ভোর ৫:২২, রবিবার, ২৬শে মে, ২০১৮ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / টিসি স্পোর্টসের কাছে সাইফের হার
এএফসি কাপের প্রি-কোয়ালিফাইং রাউন্ড
টিসি স্পোর্টসের কাছে সাইফের হার
জানুয়ারি ২৩, ২০১৮

হোম গ্রাউন্ডের সুবিধা‌ও নিতে পারলো না সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। চার চারবার ক্রসপিসে বল লাগিয়ে গোলর মিসের খেসারত দিতে হলো তাদের। এএফসি কাপের প্রি-কোয়ালিফাইং রাউন্ডের হোম ম্যাচে মালদ্বীপের টিমি স্পোর্টসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার অতিথি দলটির আনাতলি ম্যাচের ২৩ মিনিটে জয় সূচক গোলটি করেন। আগামি ৩০ জানুয়ারী ফিরতি পর্বের ম্যাচ খেলতে মালদ্বীপে যাবে নবাগত সাইফ এসসি। আন্তর্জাতিক এই ফুটবল আসরের বাছাই পর্বে খেলতে হলে নূন্যতম দুই গোলের ব্যবধানে জিততে হবে জামাল ভূঁইয়া-জাহিদ হোসেনদের।

ভাগ্যটা সহায় ছিল না সাইফের। দাপুটে ফুটবল আর একের পর এক আক্রমনে কোনঠাসা করে ফেললেও গোল আদায় করতে পারেননি কিংসলে-শেরিংহ্যামরা। চারটি শটতো টিসি স্পোর্টসের ক্রসবারে লেগে ফিরে এসেছে। আর সাইডবার ঘেঁষে বল বাইরে গেছে আরো কয়েকবার। একম্যাচে এতোগুলো সুযোগ হাতছাড়া হলেতো আর ম্যাচ জেতা যায় না।

বল মাঠে গড়ানোর পর অতিথিদের সাথে সমানতালেই লড়াই করছিল রায়ানের শিষ্যরা। কিন্তু ২৩ মিনিটে আচমকা গোল হজম করতে হয় সাইফ এসসিকে। কিছু বুঝে উঠার আগেই বক্সের ঠিক বাইরে থেকে ঈশান ইব্রাহিমের থ্রু ধরে বক্সের মধ্য থেকে এক ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে ডান পায়ের জোড়ালো শটে নিশিানা ভেদ করেন ভালাসিভ আনাতলি (১-০)। নি:স্তব্দ হয়ে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।

আজ ম্যাচটি দেখতে হাজার পাঁচেক দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন। সাইফ এসসি এ ম্যাচে দর্শক টানতে টিকেটের কোন মূল্য রাখেনি। উল্টো মাঠে আগত দর্শকদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। ঢাকার এ ক্লাবটির এমন উদ্যেগ ছিল প্রশংসনীয়।

গোল হজমের পর পরই যেনো জেগে উঠেছিল স্বাগতিক শিবির। একের পর এক আক্রমন করে কোনঠাসা করে ফেলে টিসি স্পোর্টসকে। প্রথমার্ধে গোল পরিশোধের মতো বেশ কয়েকটি সুযেগাও এসেছিলো। কিন্তু এনকোচা কিংসলে ও চার্লি শেরিংহাম প্রাপ্ত সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। এক গোলে পিছিয়ে পরে দ্বিতীয়ার্ধে আরমোড়া ভাঙ্গে সাইফ স্পোর্টিংয়ের। এই অর্ধে পুরোটা সময় আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে স্বাগতিক দলটি। আবদুল্লাহ, শেরিংহ্যামের পর আন্দ্রেসের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হলে ২০ মিনিটেই অন্তত তিনটি গোল বঞ্চিত হয় বাংলাদেশের ক্লাব দলটি। ম্যাচের ৮৫ মিনিট আবারো হতাশ করেন কিংসলে। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নেয়া এই নাইজেরিয়ানের চিপ ক্রসপিসে লেগে ফিরে।

অথচ এই ম্যাচে ঘীরে চেষ্টার ত্রুটি ছিলো না সাইফ স্পোটিংয়ের কর্মকর্তাদের। চেষ্ঠা করেছেন দেশী সেরাদের দলে ভেড়াতে। এশিয়ান কোটায় যাকে দল নিয়েছে সাইফ, সেই উজবেক মিডফিল্ডার আখরোও নিজেকে প্রমান করেছেন এই ম্যাচে। কিন্তু ‘ভাগ্য’ সহায় না থাকলে যে কিছু হয় না, তা আরো একবার প্রমান হলো এ ম্যাচে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :