দুপুর ২:৪৫, মঙ্গলবার, ২৩শে মে, ২০১৭ ইং
/ ফুটবল / প্রতিবছর তৈরি হবে ৯০ খেলোয়াড়
প্রতিবছর তৈরি হবে ৯০ খেলোয়াড়
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৬

ফুটবলের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার ও শিশুদের ফুটবলমুখী করতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ফুটবলার বাছাইয়ের প্রথম রিয়েলিটি শো, ‘লাভ ফুটবল, প্লে ফুটবল’। এ রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে প্রতিবছর ৯০ জন খেলোয়াড় বাছাই করা হবে, যাদের দেশ-বিদেশে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ, লেখাপড়াসহ সব সুবিধা দেওয়া হবে।
রেডি-বাংলার শিশু পরিবারের উদ্যোগে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় এ শোয়ের আয়োজন করা হবে। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় রেডি-বাংলা শিশু পরিবারের নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের ফুটবলে সংকট চলছে, আমরা অনেকটা পিছিয়ে পড়েছি। এখান থেকে উত্তরণের জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর মাধ্যমে ১০-১৮ বছরের শিশুরা ফুটবলমুখী ও ফুটবলের মান উন্নয়ন হবে। ৬৪ জেলাকে ১১টি অঞ্চলে ভাগ করা হবে। এরমধ্যে ১০-১২ বছরের শিশুরা ‘অংকুর’, ১৩-১৫ বছরের শিশুরা ‘দুরন্ত’ ও ১৬-১৮ বছরের শিশুরা ‘দুর্বার’ শ্রেণিতে প্রাথমিক, বিভাগীয় ও জাতীয় রাউন্ড ভাগে বাছাই হবে। বাছাই প্রক্রিয়ায় ফুটবল সেন্স, বয়স অনুযায়ী উচ্চতা, স্টামিনা, ড্রিবলিং, রিসিভিং, কিপিং, কন্ট্রোলিং, আচরণ, শারীরিক ভাষা প্রভৃতিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তিনি জানান, প্রাথমিক পর্বে ১১টি অঞ্চলে ৬৪ জেলার প্রতিযোগীরা অংশ নেবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়ে বিভাগীয় প্রথম রাউন্ডে অংশ নেবেন। এ রাউন্ডে ৮টি বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বাছাই হবে। এ পর্ব থেকে উত্তীর্ণদের ‘সিলভার কার্ড’ দেওয়া হবে, যারা জাতীয় রাউন্ডে অংশ নেবে। বিভাগীয় রাউন্ডে নির্বাচিতদের যাচাই শেষে প্রতি গ্রুপ থেকে ৩০ জন করে মোট ৯০ জন পাবেন ‘গোল্ডেন কার্ড’। এ ৯০ জন পাবেন ৭ বছরের দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ। খ্যাতনামা কোচ ও ফুটবলাররা বাছাই কার্যক্রমে বিচারক হিসেবে থাকবেন। এসএমএস, অনলাইন ও স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, সুষ্ঠু, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি পেশাদারি ব্যবস্থাপনা টিম গঠন করা হবে।
এ শোয়ের মাধ্যমে প্রতিবছর পেশাদার ও দক্ষ ৯০ জন খেলোয়াড় তৈরি হবে, যারা দেশ ও বিদেশে বাংলাদেশের ফুটবলকে ব্র্যান্ডিং করবে। এ শোতে স্পন্সর করছে এআরকে ইমপেক্স লিমিটেড। প্রতিবছর প্রায় ৭ কোটি ২৮ লাখ ও তিনবছরে ৪২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও জানান নজরুল ইসলাম।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ফুডবল ফেডারেশনের সহ সভাপতি আরিফ খান জয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ক্রীড়া পরিষদের সচিব নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ।
সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম সোহাগের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন এআরকে ইমপেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন শিকদার।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :