বিকাল ৩:০৭, মঙ্গলবার, ৩০শে মে, ২০১৭ ইং
/ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ / আইসিসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
আইসিসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
মার্চ ২১, ২০১৬

তাসকিনের সব বোলিং অবৈধ না হওয়ার পরও তাকে সাময়িকভাবে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার ব্যাঙ্গালুরুতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষের ম্যাচেই এই পেসারকে চায় তারা। এখন আইসিসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।

গত দুই দিন ধরেই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন আইসিসির শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে। বোর্ড সভাপতি তাসকিনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে কথা বলেছেন আইসিসির সভাপতি শশাঙ্ক মনোহর, প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন ও সংস্থার প্রধান আইন কর্মকর্তার সঙ্গে।

গত শনিবার অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য আরাফাত সানি ও তাসকিনের বোলিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। রোববার এক প্রতিক্রিয়ায় বিসিবি সভাপাতি জানান, ধারাবাহিকভাবে দেশের হয়ে খেলা দুই বোলারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে হঠাৎ প্রশ্ন উঠায় তারা বিস্মিত।

এ বিষয়ে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি বোলিং, এটা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তির ওপর আঘাত। এমন তো না, আমরা বিশ্বকাপে ওদের নতুন নামিয়েছি। ওরা নিয়মিত খেলছিল, সেখানে আইসিসির ম্যাচ রেফারি-আম্পায়াররা ছিলেন। এখন এসে যেটা হল সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় ধাক্কা, আমরা এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত।’

বিশেষ করে তরুণ ডানহাতি পেসার তাসকিনের ব্যাপারে আসা রিপোর্ট মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে বিসিবি সভাপতির। এ প্রসঙ্গে নাজমুল হাসান বলেন, ‘তাসকিনের (বোলিং অ্যাকশন নিয়ে) যে রিপোর্ট পেয়েছি এটা নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। অত্যন্ত দুঃখজনক। আজ (রোববার) সকালে আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর, সিইও ডেভিড রিচার্ডসনের সাথে কথা বলেছি। তারা আইনজীবী দলের সঙ্গে বসেছে। আমরা তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।

বিসিবি সভাপতি জানান, দ্রুত সাড়া দেয়ার প্রতিশ্রুতি মিলেছে আইসিসির চেয়ারম্যান ও সিইওর কাছ থেকে। এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে যা যা করা দরকার আমি করেছি। অমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রধান দুই বোলারর চলে গেলে আমরা বিশ্বকাপ কি খেলব? এখন তো প্রায় আমাদের না খেলার মতোই অবস্থা দাঁড়িয়েছে।’

কোনো বোলারের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণার পর পুনরায় পরীক্ষা না দিয়ে মুক্ত হওয়ার কোনো নজির নেই। তারপরও নিয়মানুযায়ী সাত দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ আছে তাসকিন আহমেদের। আর সেই আবেদনই করা হয়েছে। এবার আইসিসির সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষা।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :