সকাল ১০:২৫, বৃহস্পতিবার, ১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / তামিম-মুশফিকের লড়াই
তামিম-মুশফিকের লড়াই
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮



ইনিংসের শুরুতে মাত্র ২ রানেই হাতে আঘাত পেয়ে প্রথমে হাসপাতালে পরে সাজঘরে ফিরেছিলেন তামিম ইকবাল। তার এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে পড়ার খবর তখন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে। দলীয় ২২৯ রানে নবম উইকেট পতন। এর মানে তামিম মাঠে না নামতে পারলে শেষ হয়ে যাবে বাংলাদেশের ইনিংস। কিন্তু এক হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে মাঠে নামলেন দেশ সেরা এই ওপেনার। আগের তিন বলে ২ রান করে মাঠে ছেড়েছিলেন। এবার মাঠে নেমে একটি বল খেললেন, তাও এক হাতে। এর আগে দলের ১৩৪ রানে মিঠুন আউট হওয়ার পর প্রায় একাই লড়াই করছিলেন মুশফিকুর রহিম।

তুলে নিয়েছিলেন ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ও এশিয়া কাপে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তামিমকে পেয়ে যেন দ্বিগুণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন তিনি। গড়ে তোলেন ৩২ রানের জুটি। যেখানে তামিমের অবদান মাত্র ১ রানের। তাতে দলের স্কোরে জমা হয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৬১ রানের পুঁজি। তার ব্যাট থেকে আসে ১৫০ বলে ১৪৪ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। মুশফিকের ইনিংসে ১১টি চারের সঙ্গে আছে ৪টি ছক্কা‌ও। যেখানে তিনটি করে চার ও ছয় হাঁকান তামিমের সঙ্গে জুটিতে।

এর আগে এই এশিয়া কাপের আসরেই ২০১৪ তে ফতুল্লায় তার ১১৭ রানের ইনিংসটি ছিল মুশফিকের সর্বোচ্চ। বলতে গেলে মুশফিকের লড়াকু সেঞ্চুরিতে দুবাইয়ে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে পথ হারানো দল পেয়েছে পথের সন্ধান। অথচ মুশফিকের খেলা নিয়ে দুপুর পর্যন্ত ছিল শঙ্কা।

৭.৬ ওভারের সময় প্রথম বাউন্ডারি মারেন মুশফিকুর রহিম। তখন দলের স্কোর বোর্ডে ৮ ওভার শেষে ২০ রান। এর আগে ছোট একটি ঝড় বয়ে গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ শুরু দুঃস্বপ্ন দিয়ে। প্রথম ওভারের লাথিস মালিঙ্গার শেষ দুই বলে আউট লিটন কুমার দাস ও সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। রানের খাতা না খুলেই ফিরেছেন দু’জন। এরপরের ওভারে লাকমলের শেষ বলে তামিম হাতে আঘাত পান। ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তাতে তার মাঠে ফেরা তো হয়নি। এরপর শেষ হয়ে গেছে তার এশিয়া কাপ। তবে মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৩১ রানের জুটিতে আশা দেখিয়ে ছিলেন মুশফিক। কিন্তু ৬৩ রানে মিঠুন আউট হলে বাকি সময়টা একাই লড়েছেন মুশফিক। সেঞ্চুরির জন্য তাকে রীতিমতো লড়াই করতে হয়েছে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :