রাত ৪:৫৮, বৃহস্পতিবার, ২১শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

এক নজরে

এমন জয়ের কথা শুধুমাত্র স্বপ্নেই ভাবা যায়। স্বপ্নের সেই ভাবনাকে বাস্তবতায় রূপ দিলো পেশাদার ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী। উত্তর কোরিয়ার চ্যাম্পিয়ন দল এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভকে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে দারুণ আনন্দের উপলক্ষ এনে দিলো আকাশি-হলুদ শিবির। এই জয়ে এএফসি কাপে ফাইনালে খেলার পথে বেশ এগিয়ে গেল দলটি। ফিরতি লেগে ড্র করতে পারলেই স্বপ্ন পূরণ হবে ঢাকা আবাহনীর।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অবশ্য দারুণ শুরু করে আবাহনী। ম্যাচের ২০ মিনিটেই গোল করার দারুণ দুটি সুযোগ পেয়েছিল দলটি। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে খেলার ৩৩ মিনিটে। সোহেল রানার গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী। জীবনের পাস থেকে দূরপাল্লার জোরালো এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরোয়ার্ড। অবশ্য গোল শোধ করতে খুব বেশি সময় নেয়নি টোয়েন্টি ফাইভ। হিওক খলের ব্যাক হিল থেকে বল পেয়ে চয় জং হিয়োকের নেওয়া শট জালে জড়ালে সমতায় ফেরে উত্তর কোরিয়ার দলটি।

৩৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় আবাহনী। এবার গোলদাতা নাবীব ন‌ওয়াজ জীবন। রায়হানের থ্রো টোয়েন্টি ফাইভের খেলোয়াড়রা ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে না পারলে বল পেয়ে যান ডি বক্সের বাইরে থাকা ওয়ালি ফয়সাল। পাস দেন জীবনকে। বল পেয়ে জালে জড়াতে কোন ভুল করেননি দেশের অন্যতম সেরা এ স্ট্রাইকার। এএফসির এ টুর্নামেন্টে এটা তার তৃতীয় গোল।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকা উত্তর কোরিয়ার দলটি দ্বিতীয়ার্ধের ৯ মিনিট যেতেই সমতায় ফেরে। কোণাকোণি শটে গোলরক্ষক শহিদুলকে পরাস্ত করেন রিম চোল মিনে। তবে আবার এগিয়ে যেতে ৩ মিনিটের বেশি সময় নেয়নি আবাহনী। টুটুল হোসেন বাদশাহর পাস থেকে গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে দারুণ এক গোল করেন সানজে চিজোবা। এর ঠিক চার মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়ান এ নাইজেরিয়ান। বেলফোর্টের পাস থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে আবাহনীর জন্য অনেকটাই নিশ্চিত করেন তিনি।

৭৭ মিনিটে ব্যবধান কমান এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভের সং রক প্যাক। এরপর আর কোনো গোল না হলে ৪-৩ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। তবে যোগ করা সময়ে একবার পোস্টে লেগে বল ফিরে আসলে বেঁচে যায় আবাহনী।

রক্ষণ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল আবাহনীর। মাসিহ সাইঘানি দল ছেড়েছেন। কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় আলা নাস ইসাকেও পায়নি দলটি। শেষ পর্যন্ত সেটাই কাল হয়েছে। ৩টি গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। এ তিন গোলের সুবিধা কিছুটা হলে পাবে এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ। তাই ফিরতি লেগে আবাহনীর মূল লক্ষ্যই থাকবে ডিফেন্সের শক্তি বাড়ানো।

আগামী ২৮ আগস্ট উত্তর কোরিয়ার পিয়ং ইয়ংয়ে দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দল দুটি। সেই ম্যাচে ঢাকা আবাহনী ড্র করলেই এএফসি কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দল ঢাকা আবাহনী।

বাংলাদেশের উন্নতিতে অবদান রাখার প্রত্যয় ডমিঙ্গোর

সময়োপোযোগী সিদ্ধান্তের অভাবেই দ্বারপ্রান্তে থেকেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাফল্য পাচ্ছেনা বলে মনে করেন নতুন দায়িত্ব নেয়া হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। সেই সঠিক দিকনির্দেশনা দিতেই তিনি এসেছেন বলে প্রথম দিনেই জানিয়ে দেন। এদিকে, পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট মনে করেন, এদেশের উইকেট আর কন্ডিশন বিবেচনায় দেশে ও দেশের বাইরে পেস বোলিংয়ে দলকে নেতৃত্ব দেয়ার মত বোলার খুঁজে বের করাই তার প্রথম পরীক্ষা। আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তারা।

ঢাকা পৌছানোর পরদিনই জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্পে হাজির দুই দক্ষিণ আফ্রিকান, হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো আর পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট। আগামী দু-এক সপ্তাহে খেলোয়াড়দের বোঝা আর তাদের সাথে অন্তরঙ্গ হওয়াই এখন প্রথম কাজ মনে করছেন তারা। অষ্টম স্থানে থেকে বিশ্বকাপে নিজেদের যাত্রা শেষ করেছে বাংলাদেশ। তবে সেটাই এদেশের ক্রিকেটের আসল চেহারা বলে মনে না করে বরং বাংলাদেশের ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানোর দিকেই মনোযোগ দিতে চান, হেড কোচ ডমিঙ্গো। তাই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠাকে স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব দিচ্ছেন ডমিঙ্গো। তিনি বলেন, ‘শুরুতেই আমার লক্ষ্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন। সুসম্পর্ক গড়ে তোলা; খেলোয়াড়ের বিশ্বাস অর্জনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আগামী দু-এক সপ্তাহ সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবো। পর্যবেক্ষণটা হবে, খেলোয়াড়েরা আমার কাছ থেকে কেমন শিখতে পারছে।’

হারের পর বাংলাদেশের ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের যে সমালোচনা সইতে হয়, তা নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন ডোমিঙ্গো। বরং দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হিসেবেও এই পাহাড় সমান প্রত্যাশার চাপ সহ্য করার অভ্যেস তার আছে বলেই জানালেন, সাংবাদিকদের। রাসেল ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমি মনে করি না শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেছে বলেই বাংলাদেশ খুব বাজে দল। আমি শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব বেশি পড়িনি। বিশ্বকাপে তারা কিন্তু সত্যিই খুব ভালো খেলেছে। কয়েকটি ম্যাচে জেতার খুব কাছে গিয়েও বাংলাদেশ হেরেছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তো ওই রান আউটটিই সর্বনাশ করেছে। এই দলটা বিশ্ব ক্রিকেটে শক্তিশালী দল হয়ে ওঠার খুব কাছেই রয়েছে।’

একই দিনে পেস বোলারদের গুরু হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আরেক প্রোটিয়া শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট। উইকেট কন্ডিশন পেস-বান্ধব না জেনেও চ্যালেঞ্জটা নিজের মত করেই নিচ্ছেন তিনি। পেসারদের জন্য প্রথম বার্তাটা যেনো সংবাদ সম্মেলনে এসেই দিলেন ল্যাঙ্গাভেল্ট। তিনি বলেন, ‘ছেলেদের জন্য প্রথম বার্তা থাকবে নিজেদের সেরা ছন্দ পাওয়ার পথটা বের করা এবং ফিটনেসের প্রতি বাড়তি তাগিদ দেয়া। লাইন-লেন্থ অবশ্যই যেকোনো বোলারের জন্য প্রথম বিষয়। একইসঙ্গে পরিশ্রম এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রথম কাজ হচ্ছে এখন যারা আছে দলের আশপাশে তাদের উন্নতি করা। তবে দেখলাম অনুর্ধ্ব-১৯ দল ইংল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হারিয়ে এসেছে, কাজেই সে দল থেকে প্রতিভাবান বোলারদের নিয়েও কাজ করবো।’

খেলোয়াড়দের কাছে নিজেদের কোনো প্রত্যাশা নেই বলে জানিয়েছেন দুই কোচ। বরং খেলোয়াড়রা তাদের কাছে কি চাইছে, সেটা বুঝেই নিজেদের সামর্থ্যকে নিংড়ে দেয়ার প্রত্যয় তাদের।

ক্রিকেট

‌ওয়েস্ট ইন্ডিজের বর্ষসেরা ক্রিকেটার হোল্ডার

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বর্ষসেরা সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। গত সোমবার ২০১৮-১৯ মৌসুমের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিরতরণ করা হয়। এদিকে নারী দলের বর্সসেরা হন অলরাউন্ডার দেয়ান্দ্রা ডটিন। দুজনই জিতেছেন একাধিক পুরস্কার।

ক্যারিবীয় ক্রিকেটের ২০১৮-১৯ মৌসুমের বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পাশাপাশি বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারও নির্বাচিত হন হোল্ডার। অন্যদিকে বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটার, বর্ষসেরা নারী ওয়ানডে ক্রিকেটার ও বর্ষসেরা নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার- তিনটি পুরস্কারেই জিতেছেন ডটিন।

এদিকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটারের পুরস্কার জেতেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান শাই হোপ। বিবেচিত সময়কালের মধ্যে ৩টি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ৭৫৭ রান করেন হোপ। বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি পুরস্কারের খেতাবটা পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার কেমো পল। উদীয়মান ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হন গতিতারকা ওশান থমাস।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্যার গ্যারি সোবার্সের পর প্রায় ৪৫ বছরের পরে প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ‌ওঠেন হোল্ডার। এছাড়াও ২০০১ সালে কোর্টনি ওয়ালশের পর বোলিং র‍্যাংকিংয়ে সর্বোচ্চ ৭৭৮ রেটিং অর্জন করেন তিনি।

এছাড়া জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেন হোল্ডার। যা কি-না ৮ বার তার নিচে নেমে তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। সবমিলিয়ে বিবেচিত সময়ের মধ্যে মাত্র ৮ ম্যাচে ৫৬৫ রান ও ৪০ উইকেট শিকার করেছেন হোল্ডার। যে কারণে সেরা টেস্ট ক্রিকেটারের পুরস্কারে পেতে কোনো সমস্যা হয়নি তার।

ফুটবল

আবাহনীর স্মরণীয় জয়

এমন জয়ের কথা শুধুমাত্র স্বপ্নেই ভাবা যায়। স্বপ্নের সেই ভাবনাকে বাস্তবতায় রূপ দিলো পেশাদার ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী। উত্তর কোরিয়ার চ্যাম্পিয়ন দল এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভকে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে দারুণ আনন্দের উপলক্ষ এনে দিলো আকাশি-হলুদ শিবির। এই জয়ে এএফসি কাপে ফাইনালে খেলার পথে বেশ এগিয়ে গেল দলটি। ফিরতি লেগে ড্র করতে পারলেই স্বপ্ন পূরণ হবে ঢাকা আবাহনীর।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অবশ্য দারুণ শুরু করে আবাহনী। ম্যাচের ২০ মিনিটেই গোল করার দারুণ দুটি সুযোগ পেয়েছিল দলটি। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে খেলার ৩৩ মিনিটে। সোহেল রানার গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী। জীবনের পাস থেকে দূরপাল্লার জোরালো এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরোয়ার্ড। অবশ্য গোল শোধ করতে খুব বেশি সময় নেয়নি টোয়েন্টি ফাইভ। হিওক খলের ব্যাক হিল থেকে বল পেয়ে চয় জং হিয়োকের নেওয়া শট জালে জড়ালে সমতায় ফেরে উত্তর কোরিয়ার দলটি।

৩৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় আবাহনী। এবার গোলদাতা নাবীব ন‌ওয়াজ জীবন। রায়হানের থ্রো টোয়েন্টি ফাইভের খেলোয়াড়রা ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে না পারলে বল পেয়ে যান ডি বক্সের বাইরে থাকা ওয়ালি ফয়সাল। পাস দেন জীবনকে। বল পেয়ে জালে জড়াতে কোন ভুল করেননি দেশের অন্যতম সেরা এ স্ট্রাইকার। এএফসির এ টুর্নামেন্টে এটা তার তৃতীয় গোল।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকা উত্তর কোরিয়ার দলটি দ্বিতীয়ার্ধের ৯ মিনিট যেতেই সমতায় ফেরে। কোণাকোণি শটে গোলরক্ষক শহিদুলকে পরাস্ত করেন রিম চোল মিনে। তবে আবার এগিয়ে যেতে ৩ মিনিটের বেশি সময় নেয়নি আবাহনী। টুটুল হোসেন বাদশাহর পাস থেকে গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে দারুণ এক গোল করেন সানজে চিজোবা। এর ঠিক চার মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়ান এ নাইজেরিয়ান। বেলফোর্টের পাস থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে আবাহনীর জন্য অনেকটাই নিশ্চিত করেন তিনি।

৭৭ মিনিটে ব্যবধান কমান এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভের সং রক প্যাক। এরপর আর কোনো গোল না হলে ৪-৩ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। তবে যোগ করা সময়ে একবার পোস্টে লেগে বল ফিরে আসলে বেঁচে যায় আবাহনী।

রক্ষণ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল আবাহনীর। মাসিহ সাইঘানি দল ছেড়েছেন। কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় আলা নাস ইসাকেও পায়নি দলটি। শেষ পর্যন্ত সেটাই কাল হয়েছে। ৩টি গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। এ তিন গোলের সুবিধা কিছুটা হলে পাবে এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ। তাই ফিরতি লেগে আবাহনীর মূল লক্ষ্যই থাকবে ডিফেন্সের শক্তি বাড়ানো।

আগামী ২৮ আগস্ট উত্তর কোরিয়ার পিয়ং ইয়ংয়ে দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দল দুটি। সেই ম্যাচে ঢাকা আবাহনী ড্র করলেই এএফসি কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দল ঢাকা আবাহনী।


ভিডিও
‌ওয়ালটন গলফ
নেশন্স কাপের সেমিফাইনালে নাইজেরিয়া
More Video
ফেইসবুক

হ্যান্ডবল
গলফ
দাবা
হকি
লন-টেনিস
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্