রাত ৮:৪৬, মঙ্গলবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / নিজের পক্ষে সাফাই গাইলেন পল
নিজের পক্ষে সাফাই গাইলেন পল
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭

কবিরুল ইসলাম, চনবুড়ি (থাইল্যান্ড) থেকে : বিকেলে ম্যাচ, আর সকালে কঠোর অনুশীলন। দল নিয়ে এমন জুয়া খেলার কারনে বেশ সমালোচনার মুখেই পড়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি। ব্রিটিশ এ ভদ্রলোক দলের হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন আর ম্যানেজার জাকির চৌধুরীর অনুরোধ উপেক্ষা করে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে দল নিয়ে অনুশীলন করেছিলেন। তাও আবার ৪৫ মিনিটের কঠোর অনুশীলন! বিশ্ব ফুটবলে এমনটা কোথাও দেখা না গেলেও বাংলাদেশ দলের ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছে। ফলাফল যা হবার তাই হয়েছে। ম্যাচে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত বাংলাদেশকেই দেখেছে থাইল্যান্ডবাসী।

ম্যাচের আগে অনুশীলনের এমন কৌশল(!) দেখে আড়ালে-আবডালে হাসাহাসি করেছেন এএফসির ফুটবল সংশ্লিষ্টরাও। পলের এমন কা-জ্ঞানহীন সিদ্ধান্তের বিরোধীতাও করেছিলেন কোচ নিজেও। কিন্তু বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের সামনে যে কতোটা অসহায় তিনি, সেটা আরো একবার স্পষ্ট হয়েছে।
 
ফুটবলারদের নিয়ে ম্যাচের আগে এমন জুয়া খেলার ফলাফল ৯-০ গোলের বড় লজ্জা। তবুও নিজের কৃতকর্মের জন্য লজ্জা নেই পলের। বরং নিজের পক্ষেই সাফাই গাইলেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে টিম হোটেলে আলাপকালে বলেন, ‘সকালের অনুশীলন ম্যাচে প্রভাব পড়েনি। এটা বিশ্বের অনেক দেশই করে। শারীরিকভাবে তারা মোটেও ক্লান্ত ছিল না। বরং মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিল তারা। আর অপ্রয়োজনীয় অনুশীলনও করানো হয়নি। টেকটিক্যাল সেশন ছিল। অনুশীলনের প্রভাব পড়লে শেষ ম্যাচে হতে পারে।’

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে ৯-০ গোলের হারের কারন সম্পর্কের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পল বলেন, ‘তারা (উত্তর কোরিয়া) অত্যন্ত শক্তিশালী। বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে ম্যাচে খুবই ভুল হয়েছে কয়েকটি। যার শাস্তি আমরা পেয়েছি। আট মিনিটের মধ্যে গোলরক্ষকের (রোকসানা) ভুলে দুই গোল হজম করেছি। যা ম্যাচ থেকে আমাদের ছিটকে দেয়। আমরা এখন কাজ করছি এই ছোট ভুল কাটিয়ে উঠার। কিভাবে মানসিকভাবে চাঙ্গা করা যায় দলকে সে চেষ্টাই করবো।’

ডাগ আউট থেকে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ফুটবলারদের নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছিলেন। কোচের সাথে পাল্লা দিয়ে পল স্মলিও ফুটবলারদের নির্দেশনা দেয়া শুরু করেন। গলা ফাঁটিয়ে তার দেয়া নির্দশনার কারনে মেয়েদের সমস্যা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে বাফুফের এ টেকনিক্যাল ডিরেক্টর বলেন, ‘আমি আর কোচ একই নির্দেশনা দিয়ে থাকি। যা বলা হয় একই।

পার্থক্য শুধু ছোটন বাংলায় আর আমি ইংরেজিতে বলি। এতে করে মেয়েদের দ্বিধান্তিত হওয়ার কোন কারন নেই। গত এক বছর থেকে এভাবেই হয়ে আসছে।  এটা বিশ্বে অনেক দেশেই হয়। আমাদের নির্দেশনা মোটেও সাংর্ঘষিক নয়।’
 

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :