সঙ্গে আয়োজক হিসাবে অন্য কোনও দেশের নাম জুড়তে পারে।

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো বলেছেন, সাংস্কৃতিক গতানুগতিকতাকে ভেঙে ফুটবলের মাধ্যমে বহু মানুষকে এক কাতারে আনার বিপুল সম্ভাবা রয়েছে কাতার বিশ্বকাপে। তাঁর মতে, এই ইভেন্ট আরব দুনিয়ার কাছে সারা বিশ্বের কাছে নিজেদের পরিচিত করার অত্যন্ত বড় সুযোগ। আর বাকি পৃথিবীর কাছে সুযোগ একটা অতি সুন্দর দেশে এসে নতুন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার, নতুন মানুষদের সঙ্গে মেশার, নতুন নতুন জায়গা দেখার।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :