দুপুর ২:৩৬, রবিবার, ১৮ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং
/ এশিয়ান গেমস / পদক জয়ে ভালো কোচের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন দরকার: মাবিয়া
পদক জয়ে ভালো কোচের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন দরকার: মাবিয়া
আগস্ট ৯, ২০১৮



এসএ গেমসে ভারোত্তোলনে সোনা জয়ের পর অর্নাস বোর্ডে দাঁড়ানো মাবিয়া আক্তার সীমান্তের কান্না হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল গোটা বাংলাদেশকে। গত কমনওয়েলথ গেমসে হয়েছিলেন ষষ্ঠ। জাকার্তায় হতে যাওয়া ১৮তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী দিনের মার্চপাস্টে বাংলাদেশের পতাকা থাকছে সেই মাবিয়ার হাতেই। দেশের পতাকা বহণ করা নিয়ে জানালেন নিজের আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও হতাশার কথা।


 

প্রশ্ন : গেমসের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের পতাকা থাকছে আপনার হাতে।

মাবিয়া আক্তার সীমান্ত : খবরটা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন থেকে আমাকে জানানো হয় ৭ আগস্ট। সেদিন ছিল আমার জন্মদিন। জন্মদিনে এর চেয়ে ভালো উপহার আর কীই বা হতে পারে?

প্রশ্ন : দায়িত্বও তো বেড়ে গেল অনেক?

মাবিয়া : তা তো বটেই। পুরো দেশের ভার আমার কাঁধে। আমি গর্বিত এ জন্য। সম্মানের সঙ্গে পালন করতে চাই দায়িত্বটা। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে কৃতজ্ঞতা জানাই এত বড় একটা দায়িত্ব আমাকে দেওয়ার জন্য।

প্রশ্ন : এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি কেমন হলো আপনার?

মাবিয়া : এসএ গেমসের পর ভেবেছিলাম টানা অনুশীলনের মধ্যে থাকবো। ফেডারেশন বিদেশি কোচ নিয়োগ দেবে। কিন্তু কিছুই হয়নি। কমনওয়েলথ গেমসের পর বসে ছিলাম। জাকার্তায় যাচ্ছি মাত্র একমাস অনুশীলন করে। এত কম অনুশীলনে ভালো করা খুবই কঠিন। এরপরও দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো আমি।

প্রশ্ন : এসএ গেমসে আপনার সঙ্গে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ফিরোজা পারভীন। তাঁকেই তো কোচ নিয়োগ করা হয়েছে আপনার?

মাবিয়া : এ নিয়ে আমার কী করার আছে। পারভীন আপা আমার চেয়ে বয়সে বড়। এ জন্য হয়তো ফেডারেশন তাঁকে নিয়োগ দিয়েছে। আমার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক চমৎকার। নিজের যতটা অভিজ্ঞতা আছে সেটা ভাগাভাগি করছেন পারভীন আপা। কিন্তু আমাদের আসলে আরো একটু ভালো কোচ দরকার। যেমন অবিনাশ পান্ডে এসেছিলেন ২০১৪ সালে। করিয়েছিলেন ১৫ দিনের একটি কোচেস কোর্স। পরে তিনি কোচ হন ইন্দোনেশিয়ার। তাঁর হাত ধরে অলিম্পিকে রুপা জিতেছে ইন্দোনেশিয়া। আমাদেরও এ ধরনের অভিজ্ঞ কোচ দরকার।

প্রশ্ন : গোল্ড কোস্টে সব মিলিয়ে ১৮০ কেজি ওজন তুলেছিলেন আপনি। জাকার্তায় আপনার লক্ষ্য কী?

মাবিয়া : আপাতত লক্ষ্য ১৮০ কেজি ওজনটাই ধরে রাখা। এত কম ওজন তুলে পদক জেতা যাবে না। কিন্তু প্রস্ততি হবে এসএ গেমসের। একটা সময় শ্রীলঙ্কা, নেপালের মতো খেলোয়াড়রা হারতো আমাদের সঙ্গে। সেই তারাও এখন পদক জিতছে কমনওয়েলথ গেমসে। আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। ব্যবধানটা কমানোর সামর্থ্য আছে বাংলাদেশের ভারোত্তোলকদের। আমারও সামর্থ্য আছে ১৮০ কেজির বেশি উত্তোলনের। এ জন্য শুধু ভালো একজন কোচের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন করা দরকার। আশা করছি ফেডারেশন সেই সুযোগটা করে দেবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :