রাত ২:৪৬, মঙ্গলবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / এশিয়ান হকির সেকাল একাল
এশিয়ান হকির সেকাল একাল
অক্টোবর ১১, ২০১৭

সময়ে কত কিছুই বদলে যায়! এক সময় ক্রিকেটে ছিল ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের’ একচ্ছত্র প্রাধান্য। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, সত্তর দশকের পুরো সময় গর্ডন গ্রিনিজ, ডেসমন্ড হেইন্স, ভিভ রিচার্ডস, কালিচরণ, ক্লাইভ লয়েডের উত্তাল উইলোবাজি আর মাইকেল হোল্ডিং, অ্যান্ডি রবার্টস, জোয়েল গার্নার, কলিন ক্রফট আর ম্যালকম মার্শালদের বিধ্বংসী বোলিং তোপের মুখে তটস্থ থেকেছে ক্রিকেট বিশ্ব।

এমনকি ইয়ান চ্যাপেল-গ্রেগ চ্যাপেল, ডেনিস লিলি, জেফ থমসনের অস্ট্রেলিয়া, বয়কট-গাওয়ার, জন স্নো আর বব উইলিসের ইংল্যান্ড, মাজিদ, জহির, আসিফ, মুশতাক আর ইমরান, সরফরাজের পাকিস্তান এবং গাভাস্কার, অমরনাথ, ভেঙ্গসরকার আর কপিল দেবের ভারতও সত্তর দশকের পুরো সময় ক্যারিবীয়দের সঙ্গে সে অর্থে পেরে ওঠেনি। তবে সময়ের প্রবাহমানতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেই সোনালি সময় আর নেই।

তার বদলে এখন অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা আর ইংল্যান্ড উঠে এসেছে; কিন্তু তারপরও ক্রিকেটের মূল শক্তির জায়গা আসলে ‘এশিয়া’। যদিও পাকিস্তানের সেই রমরমা দিন আর নেই। পাকিস্তানিদের বাজার পড়েছে। মুত্তিয়া মুরালিধরন, চামিন্দা ভাস আর সাঙ্গাকারা-মাহেলা জয়বর্ধনেরা অবসর নেয়ার পর শ্রীলঙ্কারও শক্তি কমে গেছে বেশ; কিন্তু শচীন, সৌরভ, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণ, শ্রীনাথ আর কুম্বলের মত উজ্জ্বল তারারা বিদায় নিলেও ভারতের শৌর্য-বীর্য একটুও কমেনি। বরং অনেক হিসেবে ভারতীয়রাই এখন এক নম্বর শক্তি। বাংলাদেশও উঠে আসছে। ওয়ানডেতে টাইগাররাও আজকাল ‘বড়’ দলের তকমা গায়ে দেয়ার পথে।

অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড আর দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের পতাকা বছরের বেশির ভাগ সময় ধরে উড়লেও কোনো বিশ্ব আসরে ঠিক এশিয়ার দলগুলোই বেশি বাজিমাৎ করে। দক্ষিণ এশিয়ার শক্তির পাল্লাই ভারি। মোট কথা, ক্রিকেট বিশ্বে ‘এশিয়া’ মহাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়াই সবচয়ে বড় শক্তি।

ক্রিকেট পিছন থেকে ধীরে ধীরে এগিয়ে সামনে গেলেও হকিতে উল্টো চিত্র এশিয়ার। এক সময় এই এশিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ ভারত এবং পাকিস্তান ছিল বিশ্ব হকির দুই প্রধান পরাশক্তি। ১৯৫০, ১৯৬০, ১৯৭০, ১৯৮০ পর্যন্ত বিশ্ব হকিতে প্রায় একচেটিয়া শাসন করেছে ভারত ও পাকিস্তান। এমনকি ‘নব্বইর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত পাকিস্তান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে ছিল।

এখনকার প্রজন্ম, বিশেষ করে যাদের বয়স ১৮ থেকে ২০‘র আশপাশে, তাদের কাছে গল্প মনে হবে। হকির প্রতিষ্ঠিত আর বিশ্বশক্তি বলতে তারা জানেন অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, গ্রেট ব্রিটেন আর আর্জেন্টিনার নাম। বর্তমান প্রজন্ম হয়তো জানেই না কিংবা কোনোভাবেই মানতে চাইবে না, হয়তোবা বিশ্বাসই করবে না যে- এক সময় হকি মানেই ছিল ‘এশিয়া’, ভারত এবং পাকিস্তান।

এখনও ফুটবল বলতেই যেমন লাতিন আমেরিকা আর ইউরোপের ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ইতালি আর ফ্রান্সের নাম চলে আসে, এই তো দুই যুগ আগেও বিশ্ব হকির প্রসঙ্গ উঠলেই সবার আগে উচ্চারিত হতো এশিয়ার কথা। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও ভারতের নাম।

কেন উঠবে না? তখন বিশ্ব হকিতে এশিয়ার জয়-জয়কার। ভারত ও পাকিস্তানের সাফল্যের বৃহস্পতি তুঙ্গে। হকির যতগুলো বিশ্ব আসর ছিল তার প্রায় সব কটায় পাকিস্তান ও ভারতের সাফল্য ছিল নজরকাড়া। সাফল্যের পরিসংখ্যানও ছিল বেশি।

নব্বই দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্ব হকিতে এশিয়ার তথা পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। বিশ্ব হকির সবচেয়ে বড় আসর ‘বিশ্বকাপ’ সবচেয়ে বেশিবার জিতেছে এশিয়ার অন্যতম হকি শক্তি পাকিস্তান, চারবার (১৯৭১, ১৯৭৮, ১৯৮২ ও ১৯৯৪)। অলিম্পিক হকির সর্বাধিক আটবার বারের স্বর্ণপদক বিজয়ী দল ভারত (১৯২৮, ১৯৩২, ১৯৩৬, ১৯৪৮, ১৯৫২, ১৯৫৬, ১৯৬৪ ও ১৯৮০ সালে)।

এখানেই শেষ নয়, ওপরের দুই আসরের পর বিশ্ব হকির আরেক অভিজাত আসর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম দুবারসহ চতুর্থ সর্বাধিক তিনবারের চ্যাম্পিয়ন দল পাকিস্তান (১৯৭৮, ১৯৮০ ও ১৯৯৪)। এখানেই শেষ নয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসের সর্বাধিক সাত সাতবারের রানার্সআপও পাকিস্তান। ১৯২৮ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত বিশ্ব অলিম্পিকে পুরুষদের ফিল্ড হকির টানা তিন বারের স্বর্ণ বিজয়ী হয় ‘ব্রিটিশ ভারত’। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ ও ১৯৫৬ সালে আবার টানা তিনবারের মতো অলিম্পিক হকির স্বর্ণ মুকুট পরে ভারতীয়রা।

১৯৬০ সালে ভারতীয়দের একচ্ছত্র প্রাধান্যে প্রথম ভাগ বসায় পাকিস্তান। রোম অলিম্পিকে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার স্বর্ণ জেতে পাকিস্তানিরা। ঠিক পরের আসরে আবার সাফল্য পুনরুদ্ধার করে ভারত। ১৯৬৪ সালে টোকিও অলিম্পিকে পাকিস্তানকে ১-০ গোলে হারিয়ে আবার অলিম্পিক হকিতে হারানো শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করে ভারতীয়রা।

চার বছর পর মেক্সিকোয় পরের আসরে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে পাকিস্তান দ্বিতীয়বারের মতো অলিম্পিক হকির স্বর্ণ জেতে। তারপর ১৯৭২ ও ১৯৭৬ অলিম্পিকে এশিয়ায় স্বর্ণ আসেনি। ’৭২-এ মিউনিখে পাকিস্তানিদের হারিয়ে স্বর্ণপদক গলায় পরে জার্মানরা।

পাকিস্তান রৌপ্য পেলেও ভারতকে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েই তুষ্ট থাকতে হয়। ১৯৭৬ সালে মন্ট্রিলে আর এশিয়ার কোন দল ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। প্রথমবার স্বর্ণ জয়ী হয় নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া রৌপ্য আর পাকিস্তান পায় ব্রোঞ্জ; কিন্তু ’৮০র মস্কো আর ’৮৪র লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক হকি আবার ভারত ও পাকিস্তানের সাফল্যে গাথা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার অনুসারী দেশগুলো ’৮০র অলিম্পিক বয়কট করেছিল। রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় অনুষ্ঠিত ওই অলিম্পিকে স্বর্ণপদক বিজয়ী হয় ভারত। চার বছর পর লস অ্যাঞ্জেলসে জার্মানিকে হারিয়ে আবার স্বর্ণ বিজয়ী পাকিস্তান।

১৯৮৪ সালই শেষ। এরপর আর অলিম্পিক হকির স্বর্ণ আসেনি এশিয়ায়। তবে পাকিস্তান ১৯৯২ সালে বার্সেলোনা আর ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকের সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠেছিল। এর মধ্যে ‘৯২ সালে বার্সেলোনায় নেদারল্যান্ডসকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক পেলেও ২০০০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানিদের কপালে আর পদক জোটেনি। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে চতুর্থ হয়েই থাকতে হয়।

এতো গেল অলিম্পিক হকির সাতকাহন। বিশ্বকাপ হকিতেও পাকিস্তান আর ভারতের সাফল্য অনেক। ১৯৭১ সালে শুরু হওয়া বিশ্বকাপ হকির প্রথম আসর বিজয়ী পাকিস্তান এরপর ১৯৭৮, ১৯৮২ আর ১৯৯৪ সালেও হকির বিশ্বসেরা হয় তারা। এছাড়া ১৯৭৫ ও ১৯৯০ সালে বিশ্ব হকির দুবারের রানার্সআপও পাকিস্তানিরা।

অন্যদিকে ভারত ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপ বিজয়ী। এছাড়া হকির আরেক অভিজাত আসর ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি’তেও এশিয়ার সাফল্য কম নয়। ১৯৭৮ আর ১৯৮০ সালে হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম দুই আসরের ট্রফি জেতে পাকিস্তান। মাঝে বেশ কয়েটি আসরে সাফল্যের দেখা না পেলেও ১৯৯৪ সালে নিজ মাটিতে (লাহোরে) আবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেরা হয় পাকিস্তানিরা।

কিন্তু তারপর গত ২৩ বছরে আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এশিয়ায় আসেনি। পাকিস্তান ২০১৪ সালে ভারতের ভুবেনেশ্বরে ফাইনাল পর্যন্ত গেলেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। জার্মানির কাছে ০-২ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকে পাকিস্তানিরা।

এশিয়ার অপর শক্তি ভারত কখনও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিততে পারেনি। তবে ২০১৬ সালে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালিস্ট ভারত। লন্ডনে হওয়া ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্র রাখলেও শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শুট স্ট্রোকে ৩-১‘এ হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ভারতীয়দের।

এতো গেল বিশ্ব হকিতে এশিয়ার দুই পরাশক্তি ভারত ও পাকিস্তানের সাফল্যের সাতকাহন। ব্যক্তিগত পর্যায়েও ভারতীয় আর পাকিস্তানি হকি খেলোয়াড়দের মেধা -প্রজ্ঞা, জাদুকরি স্টিকওয়ার্ক আর শৈল্পিক, সৃজন ও সৃষ্টিশীল হকির খ্যাতি, প্রশংসা-বন্দনা এখনও বিশ্ব জোড়া।

হকির জাদুকর বলতেই এখনও সবার মুখে উচ্চারিত হয় ভারতের ‘ধ্যান চাঁদের’ নাম। শ্রুতি আছে, হকির শুরুতে তার স্টিকে বল আঠার মতো লেগে থাকত। ধ্যান চাঁদেও জাদুকরি হকি প্রতিভার পাশাপাশি বিশ্ব হকিতে সর্বাধিক যে নামটি উচ্চারিত হয়, তিনি শাহবাজ আহমেদ।

‘হকির ম্যারাডোনা’ খেতাবটি এখনও পাকিস্তানের শাহবাজ আহমেদের গায়েই লেগে আছে। ছিপছিপে গড়নের শাহবাজের স্টিক যেন শিল্পীর হাতের তুলি। তার শৈল্পিক, নান্দনিক আর সৃষ্টিশীল স্টিকওয়ার্ক এখনও হকি অনুরাগীদের স্মৃতিতে ভাস্বর। কী অনায়াসে হল্যান্ডের কর্নার স্পেশালিস্ট পল লিটজেনকে ছাড়িয়েও পেনাল্টি কর্নার থেকে একের পর এক গোল করে বিশ্বকে অবাক করে দেন পাকিস্তানের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার সোহেল আব্বাস।

হকির ইতিহাসের অন্যতম সফল সেন্টার ফরোয়ার্ডের তালিকায় এখনও সবার ওপর পাকিস্তানের ইসলাহউদ্দীনের নাম চলে আসে। ষাটের দশকের শেষ ভাগ থেকে ৭০-এর প্রায় পুরো সময় বিশ্ব হকির এক নম্বর সেন্টার ফরোয়ার্ড ছিলেন ইসলাহউদ্দীন।

আর স্টিকওয়ার্ক, অনুপম ড্রিবলিং শৈল্পিক এবং সৃজনশীল হকির কথা মনে হলেই ভারতের মোহাম্মদ সহিদ, পাকিস্তানের হাসান সর্দারের কথা মনে পড়বে। এর বাইরে পাকিস্তানের কলিমউল্লাহ, হানিফ খান, ভারতের ধনরাজ পিল্লাই, সাবু বার্কি ও মসুকেশ কুমারের নান্দনিক হকি প্রশংসাও আছে বিশ্বজোড়া।

আজকাল সিনথেটিক টার্ফে অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, স্পেন আর গ্রেট ব্রিটেন এবং আর্জেন্টিনার সাফল্যের নৌকা যতই এগিয়ে যাক, কোনোরকম বাড়তি আবেগতাড়িত না হয়েই বলা- ব্যক্তিগত দক্ষতা, নৈপুণ্য আর মেধা-প্রজ্ঞা ও শৈল্পিকতা এবং নান্দনিকতায় মাখানো উপমহাদেশের হকির চিরায়ত সৌন্দর্য এখন আর চোখে পড়ে না।

সময়ের প্রবাহমানতায় এখন আর পাক-ভারত হকির সেই রমরমা দিন নেই। ঘাসের মাঠ থেকে সিনথেটিক টার্ফে হকি যাওয়ার পর থেকেই আসলে সাফল্যে ছেদ পড়ে ভারত ও পাকিস্তানের। হকিও তার শৈল্পিকতা ও নান্দনিকতা হারিয়েছে। এখনও ব্যক্তিগত মুন্সিয়ানায় ভারত ও পাকিস্তানের হকি খেলোয়াড়রা যে খুব পিছিয়ে, তা বলা যাবে না।

তবে সিনথেটিক টার্ফের হকি আর ঘাসের মাঠের হকির মতো স্টিক ওয়ার্ক ও ব্যক্তিগত দক্ষতা এবং মুন্সিয়ানা নির্ভর নয়। এখানে স্টিক ওয়ার্কের চেয়ে বেশি দরকার শারীরিক সক্ষমতা। ভারত ও পাকিস্তান এ জায়গাতেই পিছিয়ে পড়েছে। প্রথমত. সিনথেটিক টার্ফে শারীরিক সক্ষমতা বেশি প্রয়োজন। ঘাসের মাঠের চেয়ে বল অনেক দ্রুত যায়। সে কারণে খেলার গতিও বেড়েছে বহুগুণে। এতে করে হকি এখন আর স্টিক ওয়ার্ক ও কারুকাজনির্ভর নয়।

শৈল্পিকতা, নান্দনিকতা, সৃষ্টিশীলনতার বদলে হকি অনেক গতি ও কৌশলনির্ভর খেলা হয়ে গেছে। নিজেদের স্টিকে বেশি সময় ধরে বল রাখার চেয়ে অনেক কায়দা আর কৌশল করে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে পেনাল্টি কর্নার আদায়ই এখন অনেক কার্যকর কৌশল।

এ জন্য ইউরোপ আর ওশেনিয়া এবং ল্যাটিন আমেরিকার দলগুলো কাউন্টার অ্যাটাককে প্রধান কৌশল হিসেবে বেছে নিয়ে এগিয়ে গেছে। সেই সাথে পেনাল্টি কর্নার আদায় ও তা কাজে লাগিয়ে গোল করার ক্ষেত্রেও অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, গ্রেট ব্রিটেন, স্পেন এমনকি আর্জেন্টিনাও অনেক উন্নতি করেছে।

আর তাতেই দিনকে দিন পিছিয়ে পড়েছে এশিয়া। অন্যদের সাথে আর পেরে উঠছে না।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :