রাত ৯:৪৯, শনিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / ব্যাটিং বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা নেই তামিমের কাছে
ব্যাটিং বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা নেই তামিমের কাছে
অক্টোবর ২৮, ২০১৬

১ রানে প্রথম উইকেট হারনোর পরও মমিনুল-তামিম মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ১৭০ রানের জুটি গড়েন। আর তাতেই চালকের আসনে বসে পড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু দিনের তৃতীয় সেশনে এসেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। ১৭০ থেকে ২২০ রানে যেতেই বাংলাদেশ হারায় বাকি ৯ উইকেট। এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা নেই তামিমের কাছে, ‘আমি বিপর্যয়কে ডিফেন্স করতে আসিনি। প্রথম ১০ ওভার ছাড়া ৩০-৩৫ ওভার ব্যাটিং হয়তো বা কঠিন ছিল। মোট ২০ থেকে ২৫ ওভার একটু সহজ ছিল। এটার কারণ হতে পারে, ওই সময় আমরা (তামিম ও মমিনুল) আক্রমণাত্মক ছিলাম। বাউন্ডারির বলও পেয়েছি। যখন কেউ রানের মধ্যে থাকে, তখন যে কোনও উইকেটেই ব্যাটিং করা সহজ। এছাড়া মমিনুল যেভাবে ব্যাটিং করছিল, একপাশ থেকে আমার চাপ কম ছিল।’

যদিও নিজে ব্যাটিং ভালো করলেও পুরো ব্যাটিং ইউনিটকেই দুষছেন তামিম, ‘বিপর্যয় নিয়ে আমি ব্যাখা দিতে চাই না, সত্যি কথা বলতে ব্যাখ্যা দিতে পারব না। আমরা কিছু ভুল শট খেলেছি। এখান থেকে যদি ১০০ রান বেশি করতাম, তাহলে খেলা আমাদের পক্ষে থাকতো। কারণ আজ (শুক্রবার) শেষ দিকে উইকেটে স্পিন ধরা শুরু করছে। ওরা রিভার্স সুইং পেয়েছে। আমি অবশ্য এটাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাই না।’

ইংলিশদের রিভার্স সুইংগুলোই বিপদ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। ঘরোয়া ক্রিকেট এমন বল খেলতে না পারার অনভ্যস্ততাই ম্যাচে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তামিম, ‘এ ধরণের বল আমরা কোনও জায়গায় খেলি না। ঘরোয়া লিগ কিংবা নেটে কোনও জায়গায় সুযোগ থাকে না। এখান থেকেই অনেক কিছু দেখার আছে, শেখার আছে এবং করার আছে। সবাই মিলে যদি আরও ১০০ রান যোগ করতে পারতাম, তাহলে ম্যাচে ভালো অবস্থানে থাকতে পারতাম আমরা।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি যতই উইকেটের কথা বলি, আমরা যেভাবে ৭-৮ উইকেট হারিয়েছি, এর কোনও ব্যাখ্যা নেই আমার কাছে। ব্যাটিং ইউনিটের ব্যর্থতা ছিল।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :