দুপুর ২:৩৯, বৃহস্পতিবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / গোলের খেলা ফুটবল। বিগত এক যুগ ধরে সেই গোলের খেলা ফুটবলকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তাঁরা। পেলে, ম্যারাডোনা, গারিঞ্চা, ক্রুইফ, রোনালদো, জিদান, রোনালদিনহোর মত কিংবদন্তী ফুটবলাররা ধীরে ধীরে ফুটবলে আসলেও একে অন্যের সঙ্গে কখনই এত বছর পরস্পর লড়াই করে যেতে পারেনি। মেসি-রোনালদোর কল্যাণেই বর্তমান প্রজন্ম পেয়েছে ফুটবলের এক ঐতিহাসিক যুগ। আর সে যুগে নতুন করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্লাবের হয়ে মেসি-রোনালদো- দুজনেরই জেতা হয়ে গেছে সম্ভাব্য সব শিরোপা। ব্যক্তিগত শিরোপাগুলোও তালুবন্দি করেছেন তারা; কিন্তু দেশের হয়ে সবসময়েই ব্রাত্য ছিলেন দু`জন। এবার এই এক জায়গাতেই মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো। পর্তুগালের লাল-সবুজ জার্সি গায়ে জিতলেন প্রথম শিরোপা। আর মেসি? ২০১৬ সালের কথাটাই ধরা যাক না! একই বছর একই সময় দুটি ভিন্ন প্রতিযোগিতায় মাঠে নেমেছিলেন মেসি এবং রোনালদো। যেখানে রোনালদো দলকে ইউরো জেতালেন সেখানে মেসিকে কোপার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল। পুরো কোপা আমেরিকাতেই মেসির আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মত। ৫ ম্যাচে ৫ গোলের পাশাপাশি করেছেন ৪টি এসিস্ট। অন্যদিকে রোনালদো ৭ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল এবং ৩টি এসিস্ট। শট একুরেসিতেও এগিয়ে মেসি। কোপা আমেরিকায় মেসি ১৬টি শট নিয়েছেন যার ৯টি ছিল অন টার্গেট। পক্ষান্তরে রোনালদোর ৪৬টি শটের মধ্যে ১৬টি কেবল অনটার্গেট ছিল। মেসির শট একুরেসি যেখানে ৫৬ ভাগ সেখানে রোনালদোর ২৫ ভাগ। মেসি আবার খেলেছেন রোনালদোর অর্ধেক সময়। মেসি যেখানে ৩৭৪ মিনিট খেলেছেন রোনালদো সেখানে খেলেছেন ৬২৫ মিনিট। তবে আরেকটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, কোপা আমেরিকায় যেখানে ১৬ দলের টুর্নামেন্ট সেখানে ইউরো হল ২৪ দলের। এত ভালো খেলেও মেসিকে চোখের জলে রানার্সআপ হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হলো। অন্যদিকে দলের সতীর্থদের একনিষ্ঠ লড়াই করার মনোভাব এবং রোনালদোর অদম্য মানসিকতার ফলেই তার পর্তুগাল ছিনিয়ে নেয় প্রথমবারের মত ইউরো শিরোপা। এই এক জায়গাতেই মেসিকে হারিয়ে অনেক উঁচুতে উঠে গেলেন রোনালদো। এবারের ইউরো তো গেল। আরেকটু পেছনে ফিরে যাই। ২০০৪ ইউরো থেকে ধরা যাক, তখনও কৈশোরের ছাপ যায়নি রোনালদোর চেহারা থেকে। ঐ সময়েই রুই কস্তা, ফিগো, ডেকো, পোস্তিগাদের ভিড়ে রোনালদোকে খুঁজে পাওয়া ভার। সেই টুর্নামেন্টে ৪১৮ মিনিট খেলে করেছিলেন ২ গোল। এসিস্টও ছিল তার ২টি। হয়েছিলেন ইউরোর রানার্সআপ। নিজের প্রথম কোন টুর্নামেন্টে খেলেই রানার্সআপ হয়ে চোখের জলে বিদায় নিয়েছিলেন রোনালদো। রোনালদোর মত মেসিরও কোপা ভাগ্য শুরু হয় রানার্সআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে। ২০০৭ সালে ভেনেজুয়েলাতে হওয়া কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে হারতে হয় মেসির আর্জেন্টিনাকে। ফাইনালে হারলেও পুরো টুর্নামেন্টেই দ্যুতি ছড়িয়েছিলেন মেসি। ৬টি ম্যাচ খেলে ২ গোলের পাশাপাশি ১টি অ্যাসিস্টও ছিল তার। হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ফুটবলারও। ২০০৮ ইউরোতে আরো পরিণত রোনালদো; কিন্তু তার দলকে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়। টুর্নামেন্টে ২৭০ মিনিট খেলে ১ গোল করেন রোনালদো। ছিল না কোন এসিস্ট। কাকতালীয়ভাবে তার মত মেসিও কোপা আমেরিকার ২০১১ টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেন। টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচ খেলে একটি গোলও করতে পারেননি, তবে এসিস্ট ছিল তিনটি। ২০১২ ইউরোতেও অব্যাহত ছিল রোনালদো শো। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও ৫ ম্যাচে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৩ গোল করেছিলেন তিনি। পক্ষান্ত্রে ২০১৫ কোপা আমেরিকাতে ৬ ম্যাচ খেলে মেসি মোটে করেছিলেন ১ গোল এবং ৩ এসিস্ট। দলকে ফাইনালে তুললেও এবারেও রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় মেসিকে। চারটি ইউরো টুর্নামেন্ট বিবেচনা করলে ইউরো ইতিহসে সর্বোচ্চ ১৭টি ম্যাচে ৯টি গোল করেছেন রোনালদো এবং এসিস্ট রয়েছে ৫টি। হয়েছেন ইউরোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা। অন্যদিকে চারটি কোপা আমেরিকায় ২১টি ম্যাচে ৮টি গোল এবং ১১টি এসিস্ট করেছেন মেসি। মেসি যেখানে কোপার ফাইনালে খেলেছেন তিনবার সেখানে রোনালদো ইউরোয় খেলেছেন দুবার। তবে মজার ব্যাপার হলো ইউরো কিংবা কোপা- কোন টুর্নামেন্টের ফাইনালেই মেসি কিংবা রোনালদো কেউ কোন গোল করতে পারেননি। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে রোনালদোর ভাগ্যে ১টি ইউরো জুটলেও মেসির কপালে জুটেনি কোপার কোন শিরোপা। মেসির থেকে আরো একদিক দিয়ে এগিয়ে থাকবেন রোনালদো। অদম্য মানসিকতা, লড়াকু মনোভাব, হাল ছেড়ে না দেওয়া এবং কঠোর পরিশ্রম এ সবকিছুই রোনালদোকে এগিয়ে রাখছে মেসির থেকে। পর্তুগালের মত দলে খেলেও তারকাখ্যাতি সম্পন্ন সতীর্থদের অভাবের ভেতরে দলকে এক সুতোয় গাঁথতে বেশ পটু সিআরসেভেন। অন্যদিকে তারকায় ঠাঁসা আর্জেন্টিনা দলে সতীর্থদের অবমূল্যায়নের অভাবেই বারবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে মাথা নুইয়ে বিদায় নিতে হয়েছে মেসিকে। একবার ভাবুন তো, মেসি যদি আজ যে তিনটি কোপার রানার্সআপ হয়েছেন সেই তিনটি কোপা জিততেন তাহলে তার জায়গা ফুটবল ইতিহাসে কোথায় হতো? সেটি হয়নি বিধায় আজ রোনালদো -১ এবং মেসি- ০।
গোলের খেলা ফুটবল। বিগত এক যুগ ধরে সেই গোলের খেলা ফুটবলকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তাঁরা। পেলে, ম্যারাডোনা, গারিঞ্চা, ক্রুইফ, রোনালদো, জিদান, রোনালদিনহোর মত কিংবদন্তী ফুটবলাররা ধীরে ধীরে ফুটবলে আসলেও একে অন্যের সঙ্গে কখনই এত বছর পরস্পর লড়াই করে যেতে পারেনি। মেসি-রোনালদোর কল্যাণেই বর্তমান প্রজন্ম পেয়েছে ফুটবলের এক ঐতিহাসিক যুগ। আর সে যুগে নতুন করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্লাবের হয়ে মেসি-রোনালদো- দুজনেরই জেতা হয়ে গেছে সম্ভাব্য সব শিরোপা। ব্যক্তিগত শিরোপাগুলোও তালুবন্দি করেছেন তারা; কিন্তু দেশের হয়ে সবসময়েই ব্রাত্য ছিলেন দু`জন। এবার এই এক জায়গাতেই মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো। পর্তুগালের লাল-সবুজ জার্সি গায়ে জিতলেন প্রথম শিরোপা। আর মেসি? ২০১৬ সালের কথাটাই ধরা যাক না! একই বছর একই সময় দুটি ভিন্ন প্রতিযোগিতায় মাঠে নেমেছিলেন মেসি এবং রোনালদো। যেখানে রোনালদো দলকে ইউরো জেতালেন সেখানে মেসিকে কোপার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল। পুরো কোপা আমেরিকাতেই মেসির আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মত। ৫ ম্যাচে ৫ গোলের পাশাপাশি করেছেন ৪টি এসিস্ট। অন্যদিকে রোনালদো ৭ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল এবং ৩টি এসিস্ট। শট একুরেসিতেও এগিয়ে মেসি। কোপা আমেরিকায় মেসি ১৬টি শট নিয়েছেন যার ৯টি ছিল অন টার্গেট। পক্ষান্তরে রোনালদোর ৪৬টি শটের মধ্যে ১৬টি কেবল অনটার্গেট ছিল। মেসির শট একুরেসি যেখানে ৫৬ ভাগ সেখানে রোনালদোর ২৫ ভাগ। মেসি আবার খেলেছেন রোনালদোর অর্ধেক সময়। মেসি যেখানে ৩৭৪ মিনিট খেলেছেন রোনালদো সেখানে খেলেছেন ৬২৫ মিনিট। তবে আরেকটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, কোপা আমেরিকায় যেখানে ১৬ দলের টুর্নামেন্ট সেখানে ইউরো হল ২৪ দলের। এত ভালো খেলেও মেসিকে চোখের জলে রানার্সআপ হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হলো। অন্যদিকে দলের সতীর্থদের একনিষ্ঠ লড়াই করার মনোভাব এবং রোনালদোর অদম্য মানসিকতার ফলেই তার পর্তুগাল ছিনিয়ে নেয় প্রথমবারের মত ইউরো শিরোপা। এই এক জায়গাতেই মেসিকে হারিয়ে অনেক উঁচুতে উঠে গেলেন রোনালদো। এবারের ইউরো তো গেল। আরেকটু পেছনে ফিরে যাই। ২০০৪ ইউরো থেকে ধরা যাক, তখনও কৈশোরের ছাপ যায়নি রোনালদোর চেহারা থেকে। ঐ সময়েই রুই কস্তা, ফিগো, ডেকো, পোস্তিগাদের ভিড়ে রোনালদোকে খুঁজে পাওয়া ভার। সেই টুর্নামেন্টে ৪১৮ মিনিট খেলে করেছিলেন ২ গোল। এসিস্টও ছিল তার ২টি। হয়েছিলেন ইউরোর রানার্সআপ। নিজের প্রথম কোন টুর্নামেন্টে খেলেই রানার্সআপ হয়ে চোখের জলে বিদায় নিয়েছিলেন রোনালদো। রোনালদোর মত মেসিরও কোপা ভাগ্য শুরু হয় রানার্সআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে। ২০০৭ সালে ভেনেজুয়েলাতে হওয়া কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে হারতে হয় মেসির আর্জেন্টিনাকে। ফাইনালে হারলেও পুরো টুর্নামেন্টেই দ্যুতি ছড়িয়েছিলেন মেসি। ৬টি ম্যাচ খেলে ২ গোলের পাশাপাশি ১টি অ্যাসিস্টও ছিল তার। হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ফুটবলারও। ২০০৮ ইউরোতে আরো পরিণত রোনালদো; কিন্তু তার দলকে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়। টুর্নামেন্টে ২৭০ মিনিট খেলে ১ গোল করেন রোনালদো। ছিল না কোন এসিস্ট। কাকতালীয়ভাবে তার মত মেসিও কোপা আমেরিকার ২০১১ টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেন। টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচ খেলে একটি গোলও করতে পারেননি, তবে এসিস্ট ছিল তিনটি। ২০১২ ইউরোতেও অব্যাহত ছিল রোনালদো শো। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও ৫ ম্যাচে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৩ গোল করেছিলেন তিনি। পক্ষান্ত্রে ২০১৫ কোপা আমেরিকাতে ৬ ম্যাচ খেলে মেসি মোটে করেছিলেন ১ গোল এবং ৩ এসিস্ট। দলকে ফাইনালে তুললেও এবারেও রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় মেসিকে। চারটি ইউরো টুর্নামেন্ট বিবেচনা করলে ইউরো ইতিহসে সর্বোচ্চ ১৭টি ম্যাচে ৯টি গোল করেছেন রোনালদো এবং এসিস্ট রয়েছে ৫টি। হয়েছেন ইউরোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা। অন্যদিকে চারটি কোপা আমেরিকায় ২১টি ম্যাচে ৮টি গোল এবং ১১টি এসিস্ট করেছেন মেসি। মেসি যেখানে কোপার ফাইনালে খেলেছেন তিনবার সেখানে রোনালদো ইউরোয় খেলেছেন দুবার। তবে মজার ব্যাপার হলো ইউরো কিংবা কোপা- কোন টুর্নামেন্টের ফাইনালেই মেসি কিংবা রোনালদো কেউ কোন গোল করতে পারেননি। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে রোনালদোর ভাগ্যে ১টি ইউরো জুটলেও মেসির কপালে জুটেনি কোপার কোন শিরোপা। মেসির থেকে আরো একদিক দিয়ে এগিয়ে থাকবেন রোনালদো। অদম্য মানসিকতা, লড়াকু মনোভাব, হাল ছেড়ে না দেওয়া এবং কঠোর পরিশ্রম এ সবকিছুই রোনালদোকে এগিয়ে রাখছে মেসির থেকে। পর্তুগালের মত দলে খেলেও তারকাখ্যাতি সম্পন্ন সতীর্থদের অভাবের ভেতরে দলকে এক সুতোয় গাঁথতে বেশ পটু সিআরসেভেন। অন্যদিকে তারকায় ঠাঁসা আর্জেন্টিনা দলে সতীর্থদের অবমূল্যায়নের অভাবেই বারবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে মাথা নুইয়ে বিদায় নিতে হয়েছে মেসিকে। একবার ভাবুন তো, মেসি যদি আজ যে তিনটি কোপার রানার্সআপ হয়েছেন সেই তিনটি কোপা জিততেন তাহলে তার জায়গা ফুটবল ইতিহাসে কোথায় হতো? সেটি হয়নি বিধায় আজ রোনালদো -১ এবং মেসি- ০।
জুলাই ১৩, ২০১৬

বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা এবং ভারতের ক্রিকেট দলের টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহলির প্রেমের রসায়ন যেন শেষ হচ্ছেই না। যখনই মনে হয় যে তাদের প্রেমের চ্যাপ্টার মনে হয় ক্লোজড হয়ে যাচ্ছে তখনই নতুন খবর সামনে চলে আসে। এবার কোহলির পাশে থেকে সমর্থন করতে ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাচ্ছেন আনুশকা শর্মা।

চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ক্যারিবিয়ান দীপপুঞ্জে রয়েছে ভারতীয় টেস্ট দল। সেখানেই যাওয়ার কথা আনুশকা। উপমহাদেশের বাইরে এই প্রথম দেশের অধিনায়কত্ব করবেন বিরাট কোহালি। সেই সময় প্রেমিকা থাকবেন তার পাশে। রাহানে, জাদেজা, মুরলি বিজয়, চেতেশ্বর পূজারা, রোহিত শর্মা, স্টুয়ার্ট বিনিদের স্ত্রীরাও যাচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজে।

এদিকে আইপিএলের পর থেকে আবার শোনা যায় এই সেলিব্রিটি জুটি আবার এক হচ্ছেন। এতদিন ব্যাপারটা লুকনো থাকলেও এবার হয়তো তা প্রকাশ্যে আসতে চলেছে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :