দুপুর ১২:০৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ই আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / গাজী গ্রুপকে হারিয়ে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো আবাহনী
গাজী গ্রুপকে হারিয়ে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো আবাহনী
মে ২৫, ২০১৬

টানা তিন ম্যাচ হারের পর জয়ের দেখা পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৩২ রানের জয় পায় ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দলটি। ফলে আট ম্যাচে চতুর্থ জয় নিয়ে সুপার সিক্সের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো দলটি। রান রেটে পয়েন্ট তালিকার ছয় নম্বরে উঠে এসেছে তামিমের দল। অপর দিকে এ হারের পরও রান রেটে আবাহনীর উপরে পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছে গাজী গ্রুপ।

বৃষ্টির কারণে আবাহনীর আগের দিনের দেওয়া ২৭৭ রানের লক্ষ্যে বুধবার খেলতে নামে গাজী গ্রুপ। ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই এনামুল হক বিজয়কে হারায় তারা। ২৫ রান তুলতেই আর তিন উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পরে তারা। এরপর দলীয় ৬৪ রানে অলকের বিদায়ে সে চাপ আরও বেড়ে যায়। তবে ষষ্ঠ উইকেটে ইলিয়াস সানিকে নিয়ে চেষ্টা করেন শামসুর রহমান শুভ।

দলীয় ১০৩ রানে সানি বিদায় নিলে বড় হারের শঙ্কায় পরে গাজী গ্রুপ। তবে সপ্তম উইকেটে ফারুক হোসেনকে নিয়ে দারুণ এক জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান শামসুর। এ দুই ব্যাটসম্যান দলের পক্ষে ৭৫ রান করেন। তবে ফারুকের বিদায়ের পর আবার নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ফলে ১১ বল বাকি থাকতেই ২৪৪ রানে অল আউট হয় যায় তারা।

এক প্রান্তে দারুণ ব্যাট করে সেঞ্চুরি তুলে নেন শামসুর। ১৩০ বল মোকাবেলা করে ১৩৬ রান করেন তিনি। এ রান করতে ১৩ টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন এ ওপেনার। এছাড়া ফারুক ২৯ ও শরীফ ২৫ রান করেন। আবাহনীর পক্ষে ৩২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট পান তাসকিন আহমেদ। এছাড়া আবুল হোসেন ও রজত ভাটিয়া ২টি করে উইকেট পান।

এর আগে মঙ্গলবার সাভারের বিকেএসপিতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে আবাহনী। দলীয় ১৫ রানে অভিষেক মিত্রর বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। এ দুই ব্যাটসম্যানের ৯২ রানের জুটির পর পঞ্চম উইকেট জুটিতে শতরানের জুটি করেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান রজত ভাটিয়া ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

৮৮ বলে ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯০ রান করেন ভাটিয়া। এছাড়া তামিম ইকবাল ৫৫ ও সৈকত ৪৭ রান করেন। গাজী গ্রুপের পক্ষে এদিন নয় জন বোলার বল করেন। দলের পক্ষে মেহেদী হাসান ৩২ রানে ২টি উইকেট নেন। এরপর মধ্যাহ্ন বিরতির পর সেখানে তুমুল বৃষ্টি হলে বুধবার রিজার্ভ ডেতে খেলা দিতে বাধ্য হন আম্পায়াররা।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :