দুপুর ১২:৩৪, বৃহস্পতিবার, ২৭শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / আবাহনী-দোলেশ্বর স্থগিত ম্যাচের সিদ্ধান্ত সিসিডিএমে
আবাহনী-দোলেশ্বর স্থগিত ম্যাচের সিদ্ধান্ত সিসিডিএমে
জুন ১২, ২০১৬

সুপার লিগের প্রথম রাউন্ডের আবাহনী লিমিটেড-প্রাইম দোলেশ্বর ম্যাচটি স্থগিত ঘোষণা করেছেন ম্যাচ রেফারি। লিগের আয়োজক-ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিসের (সিসিডিএম) সভায় স্থগিত ম্যাচটি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন সিসিডিএম-সমন্বয়ক আমিন খান।
ম্যাচে অপ্রীতিকর যে ঘটনা ঘটেছে তা রিপোর্টে জানিয়েছেন ম্যাচ রেফারি মন্টু দও। ফাইলবন্দি রিপোর্টটি সিসিডিএমের সভায় তোলা হবে। ম্যাচ নিয়ে একক সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা থাকলেও সেটি দেননি ম্যাচ রেফারি।
সিসিডিএমের সদস্য সচিব রাকিব হায়দার পাভেল সিসিডিএমের কাছে ম্যাচটির সিদ্ধান্ত তুলে দেওয়ায় কিছুটা বিব্রত। মুঠোফোনে তিনি জানান, ‘শুনলাম ম্যাচ রেফারি নাকি সিসিডিএমের উপর সিদ্ধান্ত চাপাচ্ছে। ক্রিকেটের নিয়ম আমি যা জানি তাতে ম্যাচ রেফারির সিদ্ধান্তের ব্যাপার এটি। নিয়ম হয়তো এখন নতুন করে জানতে, শিখতে হবে।’
প্রাইম দোলেশ্বর কর্তৃপক্ষ ম্যাচটি স্থগিত করার কারণ জানতে চাইলে ম্যাচ রেফারি তাদের জানিয়েছেন আম্পায়ার তানভির হায়দার নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। রেফারির দেয়া রিপোর্টে মাঠের আসল ঘটনা উঠে আসবে কিনা-এ নিয়ে সন্দিহান দোলেশ্বর শিবির।
এর আগেও বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠেই এ দুটি দলের ম্যাচে আম্পায়ারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আম্পায়ার রেজওয়ান ওই ম্যাচটিতে আবাহনীর পক্ষে দুটি বাজে সিদ্ধান্ত দিয়ে বিতর্কিত হন।
রোববার আবাহনীর বোলারের একটি আবেদন নাকচ করায় তামিম ইকবালসহ আবাহনী সমর্থকরা লাগামহীনভাবে গালিগালাজ করায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন আম্পায়ার তানভির আহমেদ।
৪৫ ওভারের ম্যাচে আবাহনীর দেয়া ১৯২ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা দোলেশ্বরের ইনিংস ১৭ ওভার অতিবাহিত হলে আম্পায়াররা তামিম ইকবালের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকাল ৩টা ১৮ মিনিটে মাঠ ছাড়েন। ঘণ্টাখানেক পর ম্যাচটি স্থগিত করেন ম্যাচ রেফারি।
ইনিংসের ১৬তম ওভারে ঘটনার সূত্রপাত। সাকলাইন সজীবের বলে রকিবুল হাসান তখন ব্যাট করছিলেন। একটি স্ট্যাম্পিংয়ের আবেদনে সাড়া না দিলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আবাহনী শিবির। এরপর ১৭তম ওভারে গড়ায় ম্যাচটি। তখনও চলতে থাকে গালিগালাজ। লাগামহীন গালিগালাজে বাধ্য হয়ে মাঠ ছাড়েন দুই আম্পায়ার। ততক্ষণে ১৭ ওভার খেলে দুই উইকেট হারিয়ে ৫৯ রান তোলে দোলেশ্বর।
সকালে বৃষ্টির কারণে দেড় ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয় ম্যাচটি। ৪৫ ওভারে নামিয়ে আনা ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪২.৪ ওভারে ১৯১ রানে সবকটি উইকেট হারায় আবাহনী। নাজমুল হোসেন শান্ত সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন। লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৪৮ রান।
দোলেশ্বরের আল আমিন হোসেন ও সাঞ্জামুল ইসলাম নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। ৯ ওভারে ৩২ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন নাসির হোসেন। শচীন বেবি নিয়েছেন একটি উইকেট।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :