দুপুর ২:০১, শুক্রবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ ক্রিকেট / তিনে স্বাচ্ছন্দ্য পাচ্ছেন সাব্বির
তিনে স্বাচ্ছন্দ্য পাচ্ছেন সাব্বির
জানুয়ারি ১৬, ২০১৬

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টি-টোয়েন্টিতে তিন নম্বর পজিশনে দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও ভালো ব্যাটসম্যান ব্যাটিং করে থাকেন। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি এ পজিশনে ব্যাটিং করেছেন সাকিব আল হাসান। ১৬ ম্যাচে সাকিব তিনে ব্যাটিং করে রান করেছেন ৫১৯। শেষ তিন ম্যাচের দুটিতে তিন নম্বরে ব্যাটিং করেছেন সাব্বির রহমান। দুই ম্যাচে তার রান যথাক্রমে ১৮ ও ৪৬।
শুক্রবার ওয়ালটন বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তিনে নেমে ৪৬ রান করেন সাব্বির, যা ইনিংস সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরও। সাব্বির জানালেন, তিন নম্বর পজিশেন ব্যাটিং করে স্বাচ্ছন্দ্য পাচ্ছেন তিনি। রোববার দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে শনিবার ঐচ্ছিক অনুশীলনে যোগ দেন সাব্বির।
অনুশীলনের পর সাব্বির নিজের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমি এর আগেও টি-টোয়েন্টিতে তিনে ব্যাটিং করে সফলতা পেয়েছি। আমি চেষ্টা করছি তিনে ব্যাটিং করার জন্য, পেস বোলিং মোকাবেলা করার জন্য। ইনিংসের মাঝপথে স্পিন বল খেললে তখন ফ্রি খাকা যাবে। আমার পরিকল্পনা ভবিষ্যতে তিনে খেলার।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ আসরে বরিশাল বুলসের হয়ে শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে রান পাননি সাব্বির। তবে যখনই ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করে তিনে আসলেন তখন তার ব্যাটও হেসেছে। তিনে নেমে তিন ম্যাচে তার রান ১২৯। ইনিংসগুলো ছিল এরকম ৪১, ৭৯ ও ৯। পেস বোলিং ভালো খেলতে পারবেন বলে ওপরে উঠে এসে ব্যাটিং করার ইচ্ছে তার। উইকেটে সেট হওয়ার পর স্পিন আক্রমণকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলতে চান। তবে দলের প্রয়োজনে যে কোনো পজিশনে ব্যাটিং করতে আপত্তি নেই তার। শেষ দিকেও ব্যাটিং করবেন বলে জানিয়েছেন সাব্বির।
ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান বলেন, ‘তিনে কিংবা পাঁচে যেখানেই হোক না আমি সেখানেই ব্যাটিং করতে পারব। এটা দলের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। এজন্য আমি যেকোনো পজিশনে সব সময় খেলার জন্য ফিট ও তৈরী। সব পজিশনে আমি মানিয়ে নিতে পারব।’
টি-টোয়েন্টিতে নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা সম্পর্কে সাব্বির বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে শুরুটা ভালো করা। আমি যদি শুরুটা ভালো করতে পারি তাহলে শেষটা ভালো করতে পারব। প্রথম ছয় বল কি চাই সেটা নির্ভর করে ম্যাচের উপরে। চার কিংবা ছয় কিংবা এক; যেটাই হোক ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করি। শুরুটা ভালো করতে পারলে শেষ দিকে যেন ১৫-২০ বল ভালো করে ডিফেন্ড করার সময় পাওয়া যায়।’



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :