রাত ৪:৩৩, মঙ্গলবার, ২৬শে জুন, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / বল হাতে আশরাফুল, ব্যাট হাতে চমক দেখালেন সোহাগ গাজী
বল হাতে আশরাফুল, ব্যাট হাতে চমক দেখালেন সোহাগ গাজী
অক্টোবর ৩, ২০১৬

ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই ক্রিকেটে ফিরেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে বৃষ্টিতে ম্যাচটি ভেসে গেলে আর মাঠেই নামা হয়নি তার। তবে রোববার ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচের প্রথম দিনে ঝলক দেখিয়েছেন নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা আশরাফুল। যদিও ব্যাট হাতে নয়, ঢাকা মেট্রোপলিসের হয়ে বল হাতে চমক দেখিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক এ অধিনায়ক।

এদিন খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বরিশাল। আবু সায়েমের নার্ভাস নাইন্টিজ আর সোহাগ গাজীর হার না মানা হাফ সেঞ্চুরিতে প্রথমদিন শেষে ছয় উইকেটে ৩০১ রান করে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৮ রান করেন সায়েম।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন সোহাগ গাজী। এছাড়া ৪৮ রান করেন শাহরিয়ার নাফীস। ঢাকা মেট্রোর পক্ষে ১৭ ওভারে ৫ মেডেনসহ ৪৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন আশরাফুল এবং সানি ২টি উইকেট শিকার করেন।

বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বৃষ্টির বাগড়ায় পড়ে ঢাকা বিভাগ ও খুলনা বিভাগের ম্যাচ। তবে এর আগেই এনামুল হক বিজয়ের অপরাজিত ৮৪ রানে ১ উইকেটে ১৭২ রান তুলেছে খুলনা। এছাড়া মোসাদ্দেক ইফতেখার ৭১ রানে অপরাজিত রয়েছেন। ঢাকার পক্ষে একমাত্র উইকেটটি পেয়েছেন শাহাদাত হোসেন।

দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে প্রথম দিনটি ছিল বোলারদের। চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম। মাত্র ১৪১ রানে প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় তাদের। দলের পক্ষে ইরফান শুক্কুর সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন। রাজশাহীর পক্ষে ফরহাদ রেজা ৪৫ রানে ৪টি ও সাকলাইন সজীব ৩৬ রানে ৩টি উইকেট নেন।

নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মাইশুকুর রহমানের (১) উইকেট হারালেও মিজানুর রহমানের অপরাজিত ৭১ রানে এক উইকেটে ১২১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে রাজশাহী। দিন শেষে ২০ রানে পিছিয়ে আছে তারা।

দ্বিতীয় স্তরের অপর ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রংপুর বিভাগ ও সিলেট বিভাগ মুখোমুখি হয়। ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে বিলম্বে শুরু হয়। তবে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সিলেটের দুই স্পিনার শাহানুর রহমান ও অলক কাপালির ঘূর্ণি দাপটে বিপর্যস্ত হয়েছে রংপুর।

দিনশেষে ৭ উইকেটে ১৯১ রান তুলে দিন শেষ করে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন ধীমান ঘোষ। সিলেটের পক্ষে তিনটি করে উইকেট নেন শাহানুর ও কাপালি।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :