রাত ১:৩৩, রবিবার, ২৫শে মার্চ, ২০১৭ ইং
/ হকি / `ভাঙ্গচুরে খেলা বন্ধই ছিল টার্নিং পয়েন্ট`
`ভাঙ্গচুরে খেলা বন্ধই ছিল টার্নিং পয়েন্ট`
জুলাই ১, ২০১৬

খেলার বয়স তখন বড় জোর ২০ মিনিট। ২-০ গোলে এগিয়ে ঊষা ক্রীড়া চক্র। একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে নিজেদের মাঝে বাকবিতণ্ডার লিপ্ত হলেন উষার নিলয় ও মেরিনারের মোহাম্মদ ইশতিয়াক। আম্পায়ার দুজনকে সবুজ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করতে না করতেই ছুটে এসে আম্পায়ারের সাথে অযথা তর্ক জুড়ে দিলেন মেরিনারের পাকিস্তানি মোহাম্মদ তৌফিক ।

আম্পায়ার তাকে তিন মিনিটের জন্য সাময়ীকভাবে বহিষ্কার করলে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মেরিনার খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়দের রাগ ক্ষোভের ঢেউ গিয়ে আছড়ে পড়ল ভিআইপি গ্যালারিতে। মেরিনার ইয়াংসের সমর্থকরা মুহূর্তের মধ্যে ভিআইপি গ্যালারিতে ভাঙ্গনের তান্ডব চালালেন। ১০ মিনিটের সেই ধ্বংসযজ্ঞে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের ভিআইপির তিন তলার সব কটা চেয়ার ভেঙ্গে টুকরো, টুকরো। ভিআইপির জানালার কাঁচও ভাঙ্গল কয়েকটি।

মেরিনার সমর্থকদের ঐ তান্ডবে খালি হয়ে গেল তিন তলার ভিআইপি বক্স। মহিলা দর্শক ও সমর্থকদের একাংশ নিরাপত্তার কথা ভেবে আশ্রয় নিলেন দোতলার প্রেস বক্সে। প্রায় ২০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকলো। অঘোষিত ফাইনালে মেরিনার সমর্থকদের এমন উশৃঙ্খল আচরণেরর তীব্র নিন্দা করেছেন উষা ক্রীড়া চক্রের প্রশিক্ষক মামুন উর রশিদ। শুধু নিন্দাই জানানোই নয়। উষা কোচ মনে করেন, ঐ গন্ডগোল ও ভাঙ্গচুরে খেলা বন্ধ হয়ে পড়াটা তার দলের জন্য বড় ক্ষতি হয়েছে।

জাতীয় দলের এ সাবেক অধিনায়ক খেলা শেষে বলেন, খেলা বন্ধ হবার আগে পর্যন্ত আমরা শুধু ২-০ গোলে এগিয়েই ছিলাম না, খেলার পূর্ন নিয়ন্ত্রণ ছিল আমাদের হাতে। ’

মামুন মেরিনার সমর্থকদের ঐ কর্মকান্ডকে রিতিমত সন্ত্রাসী কাজ বলে অভিহিত করেছেন। তার কথা, `কি আর বলবো? দুই গোল খাবার পর গ্যালারি ভাঙ্গচুর।

তাহলে আর এক গোল হলে নিশ্চয়ই আরও বড় ধরণের গন্ডগোল হতো। আমাদের পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা অমন গন্ডগোল দেখে হতচকিৎ। সত্যি কথা বলতে কি ঐ সময় আমাদের পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা ভয় পেয়ে গিয়েছিল।`



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :