বিকাল ৫:২৬, বৃহস্পতিবার, ২৩শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / মাহমুদুল্লাহর ব্যাটে দ্বিতীয় জয় খুলনার
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
মাহমুদুল্লাহর ব্যাটে দ্বিতীয় জয় খুলনার
নভেম্বর ১২, ২০১৭

২৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে বেশ চাপে ছিলো খুলনা টাইটান্স। পরে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ ত্রাতার ভুমিকায় নামেন। শেষ পযর্ন্ত তার ব্যাটে ১৭০ রানের বড় স্কোর গড়ে ৭ উইকেট হারানো খুলনা। তাতেই ১৮ রানে চিটাগং ভাইকিংসকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেয় খুলনা টাইটান্স।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে, আজ রবিবার দিনের প্রথম খেলায় খুলনার দেওয়া ১৭১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় চিটাগং। আবু জায়েদের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় এবং চতুর্থ বলে লুক রনচি (২) এবং সৌম্য সরকার প্রায় একইভাবে আউট হন। এনামুল হক বিজয় এবং মুনারাবিরা হাল ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু ১০ রান করে আবু জায়েদের তৃতীয় শিকার হন মুনারাবিরা। ১৮ রান করা এনামুলকে ফেরান ব্রেদওয়েট।

জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার সিকান্দার রাজাকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে নামেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক। ২৭ বলে ৩৭ রান করা সিকান্দার রাজাকে বিদায় করে প্রতিরোধ ভাঙেন শফিউল। এরপর আবু জায়েদের চতুর্থ শিকার হন ৩৭ বলে ৩০ রান করা চিটাগং অধিনায়ক মিসবাহ। খেলাটা মূলতঃ তখনই শেষ হয়ে যায়। বাকী সময়টুকু ছিল নিয়মরক্ষা মাত্র। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫২ রান তোলে মিসবাহর দল।

এর আগে টসে হেরে ব্যটিংয়ে নেমে, নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭০ রান সংগ্রহ করে খুলনা টাইটানস। কিন্তু ব্যটিংয়ে নেমেই মহাবিপদে পড়েছিল মাহমুদ উল্লাহর দল। দলীয় ৬ রানেই সানজামুলের বলে বিদায় নেন চ্যাডউইক ওয়লটন (৫)। ৭ রানের ব্যবধানে লিঙ্গারকে (২) দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন সানজামুল। দলীয় ২৯ রানে অপর ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত (৯) মুনারাবিরার শিকার হন।

এমন মহাবিপদের সময় দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ এবং রুশো। রুশোকে (২৫) ফিরিয়ে মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে আগের ম্যাচে বল হাতে ঝড় তোলা তাসকিন আহমেদের। ৩৩ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪০ রান করা খুলনা অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহও, তাসকিনের শিকারে পরিণত হন।

ততক্ষণে অবশ্য খুলনার ইনিংস দাঁড়িয়ে গেছে। আরিফুল হকের সঙ্গে জুটি বাঁধা ব্রেদ‌ওয়েট ১৪ বলে ৩০ রানের ঝড় তুলে শুভাশীষ রায়ের বলে বোল্ড হয়ে যান। ২৫ বলে ১ বাউন্ডারি আর ৪ ওভার বাউন্ডারিতে ৪০ রান করা আরিফুল ইনিংসের শেষ বলে তাসকিনের তৃতীয় শিকার হন। টানা দুই ম্যাচে তরুণ স্পিডস্টার তাসকিন ৪৩ রানে নেন ৩ উইকেট।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :