সকাল ৬:১২, মঙ্গলবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / মিঠুনের আক্ষেপ এবং চ্যালেঞ্জ
মিঠুনের আক্ষেপ এবং চ্যালেঞ্জ
আগস্ট ১০, ২০১৬

ঘরোয়া ক্রিকেটে সাধারণত মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করে থাকেন মোহাম্মদ মিঠুন। বড় দৈর্ঘের ম্যাচে করেন চার বা পাঁচে আর সংক্ষিপ্ত সংস্করণে তিনে; কিন্তু এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়ে খেলেছেন ওপেনিং অথবা ছয়/সাত নম্বরে। পছন্দের জায়গায় খেলতে না পেরে কোন আফসোস নেই তার। তবে কিছুটা হলেও আক্ষেপ রয়েছে তার। সেটা প্রকাশ করেই বললেন, ‘এটাই জীবন’। তবে দলের প্রয়োজনে ও নিজের জায়গা গড়তে যে কোন পজিশনে খেলার কঠিন চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে মিঠুন বলেন, ‘আসলে এটাই জীবন। সাকিব ভাই, তামিম ভাই, মুশফিক ভাই যারা আছেন, নিজেদের প্রমাণ করেই তারা এক একটা পজিশনে সেট হয়ে গেছেন। আমাকেও কোন না কোন জায়গা সেট করতে হলে যেখানে সুযোগ পাবো সেখানে ভালো করতে হবে, তাহলেই জায়গাটা পাকা হবে।’

প্রত্যেক খেলোয়াড়ের একটা নির্দিষ্ট পজিশন থাকে, যেখানে সে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পান। এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও মিঠুন তিন নম্বরে ব্যাট করে সাফল্য পেয়েছেন। তবে নিজের জন্য কোন পজিশন ধার্য্য করে রাখেননি তিনি। দলের প্রয়োজনে যে কোন জায়গায় খেলতে প্রস্তুত।

‘হ্যাঁ, প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ের নিজের একটা তৃপ্তির জায়গা থাকে, যেখানে খেললে সে সাফল্য বেশি পায়। আসলে সব জায়গায় খেলতে হয়, ওর মধ্যে কিছু জায়গা থাকে যেখানে সাফল্য বেশি আসে, আর সবাই চায় সেখানেই খেলতে। তাই বলে আমি যদি ওটা চিন্তা করে বসে থাকি, তাহলে আমারই ক্ষতি। আমি তিনে খেলতে পছন্দ করি। জাতীয় লিগ বা বিসিএলে পাঁচ বা চারে ব্যাটিং করি।’

২০১৪ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু মিঠুনের। সেদিন ছয় নম্বরে নেমে শূন্য হাতে ফেরেন তিনি। তবে ওয়ানডের শুরুটা একেবারে মন্দ হয়নি তার। একই বছর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে তিন নম্বরে নেমে করেছিলেন ২৬ রান। আহামরি কিছু না হলেও দলের মোট রান জানলেই এটাকেই অনেক মনে হবে। ওই ম্যাচে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।

ওই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টির কারণে আর ব্যাটিং করা হয়নি তার। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও দলে ছিলেন; কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ইনজুরির কারণে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পর দেশে ফিরতে হয় তাকে। এরপর যেন হারিয়ে যাওয়া।

প্রায় দুই বছর বিরতির পর হঠাৎ করেই এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পান মিঠুন। ঘরোয়া ও প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করেই জায়গা করে নেন; কিন্তু বিশ্বকাপে ভালো করতে না পারায় বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তদের রোষানলে পড়েন তিনি। বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচের চার ইনিংসে ব্যাট করে করেছেন মাত্র ৩৭ রান।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :