রাত ১১:২১, রবিবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং
/ কমন‌ওয়েলথ গেমস / লক্ষ্য ছিল সেরা স্কোর করা: শাকিল
গোল্ডকোস্ট কমন‌ওয়েলথ গেমস
লক্ষ্য ছিল সেরা স্কোর করা: শাকিল
এপ্রিল ১১, ২০১৮



এম এস সাহাব, গোল্ড কোস্ট, অস্ট্রেলিয়া থেকে

শাকিলের রৌপ্যজয়ী নৈপুণ্যে আজ বুধবার গেমস ভিলেজে যেন উৎসবের ঢেউ বয়ে যায়। সতীর্থরা আলিঙ্গনে ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দেন তাকে। জাতীয় পতাকা নিয়ে উল্লাসের মুহূর্তে তাদের সঙ্গে যোগ দেন কর্মকর্তারাও। দীর্ঘ ২৮ বছর পর কমনওয়েলথ গেমসের শ্যূটিংয়ে পিস্তলের ইভেন্ট থেকে কোনো পদক জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ।

এটি বাংলাদেশের নবম কমন‌ওয়েলথ আসর। ১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে এয়ার পিস্তল পেয়ারসে স্বর্ণপদক জিতে দেশকে আনন্দের বন্যায় ভাসান আতিকুর রহমান ও আবদুস সাত্তার নিনি। সেটি ছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসে কমনওয়েলথ গেমসে প্রথম অংশ গ্রহণ। সেবার ৫০ মিটার ফ্রি পিস্তলে ব্রোঞ্জপদকও জয় করেন এই জুটি। এক যুগ বাদে ২০০২ সালে ম্যাঞ্চেস্টারে কমনওয়েলথ গেমস থেকে দেশকে আবার সোনালী সাফল্য এনে দেন আসিফ হোসেন খান। তবে এক গেমস থেকে দুটি পদক জয়ের ঘটনা অকল্যান্ডেই প্রথম এবং এবার গোল্ড কোস্টে এখন পর্যন্ত হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটলো। বাকি তিন দিনে রেঞ্জ থেকে আরও পদকের আশা ছেড়ে দেওয়ার কোনো কারণ নেই। সেক্ষেত্রে পদক সংখ্যাই এগিয়ে যাবে গোল্ড কোস্ট। সেই প্রত্যাশা পূরণে বাকী-শাকিলের সাফল্য বাড়তি প্রেরণা জোগাচ্ছে বাংলাদেশ শিবিরে।

পদক জিতে শাকিল আহমেদ বলেন, অবশ্যই ভাল লাগছে। বাংলাদেশ থেকে ভাল প্রস্তুতি নিয়ে এখানে এসেছিলাম। আমার লক্ষ্য ছিল মেডেল না হোক, আমার যে স্কোরটা ছিল, সেটা করবো। আমাদের টিমের প্রত্যেকেই তাদের বেস্ট স্কোর করেছে। কারণ এবার আমাদের প্রস্তুতি খুব ভাল ছিল। আমার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলেও ভাল পারফরমেন্স ছিল। কিন্তু ফাইনালের কথা আগে ভাগে কিছুই বলা যায় না। তারপরও আমি চেষ্টা করেছিলাম। ৫০ মিটার পিস্তল আমার মেইন ইভেন্ট, আশা ছিল এখানে ভাল কিছু করবো। যেটা চেয়েছি সেটাই করতে পেরেছি বাছাইপর্বেও, ফাইনালেও। প্র্যাকটিসে সবসময় যেটা মারি সেটাই মেরেছি।

তিনি আরও বলেন, অনেক দিনই আমাদের এসএ গেমসেও মেডেল ছিল না। আমি ২০১৬ সালে প্রথম স্বর্ণপদক জিতি। তখন থেকেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম কমনওয়েলথ গেমসকে। সেভাবেই প্রস্তুতি শুরু করি ভাল কিছু করার জন্য। ফেডারেশন থেকে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি। যা চেয়েছি তাই দিয়েছে। বাংলাদেশ আর্মিও আমাকে সহায়তা দিয়েছে। তবে বিশেষভাবে বলবো অপু (শ্যূটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক) ভাইয়ের কথা। সব সময় তিনি আমাদের পাশে থেকেছেন। কম্পিটিশনের সময় আমার অন্য সতীর্থরাও আমাকে সমর্থন দিয়েছে। তাদের কাছেও আমি কৃতজ্ঞ।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :