রাত ৪:৩৭, বৃহস্পতিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০১৮ ইং
/ এশিয়ান গেমস / কাবাডিতে পদক পুনরুদ্ধার ও ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ
এশিয়ান গেমস ২০১৮
কাবাডিতে পদক পুনরুদ্ধার ও ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ
আগস্ট ৪, ২০১৮



এশিয়ান গেমসে অন্তর্ভুক্তির পর থেকে কাবাডিতে নিয়মিতই পদক আসতো বাংলাদেশের। ১৯৯০ বেইজিং ও ১৯৯৪ হিরোশিমা এশিয়াডে কাবাডিতে রৌপ্যপদক জিতেছিল। ১৯৯৮’র এশিয়াডে ব্যাংককে রৌপ্য হারিয়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে পরের আসরে বুসান থেকে আবার লাল-সবুজ জার্সিধারীরা পুনরুদ্ধার করে হারানো রৌপ্য।

কিন্তু সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০১০ সালে চীনের গুয়াংজু ও ২০১৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন এশিয়ান গেমস থেকে শূন্য হাতে ফেরে পুরুষ কাবাডি দল। যদিও ২০১০ সালে অন্তর্ভুক্ত হওয়া মেয়েদের কাবাডিতে আসরে দু’বারই ব্রোঞ্জ জিতে বাংলাদেশ নাম লিখেছিল পদক তালিকায়। এশিয়ান গেমসে হারানো গৌরব ফেরাতে মরিয়া কাবাডি ফেডারেশন। এই আসরকে সামনে রেখে গত ৫ ডিসেম্বর থেকে প্রস্তুতি চলছে পুরুষ কাবাডি দলের। পরপর দু’টি এশিয়ান গেমসে পদকশূন্য থাকার হতাশা কাটাতে কোচ সুবিমল চন্দ্র দাসের অধীনে চলছে অনুশীলন। মেয়েদের পদক ধরে রাখতে দলকে প্রস্তুত করছেন কোচ আবদুল জলিল। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের ঘাটতি, দীর্ঘদিন কোনো প্রতিযোগিতামূলক কোনো টুর্নামেন্ট না খেলা এবং এশিয়াডে অংশ নেয়া দলগুলোর মান বৃদ্ধিতে পদক ধরে রাখাটা কঠিন হয়ে পড়েছে নারী দলের।

৪৫ জন খেলোয়াড় নিয়ে অনাবাসিক ক্যাম্পের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল কাবাডির এশিয়ান গেমস প্রস্তুতি। পরে ৩০ জন নিয়ে শুরু হয়ে আবাসিক ক্যাম্প। এখন ১৫ জন নিয়ে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এশিয়ান গেমসের দল হবে ১২ জনের।
দীর্ঘ প্রস্তুতির পরও কাবাডি দলকে প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলার আক্ষেপ নিয়েই যেতে হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়।

পুরুষ দল একটা জায়গায় থাকলেও নারী দলের অবস্থা খুব একটা ভালো না। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাউথ এশিয়ান গেমসের পর নারী দলের কোনো খেলা নেই। ফেডারেশনও আয়োজন করেনি কোনো ঘরোয়া প্রতিযোগিতা। দল গঠনের জন্য বিজয় দিবস কাবাডি অনুষ্ঠিত হলেও এতে সন্তুষ্ট ছিল না খেলোয়াড়রা। এই টুর্নামেন্ট থেকে ৩০ জনকে বাছাই করে গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় প্রস্তুতি। ফেডারেশনের নিজস্ব অর্থায়নে চলা এই ক্যাম্পের পরও এশিয়ান গেমসে পদক ধরে রাখার কথা বলতে পারছেন না দলটির কোচ আবদুল জলিল।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :