রাত ৪:৩১, শুক্রবার, ৩০শে মার্চ, ২০১৭ ইং

এক নজরে

অনেক দিনই হয়ে গেল, ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হচ্ছে না। মূলত দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরি সম্পর্কের কারণেই দুদলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ মাঠে গড়াচ্ছে না। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চাইলে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ঘটে উল্টোটাও।

সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিসিসিআই। কারও কাছে এটা গুঞ্জন মনে হতে পারে। কিন্তু না। সত্যিই পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি সিরিজ খেলতে চাচ্ছে ভারত।

গতকাল (বুধবার) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস খবর জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী দুবাইতে গিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলার জন্য ভারতীয় সরকারের কাছে অনুমতি চেয়েছে বিসিসিআই। সরকার অনুমতি দিলেই সিরিজ চূড়ান্ত করা হবে।

তার মানে, আশার আলো দেখতে শুরু করেছে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ঠিক তখনই উত্তেজনা বাড়িয়ে দিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। জানালেন, হেরে যাওয়ার ভয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে চায় না ভারত।

সামা টিভিকে সরফরাজ বলেন, ‘দেখবেন, পাকিস্তান সব সময়ই ভারতের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী। আমরা এগিয়ে আসি। তাদের (ভারত) উচিত ইতিবাচক সাড়া দেয়া। ভারত সম্ভবত পাকিস্তানকে ভয় পায়; কারণ হেরে যেতে পারে। এজন্যই আমাদের বিপক্ষে খেলে না।’

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুই দল মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচে ভারতকে হারানোর হুমকি দিয়ে রাখলেন সরফরাজ। বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। আমরা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে জিততে চাই। সব দলের বিপক্ষে ভালো খেলা আমাদের লক্ষ্য।’

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে ক্রিকেট কূটনীতিও আর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোড়া লাগাতে পারেনি। ২০১১ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে দুই দেশের মুখোমুখি হওয়ার পর থেকে একটা সম্ভাবনা উঁকি দিয়েছিল। পাকিস্তান ভারতের মাটিতে এসে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেও গিয়েছিল। তবু নানা কারণে দুই দেশের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার চেয়ে শীতলই হচ্ছে বেশি।

মোস্তাফিজকে আলাদা ক্লাস হাথুরুর

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঠিক নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি মোস্তাফিজ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে দিন গেছে তার। তিন স্পেলে মোট আট ওভার বল করে ৭.৫০ গড়ে দিয়েছেন ৬০ রান। তাই শেষ ওয়ানডেতে নামার আগে কোচ হাথুরুসিংহে ও ওয়ালশের আলাদা ক্লাসে দেখা মিললো কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের।

এর আগে ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ড সফরের প্রথম ওয়ানডেতে ১০ ওভার বল করে ৬২ রান দিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। ওয়ানডের কোন ম্যাচে মোস্তাফিজের সবচেয়ে বেশি রান দেয়ার রেকর্ডও এতদিন ছিল ওটাই। এছাড়া আগের ১২ ওয়ানডেতে ওভারপ্রতি ছয়ের বেশি রান দিয়েছেন মাত্র দুবার। তবে কখনোই সেটি সাতে পৌঁছায়নি। আর এ ম্যাচে সাত ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে শুধু ওভারপ্রতি রানের গড় বেশিই নয়, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারিও যে হজম করতে হয়েছে কাটার মাস্টারকে। সাত বাউন্ডারি আর এক ছক্কা মিলিয়ে মোট আটবার তার বল মাঠের বাইরে পাঠিয়েছেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা।

সিরিজের শেষ ম্যাচ জিততে মোস্তাফিজকে ঠিকই জ্বলে উঠতে হবে মোস্তাফিজকে। এটাই সবার চাওয়া। তাই টাইগারদের প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে ও বোলিং কোচ ওয়ালশের অধীনে ঐচ্ছিক দিনেও বল করতে দেখা গেল মোস্তাফিজকে। আগের সেই স্লোয়ার, অন কাটার, অফ কাটার ফিরে পেতে নিজেকে ঝালিয়ে নিচ্ছেন বাংলাদেশের বিস্ময় এই বালক।

 

এদিকে ঐচ্ছিক অনুশীলনে মাশরাফি-সাকিবরা যোগ না দিলেও ঠিক মাঠে গেছেন মুশফিক। মাঠে হাজির হয়েই যথারীতি প্রথমে ব্যাট হাতে অনুশীলনে নেমে পড়েন মুশফিকুর রহীম। বেশ কিছুক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলন করার পর উইকেটকিপিং অনুশীলনও করেন টাইগার এই তারকা।

মুশফিক-মোস্তাফিজ ছাড়াও সৌম্যও অনুশীলন করতে এসেছেন। এছাড়া প্রথম দুই ওয়ানডে মাঠে না নামা রুবেল, শুভাশিস, সানজামুল, শুভাগত হোম, নুরুল হাসান সোহান ও ইমরুল কায়েস ঐচ্ছিক অনুশীলনে মাঠে ছিলেন।

ক্রিকেট

‘পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে ভয় পায় ভারত’

অনেক দিনই হয়ে গেল, ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হচ্ছে না। মূলত দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরি সম্পর্কের কারণেই দুদলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ মাঠে গড়াচ্ছে না। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চাইলে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ঘটে উল্টোটাও।

সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিসিসিআই। কারও কাছে এটা গুঞ্জন মনে হতে পারে। কিন্তু না। সত্যিই পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি সিরিজ খেলতে চাচ্ছে ভারত।

গতকাল (বুধবার) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস খবর জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী দুবাইতে গিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলার জন্য ভারতীয় সরকারের কাছে অনুমতি চেয়েছে বিসিসিআই। সরকার অনুমতি দিলেই সিরিজ চূড়ান্ত করা হবে।

তার মানে, আশার আলো দেখতে শুরু করেছে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ঠিক তখনই উত্তেজনা বাড়িয়ে দিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। জানালেন, হেরে যাওয়ার ভয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে চায় না ভারত।

সামা টিভিকে সরফরাজ বলেন, ‘দেখবেন, পাকিস্তান সব সময়ই ভারতের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী। আমরা এগিয়ে আসি। তাদের (ভারত) উচিত ইতিবাচক সাড়া দেয়া। ভারত সম্ভবত পাকিস্তানকে ভয় পায়; কারণ হেরে যেতে পারে। এজন্যই আমাদের বিপক্ষে খেলে না।’

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুই দল মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচে ভারতকে হারানোর হুমকি দিয়ে রাখলেন সরফরাজ। বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। আমরা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে জিততে চাই। সব দলের বিপক্ষে ভালো খেলা আমাদের লক্ষ্য।’

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে ক্রিকেট কূটনীতিও আর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোড়া লাগাতে পারেনি। ২০১১ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে দুই দেশের মুখোমুখি হওয়ার পর থেকে একটা সম্ভাবনা উঁকি দিয়েছিল। পাকিস্তান ভারতের মাটিতে এসে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেও গিয়েছিল। তবু নানা কারণে দুই দেশের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার চেয়ে শীতলই হচ্ছে বেশি।

ফুটবল

রেফারিকে গালি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার মেসির

চিলির বিপক্ষে ম্যাচে সহকারী রেফারির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে জাতীয় দলের হয়ে চার ম্যাচে নিষিদ্ধ করা হয় মেসিকে। তবে মেসির নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করবে আর্জেন্টিনা। এছাড়া মেসির ক্লাব বার্সা ও ক্লাব সতীর্থ পিকেও পাশে দাঁড়িয়েছেন মেসির। এবার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ খুললেন মেসি। আর রেফারিকে গালি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকারও করলেন এই তারকা।

আর্জেন্টিনার দৈনিক লা ন্যাসিওন মেসিকে উদ্ধৃতি করে লিখেছে, ‘রেফারিকে উদ্দেশ করে তিনি গালি দেননি। বরং হতাশা থেকে মন্তব্যগুলো আপন মনে বলছিলাম।’

২৩ মার্চ আর্জেন্টিনা নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল চিলির। ওই ম্যাচে মেসির পেনাল্টি গোল থেকে কোনমতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ চলাকালীনই ঝামেলা পাকান মেসি; তর্কে জড়িয়ে পড়েন লাইন্সম্যানের সঙ্গে।

ফিফার নিয়ম রয়েছে, ম্যাচ রেফারির পক্ষ থেকে কোনো খেলোয়াড়ের বিসয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিপক্ষে যে কোনো অ্যাকশন নিতে পারে ফিফা।

উল্লেখ্য, মেসিকে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ১০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানাও করা হয়েছে।

ফেইসবুক

গলফ
দাবা
লন-টেনিস
হকি
হ্যান্ডবল
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্