রাত ৪:৩২, শুক্রবার, ৩০শে মার্চ, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / ১১ বছর পর মাহবুবুলের সেঞ্চুরি
১১ বছর পর মাহবুবুলের সেঞ্চুরি
এপ্রিল ২৬, ২০১৬

চলতি মৌসুমে শেখ জামালের হয়ে খেলছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহবুবুল করিম। প্রথম রাউন্ডে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমির হয়ে ৭৮ রান করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় রাউন্ডেও তার ব্যাট হেসেছে। মঙ্গলবার আবাহনীর বিপক্ষে ১৩০ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। চলতি আসরের দুই ম্যাচে ২০৮ ইতিমধ্যে করে ফেলেছেন মাহবুবুল আলম। লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। প্রথম সেঞ্চুরিটি পেয়েছিলেন এগারো বছর আগে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে।

এ প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে ২০০৪-০৫ মৌসুমে কলাবাগানের হয়ে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছিলাম। অনেকদিন পর সেঞ্চুরি পেলাম। তবে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে গতবছর সেঞ্চুরি আছে চট্টগ্রামের হয়ে বরিশালের বিপক্ষে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে।’

২০০৮ সালে বাংলাদেশ থেকে যখন ভারতে আইসিএল খেলতে যান বাশার-কাপালিরা, তখন ওই দলে ছিলেন মাহবুবুল আলম। আইসিএল জাতীয় দলের খেলার স্বপ্নটা ধ্বংস করে দিল কিনা এমন প্রশ্নে কিছুক্ষণ চুপ থেকে মাহবুবুল করিম বলেন, ‘আইসিএল না খেললে হয়তো হতেও পারতো; নাও হতে পারতো। আমার কাছে খেলাটাই আসল। আমার স্বপ্ন ছিল সেখানে লিজেন্ডদের সঙ্গে খেলবো। তবে নিষিদ্ধ একটি টুর্নামেন্টে খেলতে গিয়েছি এই জন্য অপরাধবোধ কাজ করে।’

দ্বিতীয় উইকেটে মার্শাল ও মাহবুবুল মিলে ১২৫ রানের জুটি গড়েন। কী লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম চিন্তা ছিল ওভার টু ওভার রান করা। অধিনায়ক বলেছিলেন ওভার প্রতি ৫-৬ করে রান নিতে হবে। আর অধিনায়ক আমাকে সাপোর্ট করেছে যে তুমি তোমার মত ফ্রি খেল।’

প্রত্যেক ক্লাবে একজন করে বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর ফলে তরুণ খেলোয়াড়রা খেলার ‍সুযোগ পাচ্ছে। যার ফলে খেলোয়াড়দের স্কিল বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে মাহবুবুল করিম বলেন, ‘লিগে প্রতি বছর যদি ৩ জন করে বিদেশি খেলোয়াড় খেলানোর ফলে ৩৬ জন দেশি খেলোয়াড় কমে যাচ্ছিলো। এবার একজনে করে খেলানো হচ্ছে। কারণ এখন আমাদের ক্লাবগুলো বিশ্বাস করে তরুণদের সুযোগ করে দেওয়া প্রয়োজন।’ ১৩০ রান করার পরও নিজেকে হিরো ভাবছেন না তিনি। তার দৃষ্টিতে হিরো অবশ্যই মুক্তার। তিনি বলেন, ‘আমার সেঞ্চুরি যেমন মুক্তারের ছয়ও তেমন। হিরো অবশ্যই মুক্তার।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :