সকাল ৬:২০, শুক্রবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / কোচিং কাজটা অনেক কঠিন’
কোচিং কাজটা অনেক কঠিন’
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৭

কোচিং ক্যারিয়ার শুরু প্রায় ৩০ বছর আগে। একাডেমি, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলে গুরুগিরির ক্যারিয়ারটা বেশ সমৃদ্ধ দ্রাগো মামিচের। অভিজ্ঞ এ ক্রোয়েশিয়ান কোচ আবার ফিরে এসেছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আবাহনীতে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় পা রেখে বিকালেই ক্লাব মাঠে ছুটে গেছেন ফুটবলারদের অনুশীলন দেখতে। প্রথম বিকেলে খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা গ্রহণ, গল্প-গুজব আর মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেই কাটিয়েছেন ৬২ বছর বয়সী এ কোচ।

মঙ্গলবার বিকেলে দ্রাগো মামিচ জাগো নিউজকে বলেছেন, ‘আমি প্রথমে আবাহনী সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। কারণ গত মৌসুমে এসেও থাকতে পারিনি। মাত্র ১২ দিন কাজ করে চলে যেতে হয়েছিল। আমি যেতে বাধ্য হয়েছিলাম; স্ত্রীর গুরুতর অসুস্থ থাকায়। এখন সে সম্পূর্ণ সুস্থ।’

কোচ মানেই তার কৌশল আর দর্শন নিয়ে নানা কৌতূহল। মামিচের চোখে পৃথিবীর সব কোচের কাজটাই দুরূহ। ‘কোচিং কাজটা অনেক কঠিন। আপনি যখন মেসির খেলা দেখেন তখন মনে হবে ফুটবলটা অনেক সহজ। কিন্তু আপনি যদি খেলতে নামেন তখন বুঝবেন সেটা কতটা কঠিন। কোচের বিষয়টাও তেমন। কোচ এটা কেন করলেন, ওটা কেন করলেন-এগুলো বলা সহজ। যিনি কাজটি করেন তিনিই কেবল অনুধাবন করতে পারেন কাজটা কত কঠিন’-বলেছেন আবাহনীর এ ক্রোয়েশিয়ান কোচ।

দ্রাগো মামিচ বলেছেন, ‘কোচকে কখনো কখনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। দেরি হলেই সর্বনাশ। আর দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে হলে কোচকে আগে থেকেই ধারণা রাখতে হবে। তাকে জানতে হবে। শিখতে হবে। না হলে প্রয়োজনের সময় দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। যে কোচ যেভাবেই করুন, কাজগুলো তাদের কঠিনই।’

ba

আবাহনী তাদের পুরনো কোচকে ফিরিয়ে এনেছেন আগামী মৌসুমের জন্য। তবে তিনি এসেই পেয়ে যাচ্ছেন শেখ কামাল ক্লাব কাপ। এর পর মার্চের এএফসি কাপ। তিনিও নতুন মৌসুমের পুরো সময় থাকার জন্য এসেছেন। আমি পুরো মৌসুম থাকবো। আবাহনী আমাকে সেভাবেই আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এ ক্লাবের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। গত মৌসুমে চলে গিয়েছিলাম আমার কিছু সমস্যা থাকার কারণে’-আবাহনী মাঠে দাঁড়িয়ে বলছিলেন মামিচ।

এ মৌসুমে কি লক্ষ্য আপনার? ‘আসলে প্রত্যেক কোচই চান আগের চেয়ে বেশি ভালো করতে। আবাহনী গত মৌসুমে দুটি ট্রফি জিতেছে। আমার চেষ্টা থাকবে সেগুলো ধরে রেখে আরো ভালো কিছু করা। আমি দলটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী। জাতীয় দলের বেশ কিছু খেলোয়াড় আছে। পাশপাশি কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারও আছে। এখন আমার সব মনসংযোগ আবাহনীকে ঘিরে’-বলেছেন এ ক্রোয়াট।

এএফসি কাপকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আবাহনীর কোচ বলেছেন, ‘আমি চাইবো অবশ্যই গ্রুপ পর্ব অতিক্রম করতে। তবে কাজটা সহজ নয়। কারণ এখানে অনেক ভালো ভালো দল আছে। আশা করি ৬টি ভালো ম্যাচ হবে। বিশেষ করে গ্রুপে আছে বেঙ্গালুরু এএফসি। গতবার মালয়েশিয়ার জিডিটি দলের বিপক্ষে তাদের ফাইনাল ম্যাচ দেখেছি। দলটি অনেক শক্তিশালী।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :