সন্ধ্যা ৬:৩০, সোমবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৭ ইং
/ এশিয়া কাপ / ফাইনাল নিশ্চিতে বাংলাদেশের টার্গেট ১৩০
ফাইনাল নিশ্চিতে বাংলাদেশের টার্গেট ১৩০
মার্চ ২, ২০১৬

এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলতে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৩০ রান। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের গুরুত্বপূর্ন এ ম্যাচ টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান তুলেছে পাকিস্তান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ আহমেদ। বাংলাদেশের হয়ে আল আমিন হোসেন তিনটি ও আরাফাত ‍সানি দুটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তাসকিন আহমেদ।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মারাত্মক ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ২৮ রান তুলতেই টপঅর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকে হারায় তারা। চাপে পড়া পাকিস্তানকে ১২ ওভার পর্যন্ত রানের চাকা আটকে রাখেন বোলাররা। তবে ১২ থেকে ১৬ ওভার- এই চার ওভারে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে রানের চাকা সচল করেন সরফরাজ আহমেদ ও শোয়েব মালিক জুটি। দলীয় ৯৮ রানে মালিককে ফিরিয়ে ৭০ রানের জুটিটি ভাঙ্গেন আরাফাত সানি। শেষ ওভারে ১০ রান তুললে লড়াকু সংগ্রহ দাড়িয়ে যায় পাকিস্তানের বোলাররা।
আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কাকে হারানোয় তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট বাংলাদেশের। অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে পরাজয়ের পর আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। তাদের পয়েন্ট দুই। পাকিস্তানের কাছে হারলেও ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাচ্ছে না মাশরাফি বাহিনীর। সেক্ষেত্রে ৪ মার্চের ম্যাচের (শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান) দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।
ওই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা জিতলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার হবে সমান চার পয়েন্ট। রান রেটের বিচারে নিশ্চিত হবে ফাইনালিস্ট। প্রথম তিনটি ম্যাচের হারে ফাইনালে উঠার লড়াই থেকে ছিটকে গেছে আরব আমিরাত। আর প্রথম তিন ম্যাচ জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত। এ ম্যাচ জিতে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছাবে বাংলাদেশ, এটাই ভক্ত-সমর্থকদের প্রত্যাশা।
এর আগে, ২০১২ সালে প্রথম বারের মত এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে উঠে এই পাকিস্তানের কাছেই ২ রানের ব্যবধানে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হয়েছিল টিম বাংলাদেশ। সেটি ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া ‍কাপ, এবার হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :