বিকাল ৪:৩৩, সোমবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / মোসাদ্দেক জেতালেন আবাহনীকে
মোসাদ্দেক জেতালেন আবাহনীকে
মে ২৮, ২০১৬

মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে চড়ে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে তিন উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় পেল আবাহনী লিমিটেড। ইনিংসের শেষ দুই বলে যথাক্রমে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক।

বৃষ্টির কারণে দোলেশ্বর নির্ধারিত ২৮ ওভারে শেষে সাত উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান তোলে। জয়েল লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইনিংসের শেষ বলে সাত উইকেট হারিয়ে ১৯৪ করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তামিম ইকবাল বাহিনী।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় আবাহনী। তবে টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত’র ৩৯ ও সদ্য আইপিএল থেকে ফেরত সাকিব আল হাসান করেন ৪৫ রান। কিন্তু শেষ দিকে মোসাদ্দেকের ৩৫ বলে ৫৭ রানে দুর্দান্ত ইনিংসের সুবাদে দোলেশ্বরের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে আবাহনী। মোসাদ্দেক তার ইনিংসটি সাজান সাত চার ও দুই ছক্কায়।

দোলেশ্বর বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন আল-আমিন হোসেন ও ফরহাদ রেজা।একটি উইকেট পান নাসির হোসেন ও আশোক মেনারিয়া।
Modasser
এর আগে বৃষ্টির কারণে ২৮ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে লড়াইয়ের পুঁজি পায় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আবাহনীর বিপক্ষে নাসির হোসেনের ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান তোলে দোলেশ্বর।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আবাহনীর বোলিং আক্রমণের সামনে শুরুতেই ভেঙে পড়ে দোলেশ্বরের টপঅর্ডার। লিগের টপস্কোরার ইমতিয়াজ হোসেন (০) সাজঘরে ফেরেন ইনিংসের প্রথম বলেই। তাসকিন আহমেদের লেগ স্ট্যাম্পের উপর করা বলে ফ্লিক করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন ইমতিয়াজ। দলীয় রান ৩৫ ছুঁতেই ফিরে যান রনি তালুকদার (১৮) ও অশোক মানেরিয়া (১)।

দলীয় ৫৮ রানে উইকেটে থিতু হওয়া রকিবুল হাসান ২৫ রান করে সাকিব আল হাসানের শিকার হলে চাপে পড়ে দলটি। সেখান থেকে নাসির হোসেনের সঙ্গে সাঞ্জামুল ইসলাম পঞ্চম উইকেটে ৭৮ রানের জুটি গড়ে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান দলকে। ৪০ রান করে সাঞ্জামুল রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলেও একাই লড়ে যান নাসির হোসেন।

তাসকিনের করা ইনিংসের ২৫তম ওভারে দুটি ছক্কা ও একটি চারে ২০ রান তোলেন নাসির। ওই ওভারের শেষ বলে রজত ভাটিয়য়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ৫৬ বলে ৪টি চার ও দুটি ছক্কায় ৭২ রান করে ফেরেন নাসির।

দোলেশ্বরের লড়াকু স্কোর পেতে সাহায্য করেন আবাহনীর ফিল্ডাররাই। সহজ চারটি ক্যাচ ছাড়েন তিন ফিল্ডার। দলীয় ৭০ রানে সাঞ্জামুলের ব্যক্তিগত সংগ্রহ যখন ৬, তখন তৌহিদুল ইসলামের ক্যাচ মিসে জীবন পান সাঞ্জামুল। দলীয় ৯৩ রানে ব্যক্তিগত ১৩ রান যখন সাঞ্জামুলের তখন স্কয়ার লেগে সহজ ক্যাচ ছাড়েন আবুল হাসান রাজু। শেষ দিকে মিড উইকেটে নাসির হোসেনের ক্যাচ ফসকে যায় তামিম ইকবাল ও শাহজাদার সংঘর্ষে। তামিম ক্যাচটি হাতে লুফে নিলেও শাহজাদার সঙ্গে ধাক্কায় তামিম আর হাতে রাখতে পারেননি ক্যাচটি।

তাসকিন আহমেদ ৬ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান, সাকলাইন সজীব ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :