সন্ধ্যা ৬:১৭, শুক্রবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
/ ফিফা ওয়াল্ড কাপ ২০১৮ / বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড
জুলাই ৮, ২০১৮



সুইডেনকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। এই জয়ে ২৮ বছর পর আবারো শেষ চারে উঠলো ১৯৬৬ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। হ্যারি মাগুয়েরা এবং ডালে আলি ইংলিশদের হয়ে গোল দু’টি করেন। এ নিয়ে তৃতীয়বার সেমিতে উঠলো ইংল্যান্ড।

ম্যাড়মেড়ে আর রক্ষণাত্মক কৌশলের ইংল্যান্ড-সুইডেনের খেলার ৩০ মিনিটে হ্যারি ম্যাগুয়েরা দারুণ হেডে লিড এনে দেন, তাতেই যে ইংলিশদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে তখনই বুঝা গিয়েছিল। এতে চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ১১ গোলের আটটিই এলো সেটপিস থেকে।

অবশ্য সামারায় রক্ষণাত্মক কৌশলের এই ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে ইংলিশদের কাছে কখনো হারেনি সুইডিশরা। আগের দুটি ম্যাচই ড্র হয়েছিল। এবার সুইডিশদের রক্ষণপ্রাচীর ভাঙতে পারবে কিনা সাউদগেটের দল সে বিষয়েও ছিল সংশয়। তাছাড়া ২০১২’র ইউরোতে সুইডেনের কাছে পরাজয়ের ভীতি তো ছিলই।

গোল সংখ্যা বাড়াতে হ্যারি কেনের দল হানা দেয় সুইডিশ সীমানায়। রাহিম স্ট্রার্লিয়ের ব্যর্থতায় দ্বিতীয় গোল পাওয়া হয়নি ‘থ্রি লায়ন’দের।

বিরতি থেকে ফিরে গোল শোধের চেষ্টা করে সুইডেন। মার্কাস বার্গের হেড দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দলকে বাঁচান, পিকফোর্ড। পরিসংখ্যান জানায়, প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকে সুইডিশরা বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ জেতেনি। মার্কাস বার্গের ব্যর্থতা যেনো সেই কথাই জানিয়ে দেয়।

উল্টো ৫৮ মিনিটে লিংগার্ডের চিপে মাথা ছুঁইয়ে ডালে আলী ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। নির্ভার-নিশ্চিন্ত ইংলিশ শিবিরে তখন সেমিফাইনালে ওঠার আনন্দ।

তবে এখানেই খেলার শেষটা দেখে ফেলে নি সুইডেন। ভিক্টর ক্লাইসন ও মার্কাস বার্গ-রা ব্যর্থ না হলে, ম্যাচের ফলাফলটা অন্যরকমও হতে পারতো। হয় নি ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিকফোর্ডের তিনটি দারুণ সেভের কারণে।

এই জয়ে ইংল্যান্ড ১৯৯০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে। আর ১৯৯৪ সালের পর আবারও সেমির আগেই বিদায় নিতে হলো সুইডেনকে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :