সকাল ৬:৫০, মঙ্গলবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / ফাইনালে খেলা হলোনা জুনিয়র টাইগারদের
এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট
ফাইনালে খেলা হলোনা জুনিয়র টাইগারদের
নভেম্বর ১৬, ২০১৭

ফাইনালে খেলার স্বপ্ন ভেঙে গেল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের। মালয়েশিয়ায় এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে পাকিস্তান দুই রানে হারায় বাংলাদেশকে।

ভারতকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিতে জায়গা করে নেওয়া টাইগার যুবারা পাকিস্তানকে সহজেই হারাতে পারতো। শেষ ৬৬ বলে ৭৬ রান দরকার ছিল হাতে ৫ উইকেট থাকা পাকিস্তানের। দুর্ভাগ্য যে বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি পুরো শেষ হয়নি। শেষের দিকের ব্যাটসম্যানরা হয়তো বাংলাদেশের বোলারদের সামনে শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারতো না। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে হারানো বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে দেয়। গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে রাহুল দ্রাবিড়ের অধীনে থাকা ভারতকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দিয়ে সাইফ হাসানের দল সেমিফাইনালে উঠে।

আজ বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরের কিনরারা একাডেমি ওভালে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তোলে ২৭৪ রান। জবাবে, পাকিস্তানের যুবারা ৩৯ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৯৯ রান। এরপর বৃষ্টির কারণে আর খেলা হতে পারেনি। তখন জয়ের জন্য পাকিস্তানিদের দরকার ছিল ৬৬ বলে ৭৬ রান। ডাকওয়ার্থ লুইস মেথডে দুই রান এগিয়ে থাকায় জয় নিয়ে ফাইনালে উঠলো পাকিস্তান। বাংলাদেশের কাজী অনিক দুটি উইকেট তুলে নেন। একটি করে উইকেট পান আফিফ-শাখাওয়াত।

এরআগে, ব্যাটিংয়ে নেমে আরও একবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করে বাংলাদেশের ওপেনার পিনাক ঘোষ। ৯৩ বলে আটটি চার আর একটি ছক্কায় ৮২ রান করেন তিনি। আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৮১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন, পিনাক ঘোষ। আরেক ওপেনার নাঈম শেখ ১৪ রান করে বিদায় নেন। তিন নম্বরে নামা দলপতি সাইফ হাসান ৬১ রানের কার্যকরী এক ইনিংস খেলেন। তার ৭৮ বলে সাজানো ইনিংসে ছিল নয়টি বাউন্ডারি আর একটি ওভার বাউন্ডারি। তৌহিদ হৃদয় এই ম্যাচে ফেরেন পাঁচ রান করে। আমিনুল ইসলাম ১৩, মাহিদুল অঙ্কন ৩ রান করে সাজঘরে ফিরলেও ৫৫ বলে পাঁচটি বাউন্ডারিতে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ১৫ বলে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২২ রান করা নাঈম হাসানও অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের মুনীর রিয়াজ ৫৩ রানে নেন ৩ উইকেট।

২৭৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের ওপেনার মোহাম্মদ আরিফ ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। আরেক ওপেনার মহসিন খানের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। তিন নম্বরে নামা আবদুল্লাহ শফিক করেন ১০ রান। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান রোহাইল নাজির ২৬ রান করে বিদায় নেন। মোহাম্মদ তাহা পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন। টাইগারদের গলার কাঁটা হয়ে থাকা এই পাকিস্তানি ৯৭ বলে আটটি চার আর তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে করেন ৯২ রান। শাদ খান ৩৮ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৯ ওভার পর আবারো বৃষ্টি নামে। তাতে ফাইনালের আগেই বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশকে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :