রাত ৪:৩৭, রবিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / জেবি প্রিমিয়ার লিগ মাঠে গড়াচ্ছে রোববার
জেবি প্রিমিয়ার লিগ মাঠে গড়াচ্ছে রোববার
জুলাই ২৪, ২০১৬

‘জমবে খেলা মাতবে দেশ’ স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন আয়োজিত জেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের খেলা মাঠে গড়াচ্ছে রোববার। জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গত ২০ জুলাই উদ্বোধন হওয়া এ লিগ চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের ফুটবলের সবচাইতে বড় আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নবম আসর এটি। শুরুতে ‘বি’ লিগের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গত আটটি আসর থেকে এবারের বিপিএল একেবারে ভিন্ন। এবারই প্রথমবারের মত কোনো প্রতিষ্ঠান (সাইফ পাওয়ার টেক) বিপিএলের স্বত্ত্ব কিনে নিয়েছে এবং এবারই প্রথমবারের মত ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএল।

চট্টগ্রাম ভেন্যুর খেলা উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সিজেকেএস সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আ জ ম নাছির উদ্দীন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও সিজেকেএস সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেক এর স্বত্ত্বাধিকারী তরফদার মো. রুহুল আমিন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত থাকবেন।

২৪ জুলাই হতে ৩ আগস্ট পর্যন্ত এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে এ লিগের প্রথম তিন রাউন্ডের মোট ১৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বিপিএলের গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন লে. শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেড ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিনের ২য় ম্যাচে খেলবে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড ও উত্তর বারিধারা ক্লাব।

আর দুটি ম্যাচের মধ্যখানের প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা সময়ে যাতে দর্শকদের বিরক্তি না আসে সেজন্য থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। টিকিটের দাম রাখা হয়েছে দৈনিক ৬০ টাকা যা আয়োজকদের অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত বলেই ক্রীড়ামোদি মহলে সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি করেছে।

ইতোমধ্যেই অংশগ্রহণকারী ১২টি দল চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে। শনিবার ছয়টি দল অনুশীলন করেছে তিনটি ভেন্যুতে-দামপাড়া পুলিশ লাইন মাঠ, শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠ ও বন্দর স্টেডিয়ামে।

সাইফ পাওয়ার টেক-এর পৃষ্ঠপোষকতা, বাফুফের আয়োজন আর ইভেন্ট ম্যানেজার হিসেবে সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টস থাকলেও শনিবার সিজেকেএস সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিজেকেএস।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিপিএল চট্টগ্রাম ভেন্যুর মিডিয়া উপ-কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ আলী আব্বাস। বক্তব্য রাখেন লিগ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা, সিজেকেএস সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, বিপিএল স্থানীয় (চট্টগ্রাম) আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আবাহনীর মহাসচিব সামশুল হক চৌধুরী এমপি, সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টস লিমিটেডের কো-অর্ডিনেটর শাকিল মাহমুদ, বিপিএল স্থানীয় (চট্টগ্রাম) আয়োজক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রধান অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে গত ২০ জুলাই চোখধাঁধানো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দর্শকখরার বিষয়টি নিয়ে আয়োজকরা অকপটে স্বীকার করলেন, প্রচারের অভাবের কারণে এ অনুষ্ঠান দর্শক টানতে পারেনি। তবে প্রচারের কাজটা এবার তারা বেশ জোরে সোরে চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরো জানানো হয়, সিজেকেএস-এর কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে লিগের সবচাইতে বড় অনুষঙ্গ মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে শনিবার পর্যন্ত নির্ধারিত হয়নি খেলার খবর প্রচারের প্রধান মাধ্যম মিডিয়ার সাংবাদিকরা কোথায় বসবেন। ভেন্যুতে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ছিল না ম্যাচের আগের দিন পর্যন্ত। বিকল এসির কারণে ছোট প্রেস কনফারেন্স রুমে ছিল প্রচণ্ড গরম। অবশ্য সেখান থেকেই আয়োজকদের ঘোষণা-ভুল-ক্রুটি শুধরে, সবকিছুকে উতরে সুন্দরভাবে আয়োজন করতে পারবেন বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব। কিন্তু বিপিএল’র স্থানীয় (চট্টগ্রাম) আয়োজক কমিটির ব্যবস্থাপনায় ১৮টি ম্যাচের শিডিউল থাকলেও এ কমিটির লোকজন কারা, এমনকি দু’এক জন ছাড়া সিজেকেএস’র কর্মকর্তাদেরও কেন কোনো কাজে দেখা যাচ্ছে না যা সুষ্ঠু আয়োজন নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি করাটাই স্বাভাবিক।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :