সকাল ৬:০৭, সোমবার, ২০শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ আর্ন্তজাতিক / উইম্বলডন জিতে প্রশংসায় ভাসছেন মুগুরুজা
উইম্বলডন জিতে প্রশংসায় ভাসছেন মুগুরুজা
জুলাই ১৬, ২০১৭

উইম্বলডনে কোর্টে নামার আগে নিয়মিত একবার বোর্ডটার সামনে দাঁড়াতেন তিনি। যেখানে একের পর এক লেখা আছে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নদের নাম। কল্পনা করার চেষ্টা করতেন, একদিন এই বোর্ডে জ্বলজ্বল করবে তাঁর নামটাও।
গারবিনে মুগুরুজার কল্পনা আর কল্পনা নেই। শনিবারের পরে সত্যিই উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপের বোর্ডে উঠে গেল তাঁর নাম।
দু’বছর আগে, সেরেনা উইলিয়ামসের কাছে হেরে গিয়েছিলেন মুগুরুজা। এবার আর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে দিলেন না। সেরেনার বড়বোন ভেনাসকে হারিয়ে জিতে নিলেন নিজের প্রথম উইম্বলডন। দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্ল্যাম।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে তেইশ বছরের স্প্যানিশ তারকা বলেছেন, ‘আমি যখন ছোট ছিলাম, টিভি-তে এইসব ফাইনাল দেখতাম। আমি ভেনাসের খেলাও দেখেছি। আর এখন ওর বিরুদ্ধে খেললাম। ভাবলেই কেমন বিস্ময়কর লাগছে।’

প্রথম উইম্বলডন জয়ী গারবিন মুগুরুজা

ফাইনালের পরে লকাররুমে দেখা যায় দুই স্প্যানিশ কন্যা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরছেন। একজন কনচিটা মার্টিনেজ। অন্যজন মুগুরুজা। উইম্বলডনে বয়স্কতম যে নারী খেলোয়াড় ফাইনাল খেলেছিলেন, তাঁর নাম ছিল মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা। ১৯৯৪ সালের সেই ফাইনালে নাভ্রাতিলোভার প্রতিন্দ্বন্দ্বী ছিলেন কনচিটা। মার্কিন মহাতারকাকে হারিয়ে ২৩ বছর আগে ট্রফি তুলেছিলেন তিনি। যেটা ছিল কোনও স্প্যানিশ মেয়ের প্রথম উইম্বলডন জয়। ২৩ বছর বাদে আবার ইতিহাস ফিরে এলো অল ইংল্যান্ড ক্লাবে। নাভ্রাতিলোভার পরে যিনি বয়স্কতম উইম্বলডন ফাইনালিস্ট হলেন, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেনাসকে হারিয়েই ট্রফি তুলে নিলেন আর এক স্প্যানিশ কন্যা। কনচিটার কোচিংয়েই এবার খেলছেন মুগুরুজা।
তাঁর নিয়মিত কোচ না থাকার জন্য উইম্বলডনে কনচিটার সাহায্য নিয়েছিলেন মুগুরুজা। কারণ হিসেবে বলেন, ‘কনচিটা এখানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ও জানে কীভাবে বড় ম্যাচ জিততে হয়।’
মুগুরুজা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরেই অভিনন্দনবার্তা ভেসে আসতে থাকে। যার মধ্যে আছেন রাফায়েল নাদাল। নাদাল টুইট করেন, ‘স্প্যানিশ টেনিসের জন্য গর্বের দিন। অভিনন্দন।’ বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ডেভিড ভিয়ার টুইট, ‘শুভেচ্ছা উইম্বলডনের নতুন রানিকে।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :