রাত ৯:০৩, মঙ্গলবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / জামালকে হারিয়ে সুপার সিক্সে মোহামেডান
জামালকে হারিয়ে সুপার সিক্সে মোহামেডান
জুন ৮, ২০১৬

শেখ জামালকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ নিশ্চিত করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং কাব।
স্কোরবোর্ডের হিসেবে মোহামেডান সহজেই জয় নিশ্চিত করেছে। তবে এর পিছনে যে শেখ জামালের অবদান ছিল না তা অস্বীকার করাও কঠিন হবে!
ব্যাটিং কিংবা ফিল্ডিং দুই বিভাগেই যেকোনো দল ‘ফপ’ হতে পারে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু জয় কিংবা লড়াইয়ের আগ্রাসন না দেখানো ভিন্ন কিছ্রু ইঙ্গিত দেয়! ধীর গতির ব্যাটিং, উইকেট উপহার দেওয়ার প্রবণতা, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে খাপছাড়া ভাব সবারই দৃষ্টি কেড়েছে!
এমন না শুধু মোহামেডানের জয়ের প্রয়োজন ছিল। শেখ জামাল জিতলেও সুপার লিগের লড়াইয়ে টিকে থাকত। অন্তত রেলিগেশন এড়ানোর প্রয়োজন হত না তাদের। কিন্তু ম্যাচ হেরে রেলিগেশন লিগ খেলার পথে ধানমন্ডি পাড়ার কাবটি।
বুধবার উইকেট প্রস্তুত না থাকায় নির্ধারিত সময়ের দুই ঘন্টা পর সকাল ১১টায় ম্যাচ শুরু হয়। ৫০ ওভারের ম্যাচ নেমে আসে ৪২ ওভারে। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শেখ জামাল ধানমন্ডি কাব কোনোমতে ১৮৭ রানের পুঁজি পায়। ভালো শুরুর পরও দলের ব্যাটসম্যানরা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দলের ছয় ব্যাটসম্যান ভালো শুরু পেলেও তিরিশের অঙ্ক ছুঁতে পারেননি! সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন মাহবুবুল করিম। জাবিদ হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। ২৭ করে রান করেছেন মার্শাল আইয়ুব ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৫ করে রান করেন নাজমুস সাদাত ও শফিউল ইসলাম।
সম্মিলিত ব্যাটিং প্রচেষ্টায় ধানমন্ডি পাড়ার কাবটি ৪২ ওভারে ১৮৭ রান করে। অবশ্য শেখ জামালের ব্যাটসম্যানরা নিজেদের উইকেটও বিলিয়ে আসেন। এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্পড হন মাহবুবুল করিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বল নিচুঁ হয়ে আসায় বোল্ড হন মার্শাল। ২৭ রান করা মার্শাল ব্যক্তিগত ১ রানে জীবন পান। নাঈম ইসলাম জুনিয়রের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে বল মিস করেন। উইকেটরক মুশফিক বল ধরতে না পারায় জীবন পান ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। শেষ দিকে জাবিদ হাসান শুভাষিসের বলে মারতে গিয়ে ডিপ কভারে ক্যাচ দেন। ৫ রান করা আরাফাত সানী বিপুল শর্মার বলে মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন।
উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভারতের বাঁহাতি স্পিনার বিপুল শর্মা ৯ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন নাজমুল হোসেন, হাবিবুর রহমান, শুভাষিস রায় ও নাঈম ইসলাম জুনিয়র।
সহজে ল্েয ব্যাটিং করতে নেমে প্রতিরোধহীন লড়াইয়ে ৫৮ বল আগে জয় নিশ্চিত হয় মোহামেডানের। ব্যাট হাতে দূত্যি ছড়ান নাঈম ইসলাম ও মুশফিকুর রহিম। নাঈম ৫১ রান করে মাহমুদউল্লাহর বলে ফিরে গেলে মুশফিক দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৮২ বলে ৭ চার ২ ছক্কায় ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন টেস্ট দলপতি। এ ইনিংস খেলার পথে মুশফিক দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে (১৮ রান করে) লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ছয় হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন। অবশ্য ব্যক্তিগত ৩২ রানে পেসার মাসুদ রানার বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ উঠিয়ে দেন মুশফিক। কিন্তু বোলিংয়ের সময় স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো মাহমুদউল্লাহ কথা বলায় আম্পায়ার বলটি নো বল কল করেন। বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ রান করেন বিপুল শর্মা। ম্যাচসেরাও নির্বাচিত হন তিনি।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :