সকাল ৬:১০, সোমবার, ২০শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / বাজে আম্পায়ারিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে বাংলাদেশ
বাজে আম্পায়ারিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে বাংলাদেশ
মার্চ ১৯, ২০১৭

পাকিস্তানী আলিম দার আর ভারতীয় আম্পায়ার এস রবির খেলা পরিচালনা নিয়ে যারপরনাই হতাশ ও ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ শিবির। সুরঙ্গা লাকমালের আউট নিয়ে প্রেস কনফারেন্স কিংবা এর বাইরে স্বদেশি সাংবাদিকদের সাথে আলাপে ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন বা অন্য কেউ ক্ষোভ বা অভিমানে কোনরকম নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখালেও আম্পায়ারদের খেলা পরিচালনার মান নিয়ে ভীষন অসন্তোষ বাংলাদেশ শিবিরে।

ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন সন্ধ্যায় পি সারা ওভাল স্টেডিয়াম থেকে হোটেলের উদ্দেশ্যে বাসে ওঠার আগে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ‘আমরা সামগ্রিক খেলা পরিচালনার মান নিয়ে যারপরনাই অসন্তুষ্ট। খেলার ফল যাই হোক, কলম্বো টেস্ট শেষে আমরা আম্পায়ারিংয়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত প্রতিবাদ জানাবো।’

সেটা কিভাবে? ম্যানেজার খালেদ মাহমুদের ব্যাখ্যা, সাধারনতঃ টেস্ট শেষে দু’দলের অধিনায়কের রিপোর্ট জমা দেয়ার নিয়ম ও রীতি আছে। সেই রিপোর্টেই আম্পায়ার ও রিভিউ সিস্টেম নিয়ে আমাদের চিন্তা এবং উপলব্দির কথা জানাবো। যেখানে পরিষ্কার আমাদের অসন্তোষ ও প্রতিবাদের কথা উল্লেখ থাকবে।’

এটুকু বলার পর খালেদ মাহমুদ আরও একটা আক্ষেপের কথাও শোনালেন, ‘ভাগ্যটাও পক্ষে আসেনি। আমাদের রিভিউ অবেদন করার সুযোগ শেষ হবার পর দিলরুয়ান পেরেরার নিশ্চিত লেগ বিফোর উইকেটের আবেদন এড়িয়ে গেছেন আম্পায়ার। আমরা রিভিউ করতেই পারিনি। তার আগেই রিভিউয়ের কোটা ফুরিয়ে গিয়েছিল।’

বলে রাখার ভাল, সেটা ছিল দিনের ৭৮ নম্বর ওভারের ঘটনা। তার দুই ওভার পর নতুন বল নেয়া মাত্র কিন্তু আবার রিভিউ করার সুযোগ চলে আসে। খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘ইস! দিলরুয়ান পেরেরার ওই ঘটনাটি যদি  আর দুই বা তিন ওভার পর ঘটতো! তাহলে নির্ঘাত রিভিউ নিয়ে তাকে সাজঘরে ফেরাতে পারতাম আমরা।’

সেই আক্ষেপও খালেদ মাহমুদের কন্ঠে, ‘তাই বলে আবার ভাববেন না, বাংলাদেশ বুঝি আম্পায়ারিং নিয়ে অতিমাত্রায় অসন্তুষ্ট আর লঙ্কানদের নবম উইকেট ফেলতে না পেরে যারপরনাই হতাশ। ওপরে যা বলা হলো, সেটা আসলে চতুর্থ দিনের খেলা শেষের কথোপকোথন।’

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আরও বলেন, ‘দিনের খেলা শেষে যেমন ভক্ত, দর্শক, বিশেষজ্ঞরা নানারকম মত দেন- ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ হয়। বাংলাদেশ শিবিরেও আজকের খেলা নিয়ে অনেক কথাই হয়েছে। যেখানে ঘুরে-ফিরে আম্পায়ারিং প্রসঙ্গ এসেছে মুলতঃ একটা মাত্র কারণে। সারা দিনে আম্পায়ারদের বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত প্রশ্ন জাগিয়েছে। সাত সাতটি রিভিউ হয়েছে। এর মধ্যে আস্পায়াররা আউটের সিদ্ধান্ত না দেয়ায় বাংলাদেশ রিভিউয়ের আবেদন করতে বাধ্য হয়েছে চারবার। যার মধ্যে একবার মাত্র সে আবেদন গ্রহণযোগ্য হয়েছে। ওই চারবারের অন্তত একবার আম্পায়াররা আউটের সিদ্ধান্ত দিলেই হয়ত শ্রীলঙ্কা আজ চতুর্থ দিন পড়ন্ত বিকেলে অলআউট হয়ে যেত।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :