রাত ১:২৮, রবিবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
/ ফিফা ওয়াল্ড কাপ ২০১৮ / পেনাল্টি ভাগ্যে শেষ আটে ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপ ফুটবল
পেনাল্টি ভাগ্যে শেষ আটে ইংল্যান্ড
জুলাই ৪, ২০১৮



পেনাল্টি শুট আউটে কলম্বিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা। এর আগে টুর্নামেন্টে ষষ্ঠ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিজেকে অনেকটাই এগিয়ে রাখেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। শেষ আটে সুইডেনের মুখোমুখি হবে তারা।

রবীন্দ্রনাথ তার কবিতায় লিখেছিলেন শেষ হয়েও হইলোনা শেষ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৩ মিনিটে গোল করে সে কথাটিই যেন মনে করিয়ে দিলেন ইয়েরি মিনা।

সিনেমার ভাষায় বলা যায়। রাশিয়া বিশ্বকাপে সুপার ডুপার হিট ম্যাচের মাঝে দুই দল যে ফ্লপ খেলা উপহার দিচ্ছিলো এই গোলেই শেষ পর্যন্ত বক্স অফিস তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখলো।

মস্কোতে প্রথমার্ধে কোন দলই পরিস্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচে ৫৭ মিনিটে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায় পেনাল্টি থেকে। হ্যারি কেন টুর্নামেন্টে তৃতীয় পেনাল্টি থেকে পেয়ে যান নিজের ষষ্ঠ গোল

তবে অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় নাটকের উপসংহার টানতে এই বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো ফলাফল নির্ধারনে নেয়া হয় পেনাল্টি শুটআউটে সিদ্ধান্ত। বিশ্বকাপে ১৯৯০, ১৯৯৮ আর ২০০৬ এ স্নায়ুর পরীক্ষায় পাশ না করার ইতিহাস তখন ভয় ধরাচ্ছিলো ইংলিশদের।

প্রথম তিন শটেই কলম্বিয়ার হয়ে রাদামেল ফ্যালকাও, কুয়াদ্রাদো আর লুইস মুরিয়েলের গোল। তবে হ্যান্ডারসনের শট অসপিনা ঠেকালে আবারো বাদ পড়ার শঙ্কায় পেয়ে বসে সাউদগেটের দলকে।

যদিও ভাগ্যদেবী এবার হ্যারিকেনদের নিরাশ করেননি। ম্যাতিউস উরিবের চতুর্থ শট পোষ্টে লাগলে আর কার্লোস বাক্কার পঞ্চম শট ঠেকিয়ে ১৯৬৬ এর চ্যাম্পিয়নদের জয়ের পথ তৈরি করে দেন জর্ডান পিকফোর্ড।

শ্বাসরুদ্ধকর মুহুর্তের সফল সমাপ্তি টানেন এরিক দায়ার। বল দখলে এগিয়ে থাকা গ্যারেথ সাউথগেট বলতেই পারেন জয়টা তাদের প্রাপ্যই ছিলো। আর হামেশ রদ্রিগেজবিহীন কলম্বিয়া নিজেদের দুর্ভাগা ভাবতেই পারে। টাইব্রেকার নামের ভাগ্য পরীক্ষায় হেরে।

এর আগে,শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচের দারুণ সমাপ্তি। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র। অতিরিক্ত সময়েও ফল ১-১। হ্যারি কেনের গোলটি ইংল্যান্ডকে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে পারত। অন্তিম মুহূর্তে সেটা হতে দেননি কলম্বিয়ার ইয়ারি মিনা। গোল করেন হেড থেকে যোগ করা সময়ে (৯০+৩)। ১-১ সমতায় চলে আসে ম্যাচ। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :