সন্ধ্যা ৬:৩২, মঙ্গলবার, ২৫শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / টাইব্রেকার ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল
ফেডারেশন কাপ ফুটবল
টাইব্রেকার ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল
মে ১৯, ২০১৭

স্পোর্টস রিপোর্টার
ফেডারেশন কাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বেই টাইব্রেকার দেখলো দর্শকরা। ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়নকে খুঁজে নিতেই টাইব্রেকারের সাহায্য নিতে হয় রেফারিকে। আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে স্পট কিকে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ০-০ (৪-১) গোলে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে পরাস্ত করে গ্রুপ সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। আর গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেখ রাসেল নাম লেখায় শেষ আটে। আগামি ২৪ মে একই ভেন্যুতে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় ‘সি’ গ্রুপ রানার্সআপ ঢাকা মোহামেডানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে শেখ জামাল। আর একদিন পরেই একই ভেন্যুতে একই সময় চিটাঙ্গা আবাহনীর মুখোমুখি হবে শেখ রাসেল কেসি।
‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফরাশগঞ্জের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছিল শেখ রাসেল। সমান ব্যবধানে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবও জয় পায় পুরান ঢাকার ক্লাবটির বিপক্ষে। ফলে গোল ব্যবধান সমান থাকায় টাইব্রেকারের সাহায্য নিতে হয়। যদিও বিষয়টি আগে থেকে জানা ছিল না আজকের ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করা মিজানুর রহমানের। তাই শেষ বাঁশী বাজার সাথে সাথেই দু’দলের খেলোয়াড়দের লাইনআপ করিয়ে কর্মর্দনের কাজ শেষ করে ফেলেছিলেন। পরে বাফুফের এক এক্সিকিউটিভ এসে তাকে জানান যে, সরাসরি টাইব্রেকার হবে।

টাইব্রেকারে বেশ আতœবিশ্বাসী ছিলেন শেখ জামালের গোলরক্ষক সামিউল ইসলাম। ম্যাচে যেমন শেখ রাসেলের বেশ কয়েকটি দূর্দান্ত আক্রমন প্রতিহত করেছিলেন, তেমনিভাবে টাইব্রেকারেও নিজের দক্ষতা প্রমান করে এ গোলরক্ষক। শেখ রাসেলের পক্ষে নেয়া নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার এলিটা বেঞ্জামিনের প্রথম শটই রুখে শেখ জামালের গোলরক্ষক সামিউল। এরপর খালেকুজ্জামানের নেয়া চতুর্থ শটটিও প্রতিহত করে শেখ জামালকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন করেন তিনি।
আজ (শুক্রবার) এ হাইভোল্টেজ ম্যাচের শুরুটা ছিল একেবারেই নি:ষ্প্রান। তবে সময়ে সাথে পাল্লা দিয়ে দু’দলই নিজেদের খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসে এবং আক্রমন-পাল্টা আক্রমনে ম্যাচটি উপভোগ্য করে তুলেছিল।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে দারুন এ সুযোগ হাতছাড়া হয় শেখ রাসেলের। বাঁ-দিক দিয়ে গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দাওদা সিসে শেখ জামালে বিপদসীমায় প্রবেশ করে দারুন এক শট নিয়েছিলেন। কিন্তু শেখ জামালের গোলরক্ষক সামিউলের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি সিসের শট। ঝাঁপিয়ে পড়ে দলকে রক্ষা করেন সামিউল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারো শেখ জামালের গোলরক্ষক সামিউল হতাশ করেন শেখ রাসেল শিবিরকে। এবার ডান দিক থেকে নেয়া অরুপ বৈদ্যের জোড়ালো শট দারুন দক্ষতার সাথে গ্রিপে নিয়ে নেন। এরপর শেখ রাসেল শিবিরকে কিছুটা চেপে ধরেছিল জোসেপ আপুসির শিষ্যরা। ৫৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুন এক সুযোগও রচনা করেছিল তারা। কিন্তু সোহেল মিয়া সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি। শেখ জামালের গিনিয়ান ফরোয়ার্ড মমুদু বাহ মাইনাস করলে ছোট বক্সের সামনে দাঁড়ানো সোহেল বল পেলেও ওপেন নেটে নিশানা ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। শট নিতে দেরী করায় শেখ রাসেলের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল বাইরে চলে যায়।
ম্যাচের ৭২ মিনিটে শেখ জামালের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন দাওদা সিসে। বাঁ-দিক থেকে খালেকুজ্জামানের ক্রসে দারুন ভলি করেছিলেন তিনি। কিন্তু দূর্ভাগ্যই বলতে হবে। নিজেদের প্লেয়ার ফজলে রাব্বির শরীরে লেগে বল ফিরে আসে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :