দুপুর ১২:০৫, সোমবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিচ্ছেন কাজী সালাউদ্দীন
সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিচ্ছেন কাজী সালাউদ্দীন
অক্টোবর ১৬, ২০১৬

দেশের ফুটবল কাঠামোকে ঢেলে সাজিয়ে ফুটবলকে আধুনিক ও কার্যকরী রূপ দিতে আগামী জানুয়ারি মাসে সমন্বিত একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। রবিবার বাফুফে ভবনে এ পরিকল্পনার সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দীন।

দেশের ফুটবলে এখনকার মতো এমন ঘোর অমানিশা আগে কখনও আসেনি। বাফুফে সভাপতি হওয়ার আগে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দীন। তখনকার কমিটি ফুটবল চালাতে ব্যর্থ হয়েছিল- এমন অভিযোগ তুলে ঐ কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। অথচ নিজের আমলে দেশের ফুটবলের এমন দূরাবস্থা হবে- সেটা হয়তো কল্পনাও করেননি সালাউদ্দীন। তাই বিষন্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে উঠা বাফুফে সভাপতি গত পাঁচ দিন পা রাখেননি বাফুফে ভবনে। তবে আজ রবিবার বাফুফে ভবনে পা রেখেই জাতীয় দলের এমন ব্যর্থতার জন্য দেশের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকাশ করেছেন আগামী তিন বছরের ‘রোড ম্যাপ’।

বাফুফে সভাপতি যখন সংবাদ সম্মেলনে জানাচ্ছেন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তখনই ভবনের মূল ফটক ছিল তালাবদ্ধ। কারণ একদল বিক্ষোভকারী বাফুফের বিরুদ্ধে সমাবেশ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তারা ফটকের সামনে অবস্থানও নেয়। এমন পারিপার্শ্বিকতায় বাফুফে সভাপতি উপস্থাপন করেন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা-‘ভুটানের কাছে হারের পর প্রচার মাধ্যম ও বিভিন্ন অঙ্গনে দেশের ফুটবলকে ঘিরে নানা আলোচনা সমালোচনা হয়েছে ও হচ্ছে। আমি আজ আপনাদের মুখেমুখি হয়েছি আমাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য। সন্দেহ নেই বাংলাদেশের ফুটবল একটা দুঃসময়ের মাঝে আছে। তবে আমি বলতে চাই আমি জাতীয় ফুটবল দলের এ অবস্থা আগেই আঁচ করতে পেরেছিলাম। আমরা চেষ্টা করেছি কোচ দিয়ে ফ্যাসিলিটিজি দিয়ে কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। ’

তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের এখন তৃনমূলে নজর দেওয়ার সময় এসেছে। টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি একটা গাইড লাইন দিয়েছেন। আগামী তিন বছরের এ গাইড লাইনটি আগামী ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আশা করি নতুন বছরের প্রথম মাস থেকেই আমরা আমাদের কাজ শুরু করতে পারবো।’

এসময় আবারও তৃণমূলে ফুটবল প্রসারের প্রতিশ্রুতি দেন সালাউদ্দীন, ‘ আগামী বছরই আমাকে ইয়ুথ ন্যাশনাল লিগ, স্কুল ফুটবল, সোহরাওয়ার্দী কাপ, শের-ই-বাংলা কাপ ফুটবল চালু করতে হবে। এ জন্য অর্থ দরকার। সে অর্থের জোগান দিয়েই আমি মাঠে নেমে পড়বো।’

পরিকল্পনা অনেক হলেও সেগুলো নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সালাউদ্দীন, ‘প্রতিটি দেশেরই একটি দুঃসময় আসে এবং সেখান থেকে উতরে যায়। আমার বিশ্বাস আগামী তিন বছরের মধ্যে আমরা আমাদের ফুটবলের এ সংকটময় মুহূর্ত থেকে পরিত্রাণ পাবো।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :