সন্ধ্যা ৬:১৩, সোমবার, ২৬শে জুন, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / আমরা ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ ভালো ক্রিকেট খেলেছি’
আমরা ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ ভালো ক্রিকেট খেলেছি’
অক্টোবর ২৪, ২০১৬

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ হেরেছে ২২ রানে। হেরে যাওয়া এই টেস্টে প্রাপ্তির সংখ্যাও কম নয়। মুশফিক নিজেও খুঁজে বেরালেন সাফল্যগুলো। ম্যাচ না জিতলেও খুব বেশি হতাশ নন মুশফিক।

প্রায় ১৪ মাস পর চট্টগ্রাম টেস্টে ভালো খেলাটাই ছিল জরুরি। দল হিসেবে সেখানে সফল বলা যেতেই পারে। ক্রিকেটে খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলে ইংল্যান্ড। তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রভাব বিস্তার করে লড়াই করেছে। এমন লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার পরও আশাহত নন মুশফিক, ‘আমি আগেও বলেছিলাম, টেস্টে আমাদের ধারাবাহিকতার খুব অভাব থাকে। ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে ১৪ মাস পর টেস্ট খেলা, এটা সহজ ছিল না। যা আমাদের জন্য খুব বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি আগেও বলেছিলাম, আমরা যেন পাঁচ দিন ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলতে পারি। আমার মনে হয়, আমরা পুরো টেস্টে ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ ভালো ক্রিকেট খেলেছি। উন্নতির কিছু জায়গা আছে যেখানে আমরা আরও ভালো করলে ফল আমাদের পক্ষে আসতে পারতো। অনেক কিছুই নেওয়ার আছে এই টেস্টে। সাব্বির খুব ভালো ব্যাট করেছে, মিরাজ প্রথম ইনিংসে খুব ভালো বল করেছে। সাকিব খুবই ভালো বোলিং করেছে। তামিম কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে খুব ভালো ব্যাটিং করেছে, যেটা কি না তার চরিত্রেই নেই। সব মিলিয়ে আমি বলবো, বাংলাদেশের জন্য খুব ভালো টেস্ট হয়েছে।’

৩৩ রান যখন প্রয়োজন, তখন বাংলাদেশের হাতে ছিল দুই উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচ জেতা কঠিন। মুশফিক অবশ্য যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিলেন, ‘৩৩ রানে দুই উইকেট অনেক কঠিন সমীকরণ। ম্যাচটা ৯০ শতাংশ ওদের দিকেই হেলে গেছে। ওদের ১১ জনেরই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি রয়েছে। আমাদের টেল এন্ডে এমন কেউ নেই যার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি আছে। আর সেঞ্চুরি থাকলেও ওদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি আর আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরির মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে।’

জয়-পরাজয়ের সমীকরণের চেয়ে নিজেদের উন্নতিটা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছিলেন মুশফিক। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘১৪ মাস পর টেস্ট খেলতে নেমে আমাদের জন্য জয়-পরাজয়ের চেয়েও ভালো খেলাটা বেশি জরুরি ছিল। জিতলেই যে আমরা টেস্টে আহামরি দল হয়ে যেতাম তাও না। আমাদের যে লক্ষ্য আমরা অর্জন করতে পেরেছি, ধারাবাহিক ভালো ক্রিকেট খেলতে পেরেছি। চারটি দিন আমরা ওদের সঙ্গে প্রায় সমানে সমান ছিলাম। তরুণ যারা আছে, ওরাও উন্নতির জন্য খুব চেষ্টা করছে। এটা দলের জন্য ভালো লক্ষণ।’

তাইজুল আউট হলেই সাব্বির ঝুঁকি নিতেন এমন পরিকল্পনাই ছিল। কিন্তু তাইজুল আউট হওয়ার দুই বলের ব্যবধানে ফিরে যান শফিউলও, ‘সাব্বির তো আর একাই ৩৩ রান করতে পারবে না। সাব্বির যদি বাড়তি ঝুঁকি নিতে গিয়ে আউট হয়ে যেত তাহলে খেলার আগেই শেষ হয়ে যেত। পরিকল্পনা ছিল তাইজুল আগে যতটা সম্ভব সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করবে। এরপর আউট হলে সাব্বির সুযোগ নেবে।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :