সকাল ৭:১৩, বৃহস্পতিবার, ২৫শে মে, ২০১৭ ইং

এক নজরে

কত স্বপ্ন আর কত আকাঙ্খা জড়িয়ে ছিল এই একটি ম্যাচ ঘিরে। এই একটি ম্যাচে হবে অনেক অর্জন। মোটা দাগে বললে তিনটি বড় বড় অর্জন তো হবেই বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডই একমাত্র দেশ বাকি ছিল, যাদেরকে বিদেশের মাটিতে পরাজয়ের স্বাদ দিতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই অপূর্ণ স্বাদ আস্বাদন করা। একই সঙ্গে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে ছয় নম্বরে উঠে যাওয়া এবং সর্বশেষ বড় প্রাপ্তি, ২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলা।
৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। বুধবার জয় দিয়ে শেষটা রাঙানোর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের ৬ নম্বরে উঠেছে টাইগাররা।
নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশ ছিল সপ্তম স্থানে। কিউইদের ৫ উইকেটে হারানোয় মাশরাফির দলের রেটিং পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৯৩। শ্রীলঙ্কার পয়েন্টও সমান, তবে ভগ্নাংশে এগিয়ে থেকে ছয়ে উঠে গেছে বাংলাদেশ। আর শ্রীলঙ্কা নেমে গেছে সপ্তম স্থানে।
ষষ্ঠ স্থানে উঠে যাওয়ায় সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার দৌড়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে গেল টাইগাররা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।
অবশ্য অত দিন অপো না-ও করতে হতে পারে। আগামী ১ জুন শুরু হতে হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুটো ম্যাচ জিতলে ২০১৯ বিশ্বকাপ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের।
ডাবলিনের কনটার্ফ ক্রিকেট কাব গ্রাউন্ডে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সবগুলো অর্জন একসঙ্গে ব্যাগ পুরে নিলো মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। কিউইদের ছুড়ে দেয়া ২৭১ রানের ল্য তাড়া করতে নেমে ১০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
প্রথম দিকে জয়ের নায়ক ছিলেন তামিম ইকবাল এবং সাব্বির রহমান। দু’জনের ১৩৬ রানের অসাধারণ এক জুটি বাংলাদেশকে জয়ের ভিত তৈরি করে দেয়। মাঝে চারটি উইকেট টানা পড়ে গেলেও দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭২ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বহু আকাংখিত জয়টি উপহার দেন। মুশফিক ৪৫ বলে ৪৫ এবং মাহমুদুল্লাহ ৩৬ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
১৭১ রানের ল্েয ব্যাট করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ধকল টাইগাররা সামলে উঠেছেন দ্বিতীয় উইকেটে। এই জুটিতে বাংলাদেশ পায় ১৩৬ রান। জুটি ভাঙল তামিম আউট হওয়ায়। মিচেল স্যান্টনারের বল মিড উইকেটে উড়িয়ে মারতে গিয়ে হাশিম বেনেটের তালুবন্দি হন তামিম।
তামিমের বিদায়ের পর খুব বেশিণ ক্রিজে থাকতে পারলেন না সাব্বিরও। মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউটে কাটা পড়লেন সাব্বির। এরপর ১০ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
সৈকতের পর বিদায় নেন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলীয় ১৬০ রানের মাথায় জিতান প্যাটেলের বলে প্যাডে বল লাগিয়ে এলবিডব্লিউ হন তিনি। উইকেটে নামা সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহীম মিলে চেষ্টা করেন ৩৯ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার। দলীয় ১৯৯ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সাকিব আল হাসানও। হামিশ বেনেটের বলে লং লেগ অঞ্চলে তার ক্যাচ ধরেন মিচেল সান্টনার। এরপরই জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর মুশফিকুর রহিম।
২৭১ রানের ল্য। তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন সৌম্য সরকার। তিনি শিকার জিতান প্যাটেলের। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে সজোরে ব্যাট চালাতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার কোরি অ্যান্ডারসনের হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশি ওপেনার।
এদিকে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন নিউজিল্যান্ডের তিন ব্যাটসম্যান। টম ল্যাথাম, নেইল ব্রুমের পর রস টেলর। এই তিন ফিফটিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭০ রান তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয় টাইগারদের

কত স্বপ্ন আর কত আকাঙ্খা জড়িয়ে ছিল এই একটি ম্যাচ ঘিরে। এই একটি ম্যাচে হবে অনেক অর্জন। মোটা দাগে বললে তিনটি বড় বড় অর্জন তো হবেই বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডই একমাত্র দেশ বাকি ছিল, যাদেরকে বিদেশের মাটিতে পরাজয়ের স্বাদ দিতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই অপূর্ণ স্বাদ আস্বাদন করা। একই সঙ্গে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে ছয় নম্বরে উঠে যাওয়া এবং সর্বশেষ বড় প্রাপ্তি, ২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলা।
৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। বুধবার জয় দিয়ে শেষটা রাঙানোর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের ৬ নম্বরে উঠেছে টাইগাররা।
নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশ ছিল সপ্তম স্থানে। কিউইদের ৫ উইকেটে হারানোয় মাশরাফির দলের রেটিং পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৯৩। শ্রীলঙ্কার পয়েন্টও সমান, তবে ভগ্নাংশে এগিয়ে থেকে ছয়ে উঠে গেছে বাংলাদেশ। আর শ্রীলঙ্কা নেমে গেছে সপ্তম স্থানে।
ষষ্ঠ স্থানে উঠে যাওয়ায় সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার দৌড়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে গেল টাইগাররা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।
অবশ্য অত দিন অপো না-ও করতে হতে পারে। আগামী ১ জুন শুরু হতে হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুটো ম্যাচ জিতলে ২০১৯ বিশ্বকাপ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের।
ডাবলিনের কনটার্ফ ক্রিকেট কাব গ্রাউন্ডে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সবগুলো অর্জন একসঙ্গে ব্যাগ পুরে নিলো মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। কিউইদের ছুড়ে দেয়া ২৭১ রানের ল্য তাড়া করতে নেমে ১০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
প্রথম দিকে জয়ের নায়ক ছিলেন তামিম ইকবাল এবং সাব্বির রহমান। দু’জনের ১৩৬ রানের অসাধারণ এক জুটি বাংলাদেশকে জয়ের ভিত তৈরি করে দেয়। মাঝে চারটি উইকেট টানা পড়ে গেলেও দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭২ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বহু আকাংখিত জয়টি উপহার দেন। মুশফিক ৪৫ বলে ৪৫ এবং মাহমুদুল্লাহ ৩৬ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
১৭১ রানের ল্েয ব্যাট করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ধকল টাইগাররা সামলে উঠেছেন দ্বিতীয় উইকেটে। এই জুটিতে বাংলাদেশ পায় ১৩৬ রান। জুটি ভাঙল তামিম আউট হওয়ায়। মিচেল স্যান্টনারের বল মিড উইকেটে উড়িয়ে মারতে গিয়ে হাশিম বেনেটের তালুবন্দি হন তামিম।
তামিমের বিদায়ের পর খুব বেশিণ ক্রিজে থাকতে পারলেন না সাব্বিরও। মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউটে কাটা পড়লেন সাব্বির। এরপর ১০ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
সৈকতের পর বিদায় নেন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলীয় ১৬০ রানের মাথায় জিতান প্যাটেলের বলে প্যাডে বল লাগিয়ে এলবিডব্লিউ হন তিনি। উইকেটে নামা সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহীম মিলে চেষ্টা করেন ৩৯ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার। দলীয় ১৯৯ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সাকিব আল হাসানও। হামিশ বেনেটের বলে লং লেগ অঞ্চলে তার ক্যাচ ধরেন মিচেল সান্টনার। এরপরই জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর মুশফিকুর রহিম।
২৭১ রানের ল্য। তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন সৌম্য সরকার। তিনি শিকার জিতান প্যাটেলের। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে সজোরে ব্যাট চালাতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার কোরি অ্যান্ডারসনের হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশি ওপেনার।
এদিকে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন নিউজিল্যান্ডের তিন ব্যাটসম্যান। টম ল্যাথাম, নেইল ব্রুমের পর রস টেলর। এই তিন ফিফটিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭০ রান তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।

ক্রিকেট

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয় টাইগারদের

কত স্বপ্ন আর কত আকাঙ্খা জড়িয়ে ছিল এই একটি ম্যাচ ঘিরে। এই একটি ম্যাচে হবে অনেক অর্জন। মোটা দাগে বললে তিনটি বড় বড় অর্জন তো হবেই বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডই একমাত্র দেশ বাকি ছিল, যাদেরকে বিদেশের মাটিতে পরাজয়ের স্বাদ দিতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই অপূর্ণ স্বাদ আস্বাদন করা। একই সঙ্গে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে ছয় নম্বরে উঠে যাওয়া এবং সর্বশেষ বড় প্রাপ্তি, ২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলা।
৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। বুধবার জয় দিয়ে শেষটা রাঙানোর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের ৬ নম্বরে উঠেছে টাইগাররা।
নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশ ছিল সপ্তম স্থানে। কিউইদের ৫ উইকেটে হারানোয় মাশরাফির দলের রেটিং পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৯৩। শ্রীলঙ্কার পয়েন্টও সমান, তবে ভগ্নাংশে এগিয়ে থেকে ছয়ে উঠে গেছে বাংলাদেশ। আর শ্রীলঙ্কা নেমে গেছে সপ্তম স্থানে।
ষষ্ঠ স্থানে উঠে যাওয়ায় সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার দৌড়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে গেল টাইগাররা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।
অবশ্য অত দিন অপো না-ও করতে হতে পারে। আগামী ১ জুন শুরু হতে হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুটো ম্যাচ জিতলে ২০১৯ বিশ্বকাপ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের।
ডাবলিনের কনটার্ফ ক্রিকেট কাব গ্রাউন্ডে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সবগুলো অর্জন একসঙ্গে ব্যাগ পুরে নিলো মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। কিউইদের ছুড়ে দেয়া ২৭১ রানের ল্য তাড়া করতে নেমে ১০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
প্রথম দিকে জয়ের নায়ক ছিলেন তামিম ইকবাল এবং সাব্বির রহমান। দু’জনের ১৩৬ রানের অসাধারণ এক জুটি বাংলাদেশকে জয়ের ভিত তৈরি করে দেয়। মাঝে চারটি উইকেট টানা পড়ে গেলেও দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭২ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বহু আকাংখিত জয়টি উপহার দেন। মুশফিক ৪৫ বলে ৪৫ এবং মাহমুদুল্লাহ ৩৬ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
১৭১ রানের ল্েয ব্যাট করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ধকল টাইগাররা সামলে উঠেছেন দ্বিতীয় উইকেটে। এই জুটিতে বাংলাদেশ পায় ১৩৬ রান। জুটি ভাঙল তামিম আউট হওয়ায়। মিচেল স্যান্টনারের বল মিড উইকেটে উড়িয়ে মারতে গিয়ে হাশিম বেনেটের তালুবন্দি হন তামিম।
তামিমের বিদায়ের পর খুব বেশিণ ক্রিজে থাকতে পারলেন না সাব্বিরও। মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউটে কাটা পড়লেন সাব্বির। এরপর ১০ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
সৈকতের পর বিদায় নেন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলীয় ১৬০ রানের মাথায় জিতান প্যাটেলের বলে প্যাডে বল লাগিয়ে এলবিডব্লিউ হন তিনি। উইকেটে নামা সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহীম মিলে চেষ্টা করেন ৩৯ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার। দলীয় ১৯৯ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সাকিব আল হাসানও। হামিশ বেনেটের বলে লং লেগ অঞ্চলে তার ক্যাচ ধরেন মিচেল সান্টনার। এরপরই জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর মুশফিকুর রহিম।
২৭১ রানের ল্য। তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন সৌম্য সরকার। তিনি শিকার জিতান প্যাটেলের। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে সজোরে ব্যাট চালাতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার কোরি অ্যান্ডারসনের হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশি ওপেনার।
এদিকে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন নিউজিল্যান্ডের তিন ব্যাটসম্যান। টম ল্যাথাম, নেইল ব্রুমের পর রস টেলর। এই তিন ফিফটিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭০ রান তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।

ফুটবল

মোহামেডানের বিদায়: সেমিতে শেখ জামাল

মৌসুমের প্রথম ফুটবল আসর ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই ঢাকা মোহামেডানকে বিদায় করে দিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি কাব। আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে, ১-০ গোলের জয় পায় ধানমন্ডির দলটি। জয়ের নায়ক গাম্বিয়ান মিডফিল্ডার সলুমুন কিং। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে জয় সূচক গোলটি করেন তিনি। হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়ায় প্তি হয়ে উঠেন সাদা-কালো শিবিরের সমর্থকরা।
বল মাঠে গড়ানোর পরই মোহামেডানের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে শেখ জামাল। একের পর এক আক্রমন করলেও সাফল্য আসছিল না ফিনিসিংয়ের অভাবে। তাছাড়া সাদা-কালো শিবিরের গোলরক মামুন খান নিজেও বেশ কয়েকটি আক্রমন প্রতিহত করে বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা থেকে দলকে বাঁচান।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পেয়ে শেখ জামালের নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার রাফায়েল উদুবিন মোহামেডানের গোলরক মামুন খানকে ওয়ান বাই ওয়ান পজিশনে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। ছোট বক্সের সামনে থেকে তার নেয়া শট মামুনের পায়ে লেগে ফিরে আসে। এর পাঁচ মিনিট আগে আরো একবার গোলের সুযোগ পেয়েও স্কোর গড়তে পারেননি নাইজেরিয়ান এ স্ট্রাইকার।
ম্যাচের ৪০ মিনিটে প্রথম একটি আক্রমন রচনা করেছিল নাঈমুদ্দিনের শিষ্যরা। কিন্তু লিংকনের ক্রসের বল ডি বক্সে পেয়েও তা গোলে পরিনত করতে পারেননি দলটির নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার কিংসলে চিগোজি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে আরো একবার মোহামেডান শিবিরে কাঁপন ধরিয়েছিল শেখ জামাল। কিন্তু গাম্বিয়ান স্ট্রাইকার মমদুর নেয়া শটটি বাঁক নিয়ে গোলপোস্টের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যাওয়ায় আবারো হতাশ হতে হয় জোসেফ আফুসির শিষ্যদের।
অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে আসে সফলতা। সাদা-কালোদের হতাশায় ডুবান শেষ জামালের গাম্বিয়ান মিডফিল্ডার সলুমুন কিং। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে রাফায়েলের কাট ব্যাক থেকে বল পেয়ে এ বদলী মিডফিল্ডার সাদা-কালো শিবিরের জালে বল জড়িয়ে দেন (১-০)। ম্যাচ শেষে ভিআইপি গ্যালারীর গেট গলে মাঠে প্রবেশ করে টেন্টের দিকে যান। সমর্থকরা সেখানে কোচ নাঈমুদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে গালাগাল করেন। পরে পুলিশ এসে উত্তেজিত সমর্থকদের সরিয়ে দেন। সমর্থকদের রোশানল থেকে বাঁচতে ম্যাচ শেষ হতে না হতেই টেন্টের পেছন দিয়ে মাঠ ত্যাগ করেন ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু।
আগামিকাল একই ভেন্যুতে সন্ধ্য ছ‘টায় দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনীর মুখোমুখি হবে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

ফেইসবুক

গলফ
দাবা
লন-টেনিস
হকি
হ্যান্ডবল
আর্ন্তজাতিক
সাক্ষাৎকার
সাঁতার
এ্যাথলেটিকস্