রাত ১:১৩, শুক্রবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ / যুব বিশ্বকাপে টানা চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি করে মিরাজের বিরল রেকর্ড
যুব বিশ্বকাপে টানা চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি করে মিরাজের বিরল রেকর্ড
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৬

অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে না পারার দুঃখ কিছুটা হলেও ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। শ্রীলংকার বিপক্ষে আজও বাংলাদেশ যুব দলের অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে বীরোচিত ৫৩ রানের ইনিংস। এই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করার মধ্য দিয়ে বিরল একটি রেকর্ড গড়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়ে ফেললেন এই অলরাউন্ডার। যুব বিশ্বকাপে এর আগে যে টানা চারটি হাফ সেঞ্চুরি করার গৌরব আর কেউ অর্জন করতে পারেনি!

শ্রীলংকার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে প্রতিপক্ষের ছুড়ে দেয়া ২১৪ রান তাড়া করতে নেমে টানা চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। ফলে বাংলাদেশ দলের জার্সি গায়ে আরও বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে যুবাদের বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচে কেউ হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেনি। ছয় ম্যাচে পাঁচ ইনিংস ব্যাট করে ২৪২ রান সংগ্রহ করে সেরা দুইয়ে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

শনিবার ফতুল্লার খান সাহেব উসমান আলী স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৬ বলে ৫৩ রান করেন মিরাজ। এরপর দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হন তিনি। মিডঅফের দিকে পুস করে সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন মিরাজ। কিন্তু অপর প্রান্তের ব্যাটসম্যান শান্ত রান নিতে না চাওয়ার ফিরে আসার সময় পরে যান মিরাজ। ফলে বল ধরে সহজেই উইকেট ভাঙ্গেন শ্রীলঙ্কান উইকেটরক্ষক।

এর আগে সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭৪ বলে ৬০ রান করেন মিরাজ। আর কোয়ার্টার ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে ৬৫ বলে করেন ৫৫। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিং করার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশ অধিনায়কের। আর গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৯ বলে ৫১ রান করেছিলেন তিনি। উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৮ বলে করেছিলেন ২৩ রান।

ফলে টানা চার ইনিংসে চারটি হাফ সেঞ্চুরি মেরে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন মিরাজ। এর আগে বল হাতে যুবাদের হয়ে সর্বাধিক উইকেট নেবার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। এর আগে এক বিশ্বকাপে চারটি হাফ সেঞ্চুরি করার রেকর্ড থাকলেও টানা চারটি কেউ করতে পারেননি। গত বিশ্বকাপেই (২০১৪) শ্রীলংকার সাদিরা সামারাভিকরামা, ২০১০ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রেইগ ব্রাফেট, দক্ষিণ আফ্রিকার ডমিনিক হেনরিক্স, ২০০৪ সালে ভারতের শিখর ধাওয়ান, ২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার ক্রেইগ সিমন্স, ২০০০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ করেছিলেন চারটি করে হাফ সেঞ্চুরি। তবে কোনটিই টানা নয়।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :