দুপুর ২:১৫, মঙ্গলবার, ২৮শে মার্চ, ২০১৭ ইং

এক নজরে

তার ব্যাট হাসলে বাংলাদেশের স্কোর হয় সমৃদ্ধ। প্রতিপক্ষের সামনে টাইগাররা ছুড়ে দিতে পারে বিশাল লক্ষ্য। রণগিরি ডাম্বুলা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার হাসল তামিম ইকবালের ব্যাট। আর তাতে বাংলাদেশও পেল বড় পুঁজি, ৩২৪ রানের। জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২৫ রানের।

রণগিরি ডাম্বুলা স্টেডিয়ামের পরিসংখ্যান বলছিল, এই লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া বড্ড কঠিনই। হয়েছে ঠিক তা-ই। মাশরাফি বিন মর্তুজা, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাকিব আল হাসানদের তোপে ২৩৪ রানেই অলআউট শ্রীলঙ্কা। আর তাতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৯০ রানের বড় জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

ম্যাচ সেরা তামিম ইকবাল খেলেছেন ১২৭ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস। ১৪২ বল মোকাবেলা করেছেন। ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৫টি চার ও একটি ছক্কায়। বলের চেয়ে রান কম; তামিমের নামের সঙ্গে যায় না! ড্যাশিং ওপেনার যে মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিত।

তবে তামিমের লক্ষ্য ছিল- ধরে খেলবেন। দলকে ভালো একটা পর্যায়ে নিয়ে তারপর খেলবেন হাত খুলে। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরিটা পেয়ে গেলেন। তিন অঙ্কের ফিগারে পৌঁছার পর মারমুখী ভঙ্গিতে খেলেছেন।

তামিম আউট হয়েছেন দলীয় ৪৮তম ওভারে। সুরাঙ্গা লাকমালের বল লংঅনে উড়িয়ে মারতে গিয়ে গুনারত্নের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাজঘরে। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তামিম জানালেন, এতটা সময় ক্রিজে থাকতে অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। লঙ্কান বোলারদের পরীক্ষায় সফল হয়ে খুশি বাংলাদেশের এই ওপেনার।

‘আমার বেশ কিছু সুযোগ হয়েছিল ফিফটি করার; কিন্তু সেগুলোতে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে পারেনি। অতীতকে পেছনে ফেললাম। সুযোগটাকে কাজে লাগালাম। আমি স্কোর করতে চাই। যত দূর সম্ভব দলে অবদান রাখতে চাই। ৪৫ ওভার (মূলত ৪৮ ওভার) পর্যন্ত ব্যাটিং করে যাওয়া সহজ নয়; ঘাম ঝরাতে হয়েছে অনেক। মাথা ঠাণ্ডা রেখে ব্যাট করেছি; আর স্ট্রাইক ধরে রেখেছি।’

সাকিবের প্রশংসা করে তামিম বলেন, ‘সাকিব যেভাবে খেলেছে, তা ছিল অসাধারণ। আর জানতাম, আমি যদি ১৩৫ বা তার কাছাকাছি করতে পারি, তাহলে দলের স্কোর ৩০০ হতে পারে। সে পথেই এগিয়েছিলাম। মন বলছিল সেটাই।’

সাকিবকে হটিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মাশরাফি

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেয়া ক্রিকেটারদের তালিকায় তারা দুজন আছেন। তাদের অবদান ভোলার নয়। মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসান। সাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে যেমন দলকে দিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের শতভাগ। তেমনি নেতৃত্ব পেলেও শতভাগ উজাড় করে দিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে থাকেন মরিয়া।

সাকিব আল হাসান বর্তমানে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের সহঅধিনায়ক। অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন আগে। আর বাংলাদেশ দলের সীমিত ওভারের বর্তমান অধিনায়ক মাশরাফি। নড়াইল এক্সপ্রেস দলকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন দুর্দান্ত গতিতে।

পরিসংখ্যানই বলছে সে কথাই। জয়ের হিসেবে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় সফল অধিনায়ক মাশরাফি। এই তালিকায় ছাড়িয়ে গেছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৯০ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মাশরাফির নেতৃত্বে ওয়ানডেতে এটি বাংলাদেশের ২৪তম জয়।

এর আগে ২৩টি জয় নিয়ে সাকিবের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন মাশরাফি। ২৩টি জয় পেতে সাকিবের লেগেছে ৪৯টি ওয়ানডে। আর মাশরাফি ২৪তম জয় পেলেন ৩৮টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়ে। তার মানে, ১১টি ম্যাচ কম খেলেই সাকিবকে টপকে গেলেন বাংলাদেশ দলের বর্তমান অধিনায়ক!

বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। তার নেতৃত্বে টাইগাররা ২৯টি ওয়ানডেতে জয় পেয়েছে। আর এই ২৯টি জয় পেতে হাবিবুল বাশারের লেগেছিল ৬৯টি ওয়ানডে। খুব বেশি দেরি নয়, বাশারকে হয়তো ছাড়িয়ে যাবেন মাশরাফি। সে জন্য বর্তমান অধিনায়কের দরকার আর মাত্র ৬টি ওয়ানডে জয়।

ক্রিকেট

অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে : তামিম

তার ব্যাট হাসলে বাংলাদেশের স্কোর হয় সমৃদ্ধ। প্রতিপক্ষের সামনে টাইগাররা ছুড়ে দিতে পারে বিশাল লক্ষ্য। রণগিরি ডাম্বুলা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার হাসল তামিম ইকবালের ব্যাট। আর তাতে বাংলাদেশও পেল বড় পুঁজি, ৩২৪ রানের। জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২৫ রানের।

রণগিরি ডাম্বুলা স্টেডিয়ামের পরিসংখ্যান বলছিল, এই লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া বড্ড কঠিনই। হয়েছে ঠিক তা-ই। মাশরাফি বিন মর্তুজা, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাকিব আল হাসানদের তোপে ২৩৪ রানেই অলআউট শ্রীলঙ্কা। আর তাতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৯০ রানের বড় জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

ম্যাচ সেরা তামিম ইকবাল খেলেছেন ১২৭ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস। ১৪২ বল মোকাবেলা করেছেন। ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৫টি চার ও একটি ছক্কায়। বলের চেয়ে রান কম; তামিমের নামের সঙ্গে যায় না! ড্যাশিং ওপেনার যে মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিত।

তবে তামিমের লক্ষ্য ছিল- ধরে খেলবেন। দলকে ভালো একটা পর্যায়ে নিয়ে তারপর খেলবেন হাত খুলে। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরিটা পেয়ে গেলেন। তিন অঙ্কের ফিগারে পৌঁছার পর মারমুখী ভঙ্গিতে খেলেছেন।

তামিম আউট হয়েছেন দলীয় ৪৮তম ওভারে। সুরাঙ্গা লাকমালের বল লংঅনে উড়িয়ে মারতে গিয়ে গুনারত্নের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাজঘরে। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তামিম জানালেন, এতটা সময় ক্রিজে থাকতে অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। লঙ্কান বোলারদের পরীক্ষায় সফল হয়ে খুশি বাংলাদেশের এই ওপেনার।

‘আমার বেশ কিছু সুযোগ হয়েছিল ফিফটি করার; কিন্তু সেগুলোতে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে পারেনি। অতীতকে পেছনে ফেললাম। সুযোগটাকে কাজে লাগালাম। আমি স্কোর করতে চাই। যত দূর সম্ভব দলে অবদান রাখতে চাই। ৪৫ ওভার (মূলত ৪৮ ওভার) পর্যন্ত ব্যাটিং করে যাওয়া সহজ নয়; ঘাম ঝরাতে হয়েছে অনেক। মাথা ঠাণ্ডা রেখে ব্যাট করেছি; আর স্ট্রাইক ধরে রেখেছি।’

সাকিবের প্রশংসা করে তামিম বলেন, ‘সাকিব যেভাবে খেলেছে, তা ছিল অসাধারণ। আর জানতাম, আমি যদি ১৩৫ বা তার কাছাকাছি করতে পারি, তাহলে দলের স্কোর ৩০০ হতে পারে। সে পথেই এগিয়েছিলাম। মন বলছিল সেটাই।’

ফুটবল

রোনালদো নৈপুণ্যে পর্তুগালের জয়

ইউরো জয়ের পর দারুণ ছন্দেই আছে পর্তুগাল। তার বড় প্রমাণ রেখে চলেছে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও। গত তিন বাউন্ডে ১৬ বার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়েছেন রোনালদোরা। শনিবার রাতে আরও একবার দেখা গেল পর্তুগালের ভয়ঙ্কর রূপটা। যে রূপের আবির্ভাব ওই রোনালদোর হাত ধরেই।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে হাঙ্গেরির বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন রোনালদো। রিয়াল মাদ্রিদ সুপারস্টারের অসাধারণ নৈপুণ্যে ম্যাচটি পর্তুগাল জিতে নিয়েছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে। তিনটি গোলেই ছিল রোনালদোর প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অবদান।

ম্যাচের প্রথম গোলটা আসে ৩২ মিনিটে। রোনালদো বল নিয়ে হাঙ্গেরির ডি-বক্সে ঢুকছিলেন। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের বাধা পেয়ে বলটি ঠেলে দিলেন হোসে জুয়েরিওরেকে। বাঁ-প্রান্ত থেকে হোসে বলটি ধরিয়ে দিলেন আন্দ্রে সিলভাকে। পায়ের আলতো ছোঁয়ায় বলটি হাঙ্গেরির জালে জড়ালেন অভিষিক্ত সিলভা (১-০)।

ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে উড়িয়ে দেয়া বল আলতো টোকায় রোনালদোকে দিলেন সিলভা। আর দুরপাল্লার এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন পর্তুগাল অধিনায়ক (২-০)। এরপর দুহাত বাড়িয়ে তার চিরচেনা ট্রেডমার্ক উদযাপন! আর হাঙ্গেরির কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেন রোনালদোই। ৬৫ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল আদায় করে নেন তিনি।

এ নিয়ে পাঁচ ম্যাচে চারটিতে জয় পেল পর্তুগাল। ১২ পয়েন্ট নিয়ে রোনালদোরা রয়েছেন ‘বি’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে। সুইজারল্যান্ড যথারীতি শীর্ষেই আছে। পাঁচ ম্যাচের সবকটিই জয় পেয়েছে সুইসরা; সংগ্রহ পূর্ণ ১৫ পয়েন্ট।

ফেইসবুক

গলফ
দাবা
লন-টেনিস
হকি
হ্যান্ডবল
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্