বিকাল ৪:০৫, সোমবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / পঞ্চমবারেরর মতো সাফের ফাইনালে মালদ্বীপ
পঞ্চমবারেরর মতো সাফের ফাইনালে মালদ্বীপ
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮



গ্রুপ পর্বে নেই জয়। নেই কোন গোল। মাত্র একটি ম্যাচে ড্র করেছিল। এক পয়েন্ট নিয়ে টস ভাগ্যের সহায়তায় সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল মালদ্বীপ। সেই দলটিই আজ বুধবার নেপালকে চমকে দিয়ে ফাইনালের মহারণ নিশ্চিত করে ফেলেছে। শেষ চারের লড়াইয়ে শিরোপা প্রত্যাশী নেপালকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। ৩-০ গোলের বড় পেয়েছে মালদ্বীপ। ইব্রাহিম হাসানের জোড়া গোলে দারুন এ জয় পায় দ্বীপ রাষ্ট্রটি। এছাড়া একটি গোল করেন অধিনায়ক আকরাম আব্দুল ঘানি।

সর্বশেষ ২০০৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনাল খেলেছিল মালদ্বীপ। তবে সেবার ট্রফি জেতা হয়নি। ভারতের কাছে হারতে হয়েছিল তাদের। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ঐ ফাইনালে টাইব্রেকার শুট আউটে ৩-১ গোলে হারে তারা।

ম্যাচ শুরুর ৩০ মিনিট আগে শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারনে মাঠ পিচ্ছিল হয়ে উঠেছিল। ফুটবলাররা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারছিলেন না। সমস্যাটা যেনো বেশী হচ্ছিল নেপালি ফুটবলারদের। গ্রুপ পর্বে দূর্দান্ত খেলা দলটি আজ যেনো ভুল পাসের মহড়া দিচ্ছিল। অথচ গ্রুপ পর্ব থেকে ভাগ্যের সহায়তায় শেষ চারে আসা মালদ্বীপ এগিয়ে যায় ম্যাচের ৯ মিনিটেই। গোলের নায়ক অধিনায়ক আকরাম আব্দুল ঘানি। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ পায়ে বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি কিক নেন। নেপালি ডিফেন্ডার সুমন আরিয়াল বল প্রতিহত করতে গিয়েও পারেননি। তার দু’পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে প্রবেশ করে। গোলরক্ষক কিরন কুমার কিছুই করতে পারেননি।

কিছু সময় পর আবারো অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়। ২৭ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ চলার পর ম্যাচ কমিশনার চেং লিয়ান চেং বজ্রপাত বিরতি ঘোষনা করেন।

৩৩ মিনিট পর বল আবারো মাঠে গড়ায়। ৩৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমন রচনা করেও হতাশ হতে হয় নেপালকে। অধিনায়ক ভারত খাওয়াজের নেয়া শটটি খুঁজে পায়নি জালের ঠিকানা। দুই মিনিট পর আরো একটি সহজ সুযোগ পেয়েছিল বাল গোপালের শিষ্যরা। সে যাত্রায়ও ব্যর্থ তারা। বক্সের ভেতর থেকে বিমলের আড়াআড়ি শটটি ছোট বক্সের ভেতর থেকেও ঠিকমতো প্লেস করতে পারেননি অধিনায়ক ভারত খাওয়াজ।

দ্বিথীয়ার্ধে মাঠে নামার মাত্র ৪ মিনিটের মধ্যেই নেপালের ভিত আরো একবার কাঁপিয়ে দিয়েছিল মালদ্বীপ। ইব্রাহিম হোসেন পাস থেকে বল পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাঁটিয়ে গোলরক্ষক কিরন কুমারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন হাসান নাইজ। কিন্তু তার নেয়া শট আর জালের ঠিকানা পায়নি। গোলরক্ষকের পায়ে লেগে বল বাইরে চলে যায়। অথচ ঠান্ডা মাথায় শট নিলে ব্যবধান দ্বিগুন করে ফেলতে পারতেন এ ফরোয়ার্ড।

নেপাল গোল শোধ করতে না পারলেও ম্যাচ শেষ হওয়ার ৬ মিনিট আগে গোলের গ্রাফটা ঠিকই উপরে নিয়ে যায় মালদ্বীপ। গোল করেন ইব্রাহিম হাসান। ডানদিক থেকে বদলী হিসেবে মাঠে নামা আসাদুল্লাহর মাইনাস নেপালের ডিফেন্ডার দিনেশ ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সে দাঁড়ানো ইব্রাহিমের পায়ের সামনে এসে যায় বল। ঠান্ডা মাথার জোড়ালো শটে নিশানা ভেদ করেন এ ফরোয়ার্ড।

দুই মিনিট পর মালদ্বীপের হয়ে তৃতীয় ও ব্যাক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করেন ইব্রাহিম (৩-০)।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :