দুপুর ২:১৭, সোমবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

এক নজরে

অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৫-এর পর অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়েও শিরোপা জেতা হয়ে গেল সারাবান তহুরার। এই স্ট্রাইকার কাল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও করেছে গুরুত্বপূর্ণ এক গোল। ম্যাচ শেষে সেই গোল আর জয়ের আনন্দ নিয়েই কথা বলেন তিনি।

প্রশ্ন : দারুণ খেলেই তোমরা শিরোপা জিতলে আজ, আনন্দটা কিভাবে প্রকাশ করবে?

সারাবান তহুরা : আমরা আমাদের পরিশ্রমের ফল পেলাম। এই ম্যাচের পুরো ৯০ মিনিট আমাদের খাটতে হয়েছে এই জয়টা নিশ্চিত করতে। শুধু আজ তো না, এই শিরোপার জন্য অনেক দিন ধরেই আমরা অনেক কষ্ট করছি। ভুটানে সাফের ফাইনালে হারের পর সবারই মন খারাপ ছিল। সেটা ভুলেই আবার আমরা টানা অনুশীলন করেছি। খুব ভোরে উঠেছি আবার দুপুর ১২টার তীব্র রোদে মাঠে গিয়েছি। এই সব কিছুরই ফল আজ আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া।

প্রশ্ন : সাফের সেই ফাইনাল হারে নিশ্চয় একটা শিক্ষা ছিল?

তহুরা : হ্যাঁ অবশ্যই। সেই শিক্ষা নিয়েই আজ আবার আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। সাফে আমরা হয়তো কিছুটা বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। এই ম্যাচের আগে এটাই পণ করে নেমেছিলাম যে শেষ পর্যন্ত আমাদের লড়াই করে যেতে হবে। আজ তা-ই করেছি। এটা না হলে কিন্তু এভাবে দাপট দেখিয়ে ম্যাচটি আমরা জিততে পারতাম না।

প্রশ্ন : অফসাইডের কারণে তোমার দুটো গোল বাতিল হলো, তা না হলে তো আজ হ্যাটট্রিকই হয়ে যেত…

তহুরা : সত্যি কথা, হ্যাটট্রিক করা নিয়ে আমি এখন আর ভাবি না। সাফ থেকে আমি সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরেছিলাম। কিন্তু আমার মন ছিল ভীষণ খারাপ। কারণ আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। এই টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই তাই ভেবেছি, যে-ই গোল করুক। আমাদের জেতা দিয়ে হলো কথা। সেটা পেলেই আমরা খুশি। চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে তাই অনেক ভালো লাগছে।

প্রশ্ন : এই টুর্নামেন্টে ঠিক নাম্বার নাইন পজিশনে খেলোনি তুমি, এটা নিশ্চয় কম গোল পাওয়ার একটি কারণ?

তহুরা : এবার আমি রাইট উইংয়ে খেলেছি। কোচই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি চেষ্টা করেছি এই পজিশন থেকেই দলকে সাহায্য করার। কোচ চাইলে আমার কোনো পজিশনে খেলতেই আপত্তি নেই।

প্রশ্ন : রেফারির বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্তে তোমার প্রথম গোলটা বাতিল হলে রাগ হয়নি?

তহুরা : না, রাগ করে কী হবে। রেফারি রেফারির সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা আবার আমাদের খেলায় মনোযোগ দিয়েছি। এটাই আমাদের কাজ। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে পড়ে থাকলে তো হবে না।

প্রশ্ন : পরের রাউন্ডেও ভালো করে মূল পর্বে যেতে কতটা আশাবাদী এখন?

তহুরা : সেটাই তো আমাদের লক্ষ্য।

সব পরিশ্রমের ফল এই চ্যাম্পিয়ন হওয়া : তহুরা

অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৫-এর পর অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়েও শিরোপা জেতা হয়ে গেল সারাবান তহুরার। এই স্ট্রাইকার কাল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও করেছে গুরুত্বপূর্ণ এক গোল। ম্যাচ শেষে সেই গোল আর জয়ের আনন্দ নিয়েই কথা বলেন তিনি।

প্রশ্ন : দারুণ খেলেই তোমরা শিরোপা জিতলে আজ, আনন্দটা কিভাবে প্রকাশ করবে?

সারাবান তহুরা : আমরা আমাদের পরিশ্রমের ফল পেলাম। এই ম্যাচের পুরো ৯০ মিনিট আমাদের খাটতে হয়েছে এই জয়টা নিশ্চিত করতে। শুধু আজ তো না, এই শিরোপার জন্য অনেক দিন ধরেই আমরা অনেক কষ্ট করছি। ভুটানে সাফের ফাইনালে হারের পর সবারই মন খারাপ ছিল। সেটা ভুলেই আবার আমরা টানা অনুশীলন করেছি। খুব ভোরে উঠেছি আবার দুপুর ১২টার তীব্র রোদে মাঠে গিয়েছি। এই সব কিছুরই ফল আজ আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া।

প্রশ্ন : সাফের সেই ফাইনাল হারে নিশ্চয় একটা শিক্ষা ছিল?

তহুরা : হ্যাঁ অবশ্যই। সেই শিক্ষা নিয়েই আজ আবার আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। সাফে আমরা হয়তো কিছুটা বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। এই ম্যাচের আগে এটাই পণ করে নেমেছিলাম যে শেষ পর্যন্ত আমাদের লড়াই করে যেতে হবে। আজ তা-ই করেছি। এটা না হলে কিন্তু এভাবে দাপট দেখিয়ে ম্যাচটি আমরা জিততে পারতাম না।

প্রশ্ন : অফসাইডের কারণে তোমার দুটো গোল বাতিল হলো, তা না হলে তো আজ হ্যাটট্রিকই হয়ে যেত…

তহুরা : সত্যি কথা, হ্যাটট্রিক করা নিয়ে আমি এখন আর ভাবি না। সাফ থেকে আমি সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরেছিলাম। কিন্তু আমার মন ছিল ভীষণ খারাপ। কারণ আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। এই টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই তাই ভেবেছি, যে-ই গোল করুক। আমাদের জেতা দিয়ে হলো কথা। সেটা পেলেই আমরা খুশি। চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে তাই অনেক ভালো লাগছে।

প্রশ্ন : এই টুর্নামেন্টে ঠিক নাম্বার নাইন পজিশনে খেলোনি তুমি, এটা নিশ্চয় কম গোল পাওয়ার একটি কারণ?

তহুরা : এবার আমি রাইট উইংয়ে খেলেছি। কোচই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি চেষ্টা করেছি এই পজিশন থেকেই দলকে সাহায্য করার। কোচ চাইলে আমার কোনো পজিশনে খেলতেই আপত্তি নেই।

প্রশ্ন : রেফারির বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্তে তোমার প্রথম গোলটা বাতিল হলে রাগ হয়নি?

তহুরা : না, রাগ করে কী হবে। রেফারি রেফারির সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা আবার আমাদের খেলায় মনোযোগ দিয়েছি। এটাই আমাদের কাজ। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে পড়ে থাকলে তো হবে না।

প্রশ্ন : পরের রাউন্ডেও ভালো করে মূল পর্বে যেতে কতটা আশাবাদী এখন?

তহুরা : সেটাই তো আমাদের লক্ষ্য।

ক্রিকেট

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দারুণ জয় বাংলাদেশের

মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এশিয়া কাপ ক্রিকেটে সুপার ফোরের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য এক জয় পেলো বাংলাদেশ। আবুধাবিতে, ৩ রানের এই জয়ে, কাগজে-কলমে ফাইনাল খেলার আশাটাও বেঁচে রইলো টাইগারদের। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৪৯ রান তোলে টাইগাররা। জবাবে ৭ উইকেট হারানো আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৪৬ রান।

উত্তেজনার বারুদে ঠাসা ম্যাচে জয় পেলো বাংলাদেশ। মুস্তাফিজের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে শেষ ছয় বলে ৪ রান দিয়ে আফগানিস্তানকে পরাজিত করলো টাইগাররা। তাই জয়ের আনন্দে এমন উল্লাসমুখর লাল-সবুজের দল।
.
আফগানদের জয়ে শেষ ৬ বলে প্রয়োজন ছিলো ৮ রানের। হাতে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় বলে রশিদ খানকে ফিরতি ক্যাচে পরিণত করে তাদের ব্যাটিংয়ে ভীতি ছড়ান মুস্তাফিজ। ভয়ের সেই মেঘ আর কাটেনি আফগানদের।

অবশ্য আফগান ব্যাটসম্যানদের শাসনে বাংলাদেশ শিবিরে যখন নাভিশ্বাস চরমে তখন দায়িত্বটা নিজেই তুলে নেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক আসগর আফগানের উইকেট নিয়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন। তাতেই জয়ের সুবাস পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৭১ রান করা হাসমতউল্লাহকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন ম্যাশ। ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশের বোলাদের শাসনে ২৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ব্যাটফুটেই ছিলো আগফানিস্তান।

এরআগে, দলের ১৮ রানে দুই ওপেনারকে হারানো এবং আফগান বোলিংয়ে লন্ডভন্ড হয়ে বাংলাদেশের মিডলঅর্ডার। মাত্র ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখন দিশেহারা বাংলাদেশ দল। প্রতিষ্ঠিত দুই ব্যাটসম্যান সাকিব-মুশফিকের আত্মাহুতিতে আবারও স্বল্পরানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা টাইগার শিবিরে।

বিপর্যয় সামলে, ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদুল্লাহ আর ইমরুল কায়েসের তুমুল প্রতিরোধ। তাদের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ে আলোর পথ খুঁজে পায় মাশরাফির দল। ১২৮ রানের রেকর্ড জুটির সঙ্গে নিজেরাও তুলে নেন ফিফটি। ১৯৯৯ সালের আল শাহরিয়ার রোকন ও খালেদ মাসুদ পাইলটের অপরাজিত ১২৩ রানকে পেছনে ফেলে গড়েন নতুন রেকর্ড।

তবে আফগান বোলিংয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়ার পর ৪৭তম ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মাহমুদুল্লাহ। তার আগে ৮১ বলে, তিন চার আর দুই ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন তিনি।

অবশ্য ইমরুল ক্রিজে থাকায় তখনও লড়াই করার পুঁজি সংগ্রহের আশা ছিলো বাংলাদশের। তাতে, ৭ উইকেট হারানো বাংলাদেশের স্কোর ২৪৯। আর ইমরুল ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত এই রানই জয়ের জন্য যথেষ্ট প্রমান করেন টাইগার বোলাররা। তাতে কাগজে-কলমে ফাইনাল খেলার আশাটাও বেঁচে রইলো লাল-সবুজের দলের।

ফুটবল

সব পরিশ্রমের ফল এই চ্যাম্পিয়ন হওয়া : তহুরা

অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৫-এর পর অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়েও শিরোপা জেতা হয়ে গেল সারাবান তহুরার। এই স্ট্রাইকার কাল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও করেছে গুরুত্বপূর্ণ এক গোল। ম্যাচ শেষে সেই গোল আর জয়ের আনন্দ নিয়েই কথা বলেন তিনি।

প্রশ্ন : দারুণ খেলেই তোমরা শিরোপা জিতলে আজ, আনন্দটা কিভাবে প্রকাশ করবে?

সারাবান তহুরা : আমরা আমাদের পরিশ্রমের ফল পেলাম। এই ম্যাচের পুরো ৯০ মিনিট আমাদের খাটতে হয়েছে এই জয়টা নিশ্চিত করতে। শুধু আজ তো না, এই শিরোপার জন্য অনেক দিন ধরেই আমরা অনেক কষ্ট করছি। ভুটানে সাফের ফাইনালে হারের পর সবারই মন খারাপ ছিল। সেটা ভুলেই আবার আমরা টানা অনুশীলন করেছি। খুব ভোরে উঠেছি আবার দুপুর ১২টার তীব্র রোদে মাঠে গিয়েছি। এই সব কিছুরই ফল আজ আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া।

প্রশ্ন : সাফের সেই ফাইনাল হারে নিশ্চয় একটা শিক্ষা ছিল?

তহুরা : হ্যাঁ অবশ্যই। সেই শিক্ষা নিয়েই আজ আবার আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। সাফে আমরা হয়তো কিছুটা বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। এই ম্যাচের আগে এটাই পণ করে নেমেছিলাম যে শেষ পর্যন্ত আমাদের লড়াই করে যেতে হবে। আজ তা-ই করেছি। এটা না হলে কিন্তু এভাবে দাপট দেখিয়ে ম্যাচটি আমরা জিততে পারতাম না।

প্রশ্ন : অফসাইডের কারণে তোমার দুটো গোল বাতিল হলো, তা না হলে তো আজ হ্যাটট্রিকই হয়ে যেত…

তহুরা : সত্যি কথা, হ্যাটট্রিক করা নিয়ে আমি এখন আর ভাবি না। সাফ থেকে আমি সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরেছিলাম। কিন্তু আমার মন ছিল ভীষণ খারাপ। কারণ আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। এই টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই তাই ভেবেছি, যে-ই গোল করুক। আমাদের জেতা দিয়ে হলো কথা। সেটা পেলেই আমরা খুশি। চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে তাই অনেক ভালো লাগছে।

প্রশ্ন : এই টুর্নামেন্টে ঠিক নাম্বার নাইন পজিশনে খেলোনি তুমি, এটা নিশ্চয় কম গোল পাওয়ার একটি কারণ?

তহুরা : এবার আমি রাইট উইংয়ে খেলেছি। কোচই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি চেষ্টা করেছি এই পজিশন থেকেই দলকে সাহায্য করার। কোচ চাইলে আমার কোনো পজিশনে খেলতেই আপত্তি নেই।

প্রশ্ন : রেফারির বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্তে তোমার প্রথম গোলটা বাতিল হলে রাগ হয়নি?

তহুরা : না, রাগ করে কী হবে। রেফারি রেফারির সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা আবার আমাদের খেলায় মনোযোগ দিয়েছি। এটাই আমাদের কাজ। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে পড়ে থাকলে তো হবে না।

প্রশ্ন : পরের রাউন্ডেও ভালো করে মূল পর্বে যেতে কতটা আশাবাদী এখন?

তহুরা : সেটাই তো আমাদের লক্ষ্য।


ভিডিও
প্রথম রাউন্ড থেকেই হালেপের বিদায়
জার্মানিকে বিদায় করে সেমিফাইনালে জাপান
More Video
ফেইসবুক

হ্যান্ডবল
গলফ
দাবা
হকি
লন-টেনিস
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্