সকাল ৯:৫৪, রবিবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং

এক নজরে

এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনে ১৯টি উইকেট তুলে নিলো ইংল্যান্ড। তাতেই দিন-রাতের এই টেস্ট ইনিংস ‌ও ২০৯ রানে জিতে নিলো ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ছন্নছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং। প্রতিরোধ গড়তে পারলেন না কেউই। তিন দিনেই অতিথিদের গুঁড়িয়ে দিয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট জিতল জো রুটের দল। তাতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো ইংল্যান্ড।
শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ৪৭ ওভারে ১৬৮ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ইনিংসে অতিথিদের ব্যাটিং আরও দিশাহীন। ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায়। নেই কোনো কোনো ফিফটি, জুটি বেধেও স্পর্শ করতে পারেনি পঞ্চাশ।
বুক চিতিয়ে একাই লড়লেন জার্মেইন ব্ল্যাকউড, তাতে কাজ হল না। জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে উইকেট শিকারে যোগ দিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড, টরি রোল্যান্ড-জোন্স আর মইন আলি। উড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সব প্রতিরোধ।
ইংল্যান্ডকে আবার ব্যাটিংয়ে নামাতে ৩৪৬ রান দরকার ছিল অতিথিদের। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপদের শুরু জেমস অ্যান্ডারসনের হাত ধরে। কাইরন পাওয়েলকে বিদায় করে প্রথম আঘাত হানেন তিনিই। অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ক্রেইগ ব্রেথয়েট খানিকটা প্রতিরোধ গড়েন। ৭৬ বল টিকে থেকে করেন ৪০ রান।

৫০ এর বেশি বল খেলতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর কোনো ব্যাটসম্যান। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়া রোস্টন চেইস এবার ৪৭ বলে করেন ২৪ রান। বিশের ঘরে যেতে পারেনি অতিথিদের আর কোনো ব্যাটসম্যান।
প্রথম ইনিংসে দলকে ৮ উইকেটে ৫১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দিতে ২৪৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলা ইংলিশ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যালিস্টার কুক জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড। তাতে তিনি ইয়ান বোথামকে ছাড়িয়ে উঠে গেছেন উইকেট শিকারে দ্বিতীয় স্থানে। ইংলিশদের মধ্যে ব্রডের আগে আছেন জেমস অ্যান্ডারসন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অ্যান্ডারসন, টবি রোল্যান্ড-জোন্স ও মইন আলি।
আগামী শুক্রবার হেডিংলিতে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৫১৪/৮ ইনিংস ঘোষণা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ১৬৮
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: ১৩৭ (ব্রেথয়েট ৪০, পাওয়েল ২০; অ্যান্ডারসন ২/১২, ব্রড ৩/৩৪, রোল্যান্ড-জোন্স ২/১৮, মইন ২/৫৪)

বিশ্বাস ছিল দলে ফিরব : নাসির

জাতীয় দলে দীর্ঘদিন উপেক্ষিত। ঘরোয়া ক্রিকেটে একের পর এক দারুণ খেলা উপহার দেয়ার পরও কেন যেন নাসির হোসেন জাতীয় দলে ডাক পাচ্ছিলেন না। নির্বাচক, কোচ কিংবা টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে বরাবরই উপেক্ষিত থাকতে হচ্ছে নাসির হোসেনকে। শেষ পর্যন্ত ভাগ্যের সিঁকে ছিঁড়ল নাসিরের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের জন্য ঘোষিত ১৪ জনের দলে জায়গা পেলেন নাসির।

আজ জাতীয় দলের কোনো অনুশীলন ছিল না। ক্রিকেটাররা যে যার মতো নিজের বাসা কিংবা বাড়িতেই অবস্থান করছিল। মোট কথা, আজ ছিল বিশ্রামের দিন। এ কারণে দল ঘোষণার দিন মাঠে দেখা যায়নি কোনো ক্রিকেটারকে। দলে ফেরার খবর সবার আগে জাগো নিউজের কাছ থেকেই জানতে পারেন নাসির।

টিম ম্যানেজমেন্ট কিংবা নির্বাচক- কারও কাছ থেকে আগে থেকে কোনো ইঙ্গিতও পাননি নাসির। যদিও নিজের ভেতর বিশ্বাস ছিল- কেন যেন এবার আর তাকে উপেক্ষা করা হবে না। দলে ডাকা হবে। অন্তত ১৪ জনের দলে থাকবেন তিনি। সে কথাই জাগো নিউজকে জানান নাসির, ‘কেউ আমাকে আগে থেকে কিছু বলেনি। তবে বিশ্বাস ছিল, ১৪ জনের মধ্যে থাকতে পারি।’

কেন এই এমন বিশ্বাস তৈরি হয়েছে নাসিরের? সেই হেতু নিজেই জানালেন তিনি। বললেন, ‘গত এক বছরের বেশি সময় জাতীয লিগ এবং প্রিমিয়ার লিগসহ ঘরোয়া ক্রিকেটে সাধ্যমত চেষ্টা করেছি ভালো খেলার। আমার বিশ্বাস সেই ভালো খেলাটাকেই মানদণ্ড ধরেছেন নির্বাচকরা। তাই তাদের বিবেচনায় এসেছি। আমার মূল্যায়ন হচ্ছে, ভালো খেলার পুরস্কারই আবার দলে ফিরে আসা।’

জাগো নিউজের সঙ্গে ফোনে যখন কথা বলছিলেন, যখন প্রথম শুনলেন দলে ফিরে এসেছেন তখনও তাকে খুব বেশি উচ্ছ্বাসিত মনে হয়নি। একটা নির্লিপ্ত ভাব। এমন দেখে প্রশ্নই করা হলো, তাহলে কি আপনি উচ্ছসিত কিংবা উল্লসিত নন?

নাসিরের উত্তর, ‘না, তেমন না। এমনিতে খুশি। তবে একদম উল্লসিত হওয়ার মত ঘটনা তো কিছু ঘটেনি। আমার বিশ্বাস ছিল, যে দলে থাকতে পারি এবং সেটাই হয়েছে। যদি বিশ্বাস না থাকতো এবং দলে চলে আসতাম, তাহলে উচ্চসিত হওয়ার কিছু থাকতো।’

আপনাকে নিয়ে তো এর মধ্যে অনেক কথা হচ্ছিল। আবার দলে নেয়া হতে পারে এমন গুঞ্জন আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট এবং নির্বাচকদের পক্ষ থেকে কী কোনো ইঙ্গিত পেয়েছিলেন? প্রধান নির্বাচক কিংবা কোচ কি এ কথা বলেছিলেন যে, অস্ট্রেলিয়া সিরিজে তুমি থাকছ?

জাগো নিউজের কাছ থেকে এমন প্রশ্ন শুনে নাসির বললেন, ‘না ভাই এমন কোনো আভাস কিংবা ইঙ্গিত কেউ দেননি। তবে যখন নেটে ব্যাট করতাম, তখন কোচ খুব মনযোগ দিয়ে আমার ব্যাটিং দেখেছেন এবং প্রায় দিনই ব্যাটিং শেষে বলতেন, ভালো ব্যাটিং করেছ। এটাই ছিল আমার এক রকমের আত্মবিশ্বাসের দাওয়াই যে, কোচ আমার ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেছেন।’

মুমিনুল-মাহমুদউল্লাহ নেই, নাসির এসেছেন দলে। তাকে কী একাদশে রাখা হবে কিংবা টিম কম্বিনেশনে নাসিরের জায়গা কোথায় হবে? তা নিয়ে এখনই জ্বল্পনা-কল্পনার ফানুস উড়তে শুরু করেছে। জাগো নিউজের কাছ থেকে ঠিক সে প্রশ্নই পেলেন নাসির, ‘একাদশে থাকার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী আপনি?’

নাসিরের আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ, ‘আমি অনেক আশাবাদী। তবে, আমার খেলা না খেলা নির্ভর করবে উইকেট ও টিম কম্বিনেশনের ওপর। যদি পেস বোলিং সহায়ক উইকেটে খেলা হয়, তাহলে আমার এগার জনে থাকার সম্ভাবনা অনেক কম। স্লো ও স্পিনিং ট্র্যাকে খেলা হলে টিম কম্বিনেশনে আমি হয়তো বিবেচনায় থাকতে পারি।’

 

ক্রিকেট

তিনদিনেই ধরাশায়ী ‌ওয়েস্ট ইন্ডিজ

এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনে ১৯টি উইকেট তুলে নিলো ইংল্যান্ড। তাতেই দিন-রাতের এই টেস্ট ইনিংস ‌ও ২০৯ রানে জিতে নিলো ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ছন্নছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং। প্রতিরোধ গড়তে পারলেন না কেউই। তিন দিনেই অতিথিদের গুঁড়িয়ে দিয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট জিতল জো রুটের দল। তাতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো ইংল্যান্ড।
শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ৪৭ ওভারে ১৬৮ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ইনিংসে অতিথিদের ব্যাটিং আরও দিশাহীন। ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায়। নেই কোনো কোনো ফিফটি, জুটি বেধেও স্পর্শ করতে পারেনি পঞ্চাশ।
বুক চিতিয়ে একাই লড়লেন জার্মেইন ব্ল্যাকউড, তাতে কাজ হল না। জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে উইকেট শিকারে যোগ দিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড, টরি রোল্যান্ড-জোন্স আর মইন আলি। উড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সব প্রতিরোধ।
ইংল্যান্ডকে আবার ব্যাটিংয়ে নামাতে ৩৪৬ রান দরকার ছিল অতিথিদের। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপদের শুরু জেমস অ্যান্ডারসনের হাত ধরে। কাইরন পাওয়েলকে বিদায় করে প্রথম আঘাত হানেন তিনিই। অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ক্রেইগ ব্রেথয়েট খানিকটা প্রতিরোধ গড়েন। ৭৬ বল টিকে থেকে করেন ৪০ রান।

৫০ এর বেশি বল খেলতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর কোনো ব্যাটসম্যান। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়া রোস্টন চেইস এবার ৪৭ বলে করেন ২৪ রান। বিশের ঘরে যেতে পারেনি অতিথিদের আর কোনো ব্যাটসম্যান।
প্রথম ইনিংসে দলকে ৮ উইকেটে ৫১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দিতে ২৪৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলা ইংলিশ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যালিস্টার কুক জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড। তাতে তিনি ইয়ান বোথামকে ছাড়িয়ে উঠে গেছেন উইকেট শিকারে দ্বিতীয় স্থানে। ইংলিশদের মধ্যে ব্রডের আগে আছেন জেমস অ্যান্ডারসন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অ্যান্ডারসন, টবি রোল্যান্ড-জোন্স ও মইন আলি।
আগামী শুক্রবার হেডিংলিতে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৫১৪/৮ ইনিংস ঘোষণা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ১৬৮
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: ১৩৭ (ব্রেথয়েট ৪০, পাওয়েল ২০; অ্যান্ডারসন ২/১২, ব্রড ৩/৩৪, রোল্যান্ড-জোন্স ২/১৮, মইন ২/৫৪)

ফুটবল

আজ মাঠে নামছে রিয়াল-বার্সা

ভ্যালেন্সিয়া-লাস পালমাস ম্যাচ দিয়ে শুক্রবার শুরু হয়েছে লা লিগা। তারপরও ঠিক পূর্ণতা পাচ্ছিল না বিশ্বের অন্যতম সেরা এ লিগ। সেটা রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার কারণে। আজ রোববারই দূর হচ্ছে সে অপূর্ণতা— মাঠে নামছে দুই পরাশক্তি।
বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১২টায় ন্যু ক্যাম্পে রিয়াল বেতিসকে আতিথ্য দেবে বার্সেলোনা। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ খেলবে দেপোর্তিভো লা করুনার মাঠে। রাত সোয়া ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি। এদিন আরেক ম্যাচে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের প্রতিপক্ষ গেটাফে।
স্পেনের যে প্রান্তেই খেলা হোক, এ সপ্তাহের ম্যাচগুলোতে বারবার উচ্চারিত হবে ‘বার্সেলোনা’ শব্দটি। বার্সেলোনার লাস রাম্বলাসে বৃহস্পতিবারের সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণে ম্যাচগুলোয় অংশ নেয়া খেলোয়াড়দের বাহুতে থাকবে কালো বন্ধনী। জনাকীর্ণ স্থানে ভ্যান তুলে দেয়ার অভিনব ওই হামলায় ১৪ জন নিহত হন, আহত হন শতাধিক ব্যক্তি।
নিহতদের স্মরণে বার্সেলোনা বিশেষ জার্সি পরে রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে খেলবে। যেখানে খেলোয়াড়ের নামের স্থলে লেখা থাকবে ‘বার্সেলোনা’। জার্সির সামনের অংশে কাতালান ভাষায় লেখা থাকবে ‘আমরা সকলেই বার্সেলোনার’। এছাড়া খেলোয়াড়দের বাহুতে থাকবে কালো বন্ধনী। ম্যাচের আগে পালিত হবে এক মিনিটের নীরবতা।

‘কঠিন এ সময়ে নিহত এবং তাদের পরিবারের প্রতি আমরা সংহতি প্রকাশ করছি। যে যার জায়গা থেকে একে অপরকে সহায়তার জন্যই আমরা এখানে আছি’— এ সম্পর্কে বলছিলেন বার্সেলোনার কোচ আর্নেস্টো ভালভার্দে। এ ম্যাচ দিয়েই কাতালান ক্লাবটির কোচ হিসেবে লা লিগায় অভিষিক্ত হচ্ছেন ৫৩ বছর বয়সী এ কোচ।
রিয়ালের কাছে গত মৌসুমে লা লিগা খোয়ানো বার্সেলোনা লিগ শুরু করছে দুঃসময়কে সঙ্গী করে। প্রবল প্রতিপক্ষ রিয়ালের কাছে স্প্যানিশ সুপার কাপের দুই লেগে হেরে মৌসুম শুরু হয়েছে। বার্সা ছেড়ে পিএসজি-তে নাম লেখানো নেইমারের বিকল্পও খুঁজে পায়নি সময়ের অন্যতম সেরা ক্লাবটি। এদিকে আছে ইনজুরির খড়্গ। বেতিসের বিপক্ষে হয়তো এসব প্রভাব ফেলবে না। কারণ সর্বশেষ ১২ মোকাবেলায় বার্সাকে হারাতে পারেনি ক্লাবটি। সর্বশেষ জয় ২০০৮ সালে। ২০০৮ সালেই হার দিয়ে মৌসুম শুরুর সর্বশেষ নজির আছে বার্সার।
রিয়ালও দুর্দান্ত রেকর্ড নিয়েই দেপোর্তিভোর মুখোমুখি হচ্ছে। সর্বশেষ ১৩ ম্যাচের ১২ জয় মাদ্রিদের ক্লাবটির, আরেক ম্যাচ ড্র হয়। রিয়ালকে হারানোর সর্বশেষ অনুভূতি ২০০৮-০৯ মৌসুমে পেয়েছিল দেপোর্তিভো। ২০১৪ সালে এ দলটির বিপক্ষে পাওয়া ৮-২ গোলের জয়টি রিয়ালের অ্যাওয়েতে সবচেয়ে বড়।


ভিডিও
ICC #WT20 England Women vs Bangladesh Women Match Highlights
New Zealand vs Bangladesh world T 20 2016 Highlights HD
More Video
ফেইসবুক

হ্যান্ডবল
গলফ
দাবা
হকি
লন-টেনিস
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্