সকাল ৮:৪১, সোমবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং
/ Top News / জাতীয় মহিলা ফুটবলের শিরোপা বিজেএমসির
জাতীয় মহিলা ফুটবলের শিরোপা বিজেএমসির
মার্চ ১০, ২০১৬

জাতীয় মহিলা ফুটবলের শিরোপা জিতেছে বিজেএমসি। কেএফসির পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এবারের আসরের ফাইনালে বিজেএমসি আজ বৃহস্পতিবার গতবারের চ্যাম্পিয়ন ময়মনসিংহকে ৭-১ গোলে হারিয়েছে।
কমলাপুরের শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে জাতীয় দলের দুই তারকা খেলোয়াড় সাবিনা খাতুন ও স্বপ্না যথাক্রমে চারটি ও তিনটি করে গোল করেন।
মূলত অভিজ্ঞতাই ছিল দুই দলের মাঝে ব্যবধানের কারণ। বিজেএমসির খেলোয়াড়রা বয়সেও ছিলেন এগিয়ে। ময়মনসিংহের খেলোয়াড়দের সবাই কলসিন্দুর স্কুলের ছাত্রী।
অন্যদকে সাবিনা, স্বপ্না, গোলরক্ষক সাবিনা আক্তার, সুরাইয়া, মৌসুমী ও ইতি জাতীয় দলে খেলছেন দীর্ঘদিন ধরে। বিশেষ করে সাবিনা ও স্বপ্নার শক্তি, দক্ষতা এবং টেকনিকের কোনও উত্তর ছিল না ময়মনসিংহের কাছে।
ময়মনসিংহের মূল খেলোয়াড় জাতীয় দলের মিডফিল্ডার সানজিদা খেলেছেন ইনজুরি নিয়ে। সেমিফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আনসারকে ২-১ গোলে হারানোর ম্যাচে জোড়া গোল করা সানজিদা ছিলেন নিষ্প্রভ। তবুও নিজ যোগ্যতা প্রমাণ করতে ৭৪ মিনিটে দলের একমাত্র গোলটি করেন তিনি।
সাবিনা গোল চারটি করেছেন ১৬, ৬৯, ৮৫ ও ৯০+৪ মিনিটে। সবকটিই একক নৈপুণ্যে করা। প্রথমার্ধে মাত্র এক গোলে এগিয়ে ছিল বিজেএমসি। ম্যাচের চিত্রটা পুরোপুরি বদলে যায় দ্বিতীয়ার্ধে স্বপ্নাকে মাঠে নামানোর পর। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো স্বপ্নার সারা গায়ে এখনও বসন্ত’র গুটি। দুই দিন আগে গুটি বসন্ত আক্রান্ত হন তিনি। পুরোপুরি সুস্থ না হয়েও তিনি খেলতে নামেন এবং সাবিনার সঙ্গে গড়ে তোলেন ম্যাচ জয়ী আক্রমণাত্মক জুটি। তিনি ৫১, ৭৭ ও ৮৮ মিনিটে গোল তিনটি করেন।
ম্যাচের প্রথম দিকে তহুরা, মার্জিয়া ও সানজিদার নেতৃত্বে সমান তালেই লড়েছিল ময়মনসিংহ। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ধীরে ধীরে মিইয়ে যায় সেটি। শেষ বিশ মিনিটে পাঁচটি গোল হজম করে ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়ে তারা।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :