দুপুর ২:৫১, রবিবার, ২৪শে জুন, ২০১৮ ইং

এক নজরে

বিশ্বকাপে টিকে থাকলো জার্মানি

সুইডেনের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপে টিকো রইলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। সোচিতে পিছিয়ে পড়েও সুইডিশদের ২-১ গোলে হারিয়েছে জোয়াকিম লো’র শিষ্যরা। ৮২ মিনিটে জেরোমি বোয়েটেংয়ের লালকার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তখনও খেলা ১-১ সমতায়। তবে ইনজুরি টাইমে টনি ক্রুসের দুর্দান্ত কিকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি।

উত্তেজনার বারুদে ঠাসা আর শিহরণ জাগানো ম্যাচে জার্মানির রোমাঞ্চকর এক জয়। সুইডেনের বিপক্ষে এই জয় বিশ্বকাপে টিকে থাকার, জার্মানির আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়ানোর অসাধারণ এক উদাহরণ।

অথচ কঠিন এক সমীকরণ সামনে রেখে সুইসুদের বিপক্ষে মাঠে নামে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। হারলেই বিদায় আর ড্র করলে বিশ্বকাপের ভাগ্যটা ঝুঁলে থাকবে সুতোয়। নিজেদের সামর্থ্যে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিলোনা জার্মানদের। তাই খেলার শুরু থেকেই সুইডেনের ওপর চড়াও হয় তারা।

পাল্টা আক্রমণে সুইডিশরাও দাঁত ভাঙা জবাব দেয় জার্মানদের। বর্তম্যান চ্যাম্পিয়নরা খেলায় আধিপত্য বিস্তার করলেও, প্রথমার্ধে চোখ রাঙিয়েছে সুইডেনই। ৩২ মিনিটে জার্মানদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেয়ার শঙ্কায় ফেলে দেন সুইডিশ স্ট্রাইকার ওলা তাইভোনেন।
বিরতি থেকে ফিরে পিছিয়ে থাকা জার্মানিকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরান মারকো রয়েস।

এরপর যতই সময় গড়িয়েছে জার্মানদের জয়ের স্বপ্ন ততই ফিঁকে হয়ে আসে। বারবার আক্রমনে সুইডেনকে কোনঠাসা করলেও লিড নিতে পারছিলনা বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর ৮২ মিনিটে বোয়েটেংয়ের দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে ১০ জনের দলে পরিনত হয় তারা। তবে আক্রমনের ধার একটুও কমেনি। ফরোয়ার্ডের ব্যর্থতার সাথে সুইডিশ গোলরক্ষক ওলসেনের অপরাজেয় মানসিকতা, ক্রমেই হতাশ করে জার্মান ভক্তদের।

তবে শেষ নাটকীয়তা হয়ত টনি ক্রুসের কাছেই জমা ছিলো। ইনজুরি সময়ে পাওয়া ফ্রি কিকটার অসাধারণ ব্যবহার দেখালেন ক্রুস। তাতে বিশ্বকাপে বেঁচে থাকার রসদ পাওয়ার উল্লাসে মাতে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

নান্দনিক আর কুশলী ফুটবল দিয়ে পাহাড় সমান চাপকে কিভাবে জয় করতে হয় তারই যেন অনন্য একটা উদাহরণ তৈরী করলো জার্মানি।

সুইডেনের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপে টিকো রইলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। সোচিতে পিছিয়ে পড়েও সুইডিশদের ২-১ গোলে হারিয়েছে জোয়াকিম লো’র শিষ্যরা। ৮২ মিনিটে জেরোমি বোয়েটেংয়ের লালকার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তখনও খেলা ১-১ সমতায়। তবে ইনজুরি টাইমে টনি ক্রুসের দুর্দান্ত কিকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি।

উত্তেজনার বারুদে ঠাসা আর শিহরণ জাগানো ম্যাচে জার্মানির রোমাঞ্চকর এক জয়। সুইডেনের বিপক্ষে এই জয় বিশ্বকাপে টিকে থাকার, জার্মানির আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়ানোর অসাধারণ এক উদাহরণ।

অথচ কঠিন এক সমীকরণ সামনে রেখে সুইসুদের বিপক্ষে মাঠে নামে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। হারলেই বিদায় আর ড্র করলে বিশ্বকাপের ভাগ্যটা ঝুঁলে থাকবে সুতোয়। নিজেদের সামর্থ্যে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিলোনা জার্মানদের। তাই খেলার শুরু থেকেই সুইডেনের ওপর চড়াও হয় তারা।

পাল্টা আক্রমণে সুইডিশরাও দাঁত ভাঙা জবাব দেয় জার্মানদের। বর্তম্যান চ্যাম্পিয়নরা খেলায় আধিপত্য বিস্তার করলেও, প্রথমার্ধে চোখ রাঙিয়েছে সুইডেনই। ৩২ মিনিটে জার্মানদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেয়ার শঙ্কায় ফেলে দেন সুইডিশ স্ট্রাইকার ওলা তাইভোনেন।
বিরতি থেকে ফিরে পিছিয়ে থাকা জার্মানিকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরান মারকো রয়েস।

এরপর যতই সময় গড়িয়েছে জার্মানদের জয়ের স্বপ্ন ততই ফিঁকে হয়ে আসে। বারবার আক্রমনে সুইডেনকে কোনঠাসা করলেও লিড নিতে পারছিলনা বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর ৮২ মিনিটে বোয়েটেংয়ের দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে ১০ জনের দলে পরিনত হয় তারা। তবে আক্রমনের ধার একটুও কমেনি। ফরোয়ার্ডের ব্যর্থতার সাথে সুইডিশ গোলরক্ষক ওলসেনের অপরাজেয় মানসিকতা, ক্রমেই হতাশ করে জার্মান ভক্তদের।

তবে শেষ নাটকীয়তা হয়ত টনি ক্রুসের কাছেই জমা ছিলো। ইনজুরি সময়ে পাওয়া ফ্রি কিকটার অসাধারণ ব্যবহার দেখালেন ক্রুস। তাতে বিশ্বকাপে বেঁচে থাকার রসদ পাওয়ার উল্লাসে মাতে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

নান্দনিক আর কুশলী ফুটবল দিয়ে পাহাড় সমান চাপকে কিভাবে জয় করতে হয় তারই যেন অনন্য একটা উদাহরণ তৈরী করলো জার্মানি।

মেসির জন্মদিন আজ

ফুটবলের ক্ষুদে জাদুকর লি‌ওনেল মেসির জন্মদিন আজ। ভিন গ্রহের এই ফুটবলার আজ ৩১ পেরিয়ে ৩২ বছরে পা দিলেন। শুভ জন্মদিন ফুটবলের জাদুকর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।

মেসির জন্ম ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোজারিওতে। ২০০০ সালে চলে আসেন বার্সেলোনায়। যুব দল পেরিয়ে ২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নাম লেখান বার্সেলোনার সিনিয়র দলে। তারপর টানা ১৪টি বছর ধরে পুরো ফুটবল বিশ্বকেই মাতিয়ে রেখেছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।

২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত টানা চারবার জিতেছেন ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার। ২০১৫ সালে এই পুরস্কারটা জিতেছেন পঞ্চমবারের মতো। একের পর এক রেকর্ড গড়ে আর মাইলফলক পাড়ি দিয়ে হয়ে উঠেছেন এসময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার।

তার হাত ধরে বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকায় মোট তিনবার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ভাগ্য তার সঙ্গে ছিল না। একবারও শিরোপা জেতায় হয়নি ভিনগ্রহের এই ফুটবলারের। বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের মিশন নিয়ে আর্জেন্টিনা রাশিয়ায় এসেছে। অবশ্য তাদের শুরুটা ভালো হয়নি। গ্রুপপর্ব থেকেই বাদ পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ভালো ব্যবধানে জিততে পারলে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারবে তারা। জন্মদিনে সেটাই হয়তো হবে লিওনেল মেসির জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

শুধু দ্বিতীয় রাউন্ড নয়, কোয়ার্টার, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলুক মেসির আর্জেন্টিনা। তার হাত ধরেই ৩২ বছরের শিরোপার আক্ষেপ ঘোচাক আলবিসিলেস্তারা। বিশ্বকাপের শিরোপা ছুঁয়ে কিংবদন্তি হয়ে উঠুক লিওনেল মেসি। বিশ্বে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীদের এমনটাই চাওয়া।

ক্রিকেট

‌ওয়ানডেতে রানের রেকর্ড ইংল্যান্ডের

ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৮১ রানের নতুন রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ড। ট্রেন্ট ব্রিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে ৪৮১ রান করে তারা। জনি বেয়ারেষ্ট্রো ও অ্যালেক্স হেলসের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ে ইংলিশরা।

ওয়ানডেতে দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইতিহাসটা আরও সমৃদ্ধ করলো ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ান বোলাদের হতাশায় ডুবিয়ে দলীয় সর্বোচ্চ স্কোরটা এভারেস্টের চূড়ায় নিয়ে গেলো ইয়ন মরগানের দল।

জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোর ১৫৯ রানের উদ্বোধনী জুটিতে উড়ন্ত সূচনা পায় স্বাগতিকরা। ৬১ বলে ৮৩ রানে রয় বিদায় নিলেও, বেয়ারেস্টো থামেন ৯২ বলে ১৩৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে। ৩৪ ওভারে ঐ দুই উইকেটেই ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৩১০।

এরপর অস্ট্রেলিয়ান বোলাদের তুলোধোনো করেন অ্যালেক্স হেলস ও অধিনায়ক ইয়ন মরগান। ইংল্যান্ডের হয়ে ২১ বলে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন মরগান।

২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের গড়া ৪৪৪ রানের রেকর্ডটা তারা ভাঙেন দাপটের সাথেই, ৪৬তম ওভারে। তবে ৪৮ তম ওভারে ৯২ বলে ১৪৭ করা হেলস ও ৩০ বলে ৬৭ করা মরগান বিদায় না নিলে, হয়ত ওয়ানডেতে প্রথমবারের মত ৫০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলত ইংল্যান্ড।

তবে বিদায়ের আগে আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন মরগান। ইয়ান বেলকে পেছনে ফেলে ওয়ানডেতে ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক বনে যান তিনি। ওয়ানডের ইতিহাস গড়া ইংলিশদের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ৪৮১ রানে।

ফুটবল

বিশ্বকাপে টিকে থাকলো জার্মানি

সুইডেনের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপে টিকো রইলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। সোচিতে পিছিয়ে পড়েও সুইডিশদের ২-১ গোলে হারিয়েছে জোয়াকিম লো’র শিষ্যরা। ৮২ মিনিটে জেরোমি বোয়েটেংয়ের লালকার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তখনও খেলা ১-১ সমতায়। তবে ইনজুরি টাইমে টনি ক্রুসের দুর্দান্ত কিকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি।

উত্তেজনার বারুদে ঠাসা আর শিহরণ জাগানো ম্যাচে জার্মানির রোমাঞ্চকর এক জয়। সুইডেনের বিপক্ষে এই জয় বিশ্বকাপে টিকে থাকার, জার্মানির আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়ানোর অসাধারণ এক উদাহরণ।

অথচ কঠিন এক সমীকরণ সামনে রেখে সুইসুদের বিপক্ষে মাঠে নামে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। হারলেই বিদায় আর ড্র করলে বিশ্বকাপের ভাগ্যটা ঝুঁলে থাকবে সুতোয়। নিজেদের সামর্থ্যে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিলোনা জার্মানদের। তাই খেলার শুরু থেকেই সুইডেনের ওপর চড়াও হয় তারা।

পাল্টা আক্রমণে সুইডিশরাও দাঁত ভাঙা জবাব দেয় জার্মানদের। বর্তম্যান চ্যাম্পিয়নরা খেলায় আধিপত্য বিস্তার করলেও, প্রথমার্ধে চোখ রাঙিয়েছে সুইডেনই। ৩২ মিনিটে জার্মানদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেয়ার শঙ্কায় ফেলে দেন সুইডিশ স্ট্রাইকার ওলা তাইভোনেন।
বিরতি থেকে ফিরে পিছিয়ে থাকা জার্মানিকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরান মারকো রয়েস।

এরপর যতই সময় গড়িয়েছে জার্মানদের জয়ের স্বপ্ন ততই ফিঁকে হয়ে আসে। বারবার আক্রমনে সুইডেনকে কোনঠাসা করলেও লিড নিতে পারছিলনা বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর ৮২ মিনিটে বোয়েটেংয়ের দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে ১০ জনের দলে পরিনত হয় তারা। তবে আক্রমনের ধার একটুও কমেনি। ফরোয়ার্ডের ব্যর্থতার সাথে সুইডিশ গোলরক্ষক ওলসেনের অপরাজেয় মানসিকতা, ক্রমেই হতাশ করে জার্মান ভক্তদের।

তবে শেষ নাটকীয়তা হয়ত টনি ক্রুসের কাছেই জমা ছিলো। ইনজুরি সময়ে পাওয়া ফ্রি কিকটার অসাধারণ ব্যবহার দেখালেন ক্রুস। তাতে বিশ্বকাপে বেঁচে থাকার রসদ পাওয়ার উল্লাসে মাতে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

নান্দনিক আর কুশলী ফুটবল দিয়ে পাহাড় সমান চাপকে কিভাবে জয় করতে হয় তারই যেন অনন্য একটা উদাহরণ তৈরী করলো জার্মানি।


ভিডিও
বিশ্বকাপে টিকে থাকলো জার্মানি
নকআউটে সোনালী প্রজন্মের বেলজিয়াম
More Video
ফেইসবুক

হ্যান্ডবল
গলফ
দাবা
হকি
লন-টেনিস
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্