দুপুর ২:৩৩, রবিবার, ২৮শে মে, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / ক্রাইস্টচার্চের সেঞ্চুরি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে ইমরুলকে
ক্রাইস্টচার্চের সেঞ্চুরি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে ইমরুলকে
ডিসেম্বর ৯, ২০১৬

আগামী ২৬ ডিসেম্বর ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। যেই সিরিজে ইমরুলের জন্য প্রেরণাদায়ক ক্রাইস্টচার্চের হোম গ্রাউন্ড। কারণ এই মাঠেই ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন বাংলাদেশের এই ওপেনার।
ক্যারিয়ারের দশম ম্যাচে এসে ১০১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন ওই ম্যাচে। যদিও ম্যাচটি বাংলাদেশ ৩ উইকেটে হেরেছিল। তারপরও ২০১০ সালে সিমিং কন্ডিশনে ইমরুলের এমন ইনিংস ড্রেসিংরুমে বেশ প্রশংসা কুঁড়িয়েছিল। ইমরুল এমন ইনিংস থেকে প্রেরণা নিলেও অতীতে ফিরে যেতে নারাজ। তার কাছে প্রত্যেকটি দিনই নতুন। তাই পরিসংখ্যানে কী আছে সেসব নিয়ে ভাবতে চান না। তারপরও ক্রাইস্টচার্চে করা প্রথম সেঞ্চুরি নিজেকে ভালো খেলতে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে মনে করেন ইমরুল।

বৃহস্পতিবার সিডনিগামী বিমানে যাওয়ার আগে কথা বলে গেছেন বাংলাদেশের এই ওপেনার। নিজের পরিকল্পনা নিয়ে বলতে গিয়ে ইমরুল বলেছেন, ‘ক্রাইস্টচার্চে সেঞ্চুরি পেয়েছি। সেটা ৬ বছর আগের স্মৃতি। ৬ বছরে অনেক কিছু বদলে গেছে। বিশেষ করে আমাদের ক্রিকেট অনেকখানি বদলে গেছে। ওটা নিয়ে আমি ভাবছি না। ওটা নিয়ে ভাবতে গেলে হবে না। এখন নতুন করে শুরু করতে হবে। হয়তো কিছুটা প্রেরণা পাবো, কিন্তু সেটা খুবই সামান্য। একাদশে সুযোগ পেলে আমাকে নতুন করেই শুরু করতে হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রতিটি সিরিজেই একজন ক্রিকেটার নিজের মতো করে লক্ষ্য স্থির করে নেন। কেউ সফল হন আবার কেউ হন না। সবাই কিন্তু চেষ্টা করেন ভালো খেলতে। আমার চেষ্টা থাকবে দলের জন্য ভালো কিছু করার। দলের জন্য খেলতে পারলে নিজের জন্যেও খেলা হয়ে যাবে।’

২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর এই প্রথম কোনও দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে টানা সাফল্য পাওয়ার পর আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজ তাই অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে টাইগার শিবিরে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জেতার পর বিশ্বের সাবেক অনেক ক্রিকেটার মন্তব্য করেছিলেন, ‘বাংলাদেশকে বড় দল হয়ে উঠতে হলে দেশের বাইরে ভালো খেলতে হবে।’

ইমরুলও অবশ্য তাই মনে করেন, ‘আমাদের জন্য এই সফরটা বিরাট এক চ্যালেঞ্জ। নিজেকে শো করার অনেক কিছু আছে। আমি মনে করি সকলেরই আলাদা আলাদা পরিকল্পনা আছে। ভালো কিছু করার প্রত্যয় নিয়ে যাচ্ছে সবাই। আমরা যদি সকলে নিজেদের পরিকল্পনায় সফল হতে পারি, তাহলে দলীয়ভাবে ভালো কিছু সম্ভব হবে।’

বিশেষ করে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে। এমনকি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও ছন্দময় ক্রিকেট খেলেছে। এই অবস্থায় বিদেশের মাটিতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করাটা বাড়তি চ্যালেঞ্জ হিসেবেই মনে করেন ইমরুল, ‘সিরিজ শুরু হওয়ার আগে আমাদের কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। নিউজিল্যান্ড সিমিং কন্ডিশন। বিশ্বের অনেক বড় বড় তারকা দলও সেখানে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হয়। আমি মুখে যতোই বলি ভালো ক্রিকেট খেলবো- এটা বলে লাভ নেই। ওখানে গিয়ে ভালো না করতে পারলে বলে লাভ কী? কিন্তু ওখানে গিয়ে কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে ভাল খেলার চেষ্টা করব। আশা করছি সমস্যা হবে না। আমরা ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারব।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :