সকাল ৮:৪১, শুক্রবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / নিজেকে গ্যালাক্টিকো ভাবেন না রোনালদো
নিজেকে গ্যালাক্টিকো ভাবেন না রোনালদো
জুন ৩, ২০১৭

রিয়াল মাদ্রিদে সব সময়ই বসে নক্ষত্রের হাট। যে কারণে রিয়ালের অপর নামই হয়ে গেছে গ্যালক্টিকোস। স্প্যানিশ জায়ান্টদের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় ফুটবলাররে তকমা পেয়ে গেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবারের মৌসুমেও যেমন ৪০ গোল করে ক্লাবকে ২০১২ সালের পর জিতিয়েছেন লা লিগা শিরোপা। টানা দ্বিতীয়বার তুলেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে।

এত এত সাফল্যের পরও নিজেকে রিয়াল মাদ্রিদের গ্যালাক্টিকো (নক্ষত্র) ভাবেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে তার বিশ্বাস রয়েছে, ঠিকই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেবেন তিনি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শততম গোলের মাইলফলক আগেই স্পর্শ করে ফেলেছেন তিনি। প্রথম ফুটবলার হিসেবে নকআউটে করেছেন দুটি হ্যাটট্রিক। দলকে লা লিগায় শিরোপা উপহার দেয়ার পর এমনিতেই উদ্বুদ্ধ রিয়াল তারকা। তারওপর টানা দ্বিতীয়বার রিয়ালকে তুলে ফেললেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। চার বছরের মধ্যে তিনবার খেলছেন ইউরোপ সেরার ফাইনাল। এর মধ্যে দুটি শিরোপা জেতা হয়ে গেছে। আরও একটা জয়ের পথে।

এমনই এক মাহেন্দ্রক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়াল তারকা বললেন, ‘আমি নিজেকে গ্যালাক্টিকো ভাবি না। তবে আমি নিজেকে এমন একজন ফুটবলার ভাবতে ভালবাসি, যে ম্যানচেস্টার, রিয়াল মাদ্রিদ এবং পর্তুগালের হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের আগে নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে রিয়াল তারকা বলেন, ‘আমি গতানুগতিক ধারার কোনো ফুটবলার নই যে (প্রতিপক্ষের খেলার) ভিডিও দেখে প্রস্তুতি নেবো। কারণ আমি মনে করি, যে বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবে আসে, সেগুলো সেভাবেই করা উচিত। যেমন ধরুন, পেনাল্টির নেওয়ার সময় আপনি চিন্তা করবেন কোনদিকে শট নিবেন, অনেক কিছু আপনার মাথায় ঘুরবে এবং এক মুহূর্তে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এটা সহজাত প্রবৃত্তি। আর তাই আমি ঠিক পরিকল্পনা করতে পছন্দ করি না যে আমি কি করব।’

গত উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে টাইব্রেকারে শেষ পেনাল্টি শট নিয়ে দলকে জিতিয়েছেন রোনালদো। সে প্রসঙ্গ আসতেই রোনালদো বলেন, ‘ফাইনালে পেনাল্টি? এটা নিয়ে আমি খুব বেশি চিন্তিত নই। আমি সব সময়ই ঝুঁকি নিতে পছন্দ করি। এটা হিসেব করা ঝুঁকি। এটা তো আর জীবন কিংবা মৃত্যু নয়। আমি হয়তো গোল করবো। এমনকি মিসও করতে পারি। তবে আমি সুযোগ নষ্ট করবো না। আপনাকে ইতিবাচক ভাবতে হবে। এটাই হচ্ছে ভালো খেলোয়াড়, খুব ভালো খেলোয়াড় এবং গ্যালাক্টিকোর মধ্যে পার্থক্য।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :