সকাল ৮:৫৯, রবিবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / কামরুলের প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন গোলাম রব্বানী
কামরুলের প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন গোলাম রব্বানী
এপ্রিল ১৭, ২০১৬

বাফুফে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ‘বাঁচাও ফুটবল’ প্যানেলের কামরুল আশরাফ খান এমপি’র সভাপতি পদে দাঁড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রব্বানী হেলাল। তিনি বলেন, ‘উনি একজন ডেলিগেট। আমি উনার ভোট প্রত্যাশা করেছিলাম। আমার উদ্যোগেই তিনি ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে ভোটার হন। এখন দেখছি তিনি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে গেছেন। তিনি ফুটবলে সম্পৃক্ত কিনা তা আমার জানা নেই। কেনইবা তিনি সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন তাও আমার বোধগম্য নয়।’

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন হেলালের অন্যতম ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। খেলোয়াড়ী জীবন ছাড়াও ব্যক্তিগত দুজনের মধ্যে বেশ বন্ধুত্ব। বাফুফে নির্বাচনকে সামনে রেখে দুজন এখন মুখোমুখি অবস্থানে। এরপরও সালাহউদ্দিনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ হেলালের। তিনি বলেন, ‘আমি সালাহউদ্দিন ভাইয়ের ভক্ত। এখনও ভক্ত। উনি শ্রদ্ধেয় মানুষ।’

তাই বলে নির্বাচনি মাঠে ছাড় দিতে রাজি নন গোলাম রব্বানী হেলাল। তিনি বলেন, ‘আমি সভাপতি পদে নির্বাচন করবই। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করব না। উনি (সালাহউদ্দিন) আমাকে অনুরোধও করবেন না। আমি উনাকে ভালো করে চিনি। উনিও আমাকে সবার চেয়ে বেশি চেনেন।’

বাফুফে সভাপতি হিসেবে সালাহউদ্দিন ব্যর্থ বলে দাবি করে হেলাল বলেন, ‘আট বছর ফুটবলে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। কোনও ফুটবলার তৈরি করতে পারেননি। ফেডারেশনকেই খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে।’ ‘বাঁচাও ফুটবল’ স্লোগান যারা দিচ্ছেন তাদের সমালোচনা করলেন সাবেক এই ফুটবলার বলেন, ‘মানববন্ধন করলেই ফুটবলের উন্নয়ন হবে না। মানববন্ধন করে ফুটবল আরও ডুবাচ্ছেন তারা।’

হেলাল বাফুফের নির্বাচনে ভোটার নন। এরপর আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবুও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘১৩৪ জন ভোটার যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন তাহলে ভোট দেবেন। যোগ্য মনে না করলে দেবে না।’ বাফুফের বর্তমান সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন অবশ্য বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন করা গণতান্ত্রিক অধিকার। ফুটবল ফেডারেশনে সবাই আগ্রহী হচ্ছে এটা পজিটিভ দিক।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :